১
কুরআন ও হাদীসের আলোকে সহজ আকীদা
লেখকঃ ড. আহমাদ ইবন আব্দুর রহমান আল-কাযী • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৩১
আল্লাহর দর্শন লাভ
আল্লাহ ও আখিরাত দিবসের প্রতি ঈমানের একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, কিয়ামত দিবসে স্ব-চক্ষে কোনো প্রকার পর্দা ছাড়াই দুটি স্থানে মুমিনদের আল্লাহর দর্শন লাভ করা।
এক- কিয়ামতের মাঠে যেখানে হিসাব-নিকাশ হবে।
দুই- জান্নাতে প্রবেশের পর।
মহান আল্লাহ বলেন:
﴿وُجُوهٞ يَوۡمَئِذٖ نَّاضِرَةٌ ٢٢ إِلَىٰ رَبِّهَا نَاظِرَةٞ ٢٣﴾ [ القيامة : ٢٢، ٢٣ ]
“সেদিন কতক মুখমণ্ডল হবে হাস্যোজ্জ্বল। তাদের রবের প্রতি দৃষ্টিনিক্ষেপকারী”। [সূরা আল-কিয়ামাহ, আয়াত: ২২, ২৩]
মহান আল্লাহ বলেন:
﴿عَلَى ٱلۡأَرَآئِكِ يَنظُرُونَ ٢٣﴾ [ المطففين : ٢٣ ]
“সুসজ্জিত আসনে বসে তারা দেখতে থাকবে”। [সূরা আল-মুতাফফিফীন, আয়াত: ২৩] মহান আল্লাহ বলেন:
﴿لِّلَّذِينَ أَحۡسَنُواْ ٱلۡحُسۡنَىٰ وَزِيَادَةٞۖ ٢٦﴾ [ يونس : ٢٦ ]
“যারা ভালো কাজ করেছে তাদের জন্য রয়েছে শুভ পরিণাম (জান্নাত) এবং আল্লাহর দর্শন লাভ”। [সূরা ইউনুস, আয়াত: ২৬]
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন:
«إنكم سترون ربكم كما ترون القمر ليلة البدر، لا تضامون في رؤيته» .
“পূণির্মার রাতে চাঁদকে যেমন দেখতে পাও তেমনিভাবে তোমারা তোমাদের রবকে দেখতে পাবে। তাকে দেখতে তোমাদের কোনো কষ্ট হবে না”। [সহীহ বুখারী, হাদীস নং ৫৭৩; সহীহ মুসলিম, হাদীস নং ১৮২]
এক- কিয়ামতের মাঠে যেখানে হিসাব-নিকাশ হবে।
দুই- জান্নাতে প্রবেশের পর।
মহান আল্লাহ বলেন:
﴿وُجُوهٞ يَوۡمَئِذٖ نَّاضِرَةٌ ٢٢ إِلَىٰ رَبِّهَا نَاظِرَةٞ ٢٣﴾ [ القيامة : ٢٢، ٢٣ ]
“সেদিন কতক মুখমণ্ডল হবে হাস্যোজ্জ্বল। তাদের রবের প্রতি দৃষ্টিনিক্ষেপকারী”। [সূরা আল-কিয়ামাহ, আয়াত: ২২, ২৩]
মহান আল্লাহ বলেন:
﴿عَلَى ٱلۡأَرَآئِكِ يَنظُرُونَ ٢٣﴾ [ المطففين : ٢٣ ]
“সুসজ্জিত আসনে বসে তারা দেখতে থাকবে”। [সূরা আল-মুতাফফিফীন, আয়াত: ২৩] মহান আল্লাহ বলেন:
﴿لِّلَّذِينَ أَحۡسَنُواْ ٱلۡحُسۡنَىٰ وَزِيَادَةٞۖ ٢٦﴾ [ يونس : ٢٦ ]
“যারা ভালো কাজ করেছে তাদের জন্য রয়েছে শুভ পরিণাম (জান্নাত) এবং আল্লাহর দর্শন লাভ”। [সূরা ইউনুস, আয়াত: ২৬]
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন:
«إنكم سترون ربكم كما ترون القمر ليلة البدر، لا تضامون في رؤيته» .
“পূণির্মার রাতে চাঁদকে যেমন দেখতে পাও তেমনিভাবে তোমারা তোমাদের রবকে দেখতে পাবে। তাকে দেখতে তোমাদের কোনো কষ্ট হবে না”। [সহীহ বুখারী, হাদীস নং ৫৭৩; সহীহ মুসলিম, হাদীস নং ১৮২]