১
কুরআন ও সহীহ হাদীসে আলোকে সদকা-খয়রাত
লেখকঃ মোস্তাফিজুর রহমান ইবন আব্দুল আযীয আল-মাদানী • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৩৮
সম্পদের বিশেষ প্রয়োজন রয়েছে এমন মুহূর্তে সামান্যটুকু সদকা করলেও অনেক বেশি সাওয়াব পাওয়া যায় প্রয়োজনাতিরিক্ত অধিক সম্পদ সদকা করার চাইতে:
আবু হুরায়রা থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন,
جَاءَ رَجُلٌ إِلَى النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَقَالَ : يَا رَسُولَ اللَّهِ، أَيُّ الصَّدَقَةِ أَعْظَمُ أَجْرًا؟ قَالَ : «أَنْ تَصَدَّقَ وَأَنْتَ صَحِيحٌ شَحِيحٌ تَخْشَى الفَقْرَ، وَتَأْمُلُ الغِنَى، وَلاَ تُمْهِلُ حَتَّى إِذَا بَلَغَتِ الحُلْقُومَ، قُلْتَ لِفُلاَنٍ كَذَا، وَلِفُلاَنٍ كَذَا وَقَدْ كَانَ لِفُلاَنٍ»
“জনৈক ব্যক্তি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট এসে বললো, হে আল্লাহর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম! কোন্ সদকাতে বেশি সাওয়াব? তিনি বললেন, তুমি যখন এমতাবস্থায় সদকা করবে যে, তুমি তখন সুস্থ, সদকা করতে মন চায় না, গরিব হয়ে যাওয়ার ভীষণ ভয় পাচ্ছো এবং আরো বড়ো ধনী হওয়ার তোমার খুবই আশা। তবে সদকা করতে দেরি করো না। যাতে এমন অবস্থার সৃষ্টি না হয় যে, তোমার প্রাণ বের হয়ে যাওয়ার উপক্রম; অথচ তুমি বলছো, অমুকের জন্য এতো। আর অমুকের জন্য অতো। যখন সবই অন্যের জন্য। তোমার জন্য আর কিছুই নেই”। [সহীহ বুখারী, হাদীস নং ১৪১৯; সহীহ মুসলিম, হাদীস নং ১০৩২]
আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন,
«سَبَقَ دِرْهَمٌ مِئَةَ أَلْفِ دِرْهَمٍ، فَقَالَ رَجُـلٌ : وَكَيْفَ ذَاكَ يَا رَسُوْلَ اللهِ ؟ قَالَ : رَجُلٌ لَهُ مَالٌ كَثِيْرٌ، أَخَذَ مِنْ عُرْضِهِ مِئَةَ أَلْفِ دِرْهَـمٍ تَصَدَّقَ بِهَا، وَرَجُلٌ لَيْسَ لَهُ إِلاَّ دِرْهَمَانِ، فَأَخَذَ أَحَدَهُمَا فَتَصَدَّقَ بِهِ»
“একটি দিরহাম কখনো কখনো (সাওয়াবের দিক দিয়ে) এক লক্ষ দিরহামকে অতিক্রম করে যায়। জনৈক ব্যক্তি বললো, সেটা আবার কিভাবে হে আল্লাহর রাসূল! তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, জনৈক ব্যক্তির রয়েছে অনেক অনেক সম্পদ। সে তার অনেক সম্পদের এক সাইড থেকে এক লক্ষ দিরহাম সদকা করে দিলো। অপর দিকে আরেক জনের শুধুমাত্র দু’টি দিরহামই আছে। সে তার একটিই আল্লাহর পথে সদকা করে দিলো”। [সুনান নাসায়ী, হাদীস নং ২৫২৯; সহীহুত-তারগীবি ওয়াত-তারহীব, হাদীস নং ৮৭৩]
جَاءَ رَجُلٌ إِلَى النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَقَالَ : يَا رَسُولَ اللَّهِ، أَيُّ الصَّدَقَةِ أَعْظَمُ أَجْرًا؟ قَالَ : «أَنْ تَصَدَّقَ وَأَنْتَ صَحِيحٌ شَحِيحٌ تَخْشَى الفَقْرَ، وَتَأْمُلُ الغِنَى، وَلاَ تُمْهِلُ حَتَّى إِذَا بَلَغَتِ الحُلْقُومَ، قُلْتَ لِفُلاَنٍ كَذَا، وَلِفُلاَنٍ كَذَا وَقَدْ كَانَ لِفُلاَنٍ»
“জনৈক ব্যক্তি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট এসে বললো, হে আল্লাহর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম! কোন্ সদকাতে বেশি সাওয়াব? তিনি বললেন, তুমি যখন এমতাবস্থায় সদকা করবে যে, তুমি তখন সুস্থ, সদকা করতে মন চায় না, গরিব হয়ে যাওয়ার ভীষণ ভয় পাচ্ছো এবং আরো বড়ো ধনী হওয়ার তোমার খুবই আশা। তবে সদকা করতে দেরি করো না। যাতে এমন অবস্থার সৃষ্টি না হয় যে, তোমার প্রাণ বের হয়ে যাওয়ার উপক্রম; অথচ তুমি বলছো, অমুকের জন্য এতো। আর অমুকের জন্য অতো। যখন সবই অন্যের জন্য। তোমার জন্য আর কিছুই নেই”। [সহীহ বুখারী, হাদীস নং ১৪১৯; সহীহ মুসলিম, হাদীস নং ১০৩২]
আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন,
«سَبَقَ دِرْهَمٌ مِئَةَ أَلْفِ دِرْهَمٍ، فَقَالَ رَجُـلٌ : وَكَيْفَ ذَاكَ يَا رَسُوْلَ اللهِ ؟ قَالَ : رَجُلٌ لَهُ مَالٌ كَثِيْرٌ، أَخَذَ مِنْ عُرْضِهِ مِئَةَ أَلْفِ دِرْهَـمٍ تَصَدَّقَ بِهَا، وَرَجُلٌ لَيْسَ لَهُ إِلاَّ دِرْهَمَانِ، فَأَخَذَ أَحَدَهُمَا فَتَصَدَّقَ بِهِ»
“একটি দিরহাম কখনো কখনো (সাওয়াবের দিক দিয়ে) এক লক্ষ দিরহামকে অতিক্রম করে যায়। জনৈক ব্যক্তি বললো, সেটা আবার কিভাবে হে আল্লাহর রাসূল! তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, জনৈক ব্যক্তির রয়েছে অনেক অনেক সম্পদ। সে তার অনেক সম্পদের এক সাইড থেকে এক লক্ষ দিরহাম সদকা করে দিলো। অপর দিকে আরেক জনের শুধুমাত্র দু’টি দিরহামই আছে। সে তার একটিই আল্লাহর পথে সদকা করে দিলো”। [সুনান নাসায়ী, হাদীস নং ২৫২৯; সহীহুত-তারগীবি ওয়াত-তারহীব, হাদীস নং ৮৭৩]