১
কুরআন ও হাদীসের আলোকে সহজ আকীদা
লেখকঃ ড. আহমাদ ইবন আব্দুর রহমান আল-কাযী • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৩৭
সাহাবীগণের বিষয়ে আমাদের করণীয়
সাহাবীগণের শ্রেণি ও মর্যাদা বিভিন্ন হওয়া সত্বেও তাদের বিষয়ে আমাদের করনীয়:
প্রথমত: সাহাবীগণের একক ও সামগ্রীকভাবে মহব্বত করা, তাদের সাথে বন্ধুত্ব রাখা, তাদের প্রতি সন্তুষ্ট থাকা, তাদের জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করা এবং তাদের প্রসংশা করা। মহান আল্লাহ বলেন:
﴿وَالْمُؤْمِنُونَ وَالْمُؤْمِنَاتُ بَعْضُهُمْ أَوْلِيَاءُ بَعْضٍ﴾ [ التوبة : ٧١ ]
“আর মুমিন পুরুষ ও মুমিন নারীরা একে অপরের বন্ধু”। [সূরা আত-তাওবা, আয়াত: ৭১]
মহান আল্লাহ বলেন:
﴿وَٱلَّذِينَ جَآءُو مِنۢ بَعۡدِهِمۡ يَقُولُونَ رَبَّنَا ٱغۡفِرۡ لَنَا وَلِإِخۡوَٰنِنَا ٱلَّذِينَ سَبَقُونَا بِٱلۡإِيمَٰنِ ١٠﴾ [ الحشر : ١٠ ]
“যারা তাদের পরে এসেছে তারা বলে: ‘হে আমাদের রব, আমাদেরকে ও আমাদের ভাই যারা ঈমান নিয়ে আমাদের পূর্বে অতিক্রান্ত হয়েছে তাদেরকে ক্ষমা করুন”। [সূরা আল-হাশর, আয়াত: ১০]
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন:
« آية الإيمان حب الأنصار، وآية النفاق بغض الأنصار » رواه البخاري ،
“ঈমানের আলামত হলো, আনসারদেরকে মহব্বত করা আর মুনাফেকীর আলামত হলো, আনসারদের প্রতি বিদ্বেষ পোষণ করা”। [সহীহ বুখারী, হাদীস নং ১৭; সহীহ মুসলিম, হাদীস নং ৭৪]
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আলী রাদিয়াল্লাহু আনহুকে বলেন:
«لا يحبك إلا مؤمن، ولا يبغضك إلا منافق» .
“কেবল একজন মুমিনই তোমাকে মহব্বত করবে এবং একজন মুনাফিক ছাড়া কেউ তোমাকে ঘৃণা করবে না”। [সহীহ মুসলিম, হাদীস নং ৭৮]
দ্বিতীয়ত: অন্তর ও যবানকে তাদের প্রতি খারাপ ধারণা ও বিদ্বেষ পোষণ এবং তাদের সমালোচনা ও অভিশাপ করা থেকে মুক্ত রাখা। মহান আল্লাহ বলেন:
﴿وَلَا تَجۡعَلۡ فِي قُلُوبِنَا غِلّٗا لِّلَّذِينَ ءَامَنُواْ رَبَّنَآ إِنَّكَ رَءُوفٞ رَّحِيمٌ ١٠﴾ [ الحشر : ١٠ ]
“এবং যারা ঈমান এনেছিল তাদের জন্য আমাদের অন্তরে কোনো বিদ্বেষ রাখবেন না; হে আমাদের রব, নিশ্চয় আপনি দয়াবান, পরম করুণাময়।”। [সূরা আল-হাশর, আয়াত: ১০]
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন:
«لا تسبوا أصحابي؛ فوالذي نفسي بيده، لو أن أحدكم أنفق مثل أحد ذهباً ، ما بلغ مدَّ أحدهم ولا نصيفه» .
“তোমরা আমার সাহাবীগণ গাল দেবে না। ঐ আল্লাহর সপথ যার হাতে আমার জীবন রয়েছে, যদি তোমাদের কেউ ওহুদ পাহাড় পরিমাণ স্বর্ণ আল্লাহর রাস্তায় ব্যয় করে, তাদের কারো দানের এক মুদ (মুদ বলঅ হয় এক মতে 812,5 গ্রাম অন্য মতে বলা হয় 510 গ্রাম ) বা অর্ধ মুদ পর্যন্ত দান করা সমান হবে না”। [সহীহ বুখারী, হাদীস নং ৩৬৭৩; সহীহ মুসলিম, হাদীস নং ২৫৪১১]
তৃতীয়ত: সাহাবীগণের মধ্যে সংঘটিত বিবাদ বিষয়ে মুখ খোলা থেকে বিরত থাকা, তাদের প্রতি সু-ধারণা পোষণ করা, তারা সবাই মুজতাহিদ হওয়ার কারণে যদি তারা সঠিক করে থাকেন তবে তারা দ্বিগুণ সাওয়াব পাবেন এবং যদি কোন ভুল করে থাকেন তবে তারা অবশ্যই একগুণ সাওয়াব পাবেন। যদি তাদের থেকে কোনো গুনাহ প্রকাশ পেয়েও থাকে, তবে তাদের উঁচু মর্যাদা, অগ্রগামী হওয়া এবং তাদের নেক আমল এত বেশি যা তাদের ভুল-ত্রুটি ক্ষমার জন্য যথেষ্ট।
চতুর্থত: শিয়া-রাফেযীদের পথ থেকে মুক্ত থাকা: যারা রাসূলের পরিবারবর্গ সম্পর্কে মাত্রাতিরিক্ত বাড়াবাড়ি করে এবং অন্যান্য সাহাবীদের গাল-মন্দ করে এবং তাদের প্রতি বিদ্বেষ পোষণ করে। অনুরূপ খারেজী-নাওয়াসেবদের থেকে মুক্ত থাকা: যারা রাসূলের পরিবারবর্গের উপর যুলুম অত্যাচার করে এবং তাদেরকেদ কষ্ট দেয়।
প্রথমত: সাহাবীগণের একক ও সামগ্রীকভাবে মহব্বত করা, তাদের সাথে বন্ধুত্ব রাখা, তাদের প্রতি সন্তুষ্ট থাকা, তাদের জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করা এবং তাদের প্রসংশা করা। মহান আল্লাহ বলেন:
﴿وَالْمُؤْمِنُونَ وَالْمُؤْمِنَاتُ بَعْضُهُمْ أَوْلِيَاءُ بَعْضٍ﴾ [ التوبة : ٧١ ]
“আর মুমিন পুরুষ ও মুমিন নারীরা একে অপরের বন্ধু”। [সূরা আত-তাওবা, আয়াত: ৭১]
মহান আল্লাহ বলেন:
﴿وَٱلَّذِينَ جَآءُو مِنۢ بَعۡدِهِمۡ يَقُولُونَ رَبَّنَا ٱغۡفِرۡ لَنَا وَلِإِخۡوَٰنِنَا ٱلَّذِينَ سَبَقُونَا بِٱلۡإِيمَٰنِ ١٠﴾ [ الحشر : ١٠ ]
“যারা তাদের পরে এসেছে তারা বলে: ‘হে আমাদের রব, আমাদেরকে ও আমাদের ভাই যারা ঈমান নিয়ে আমাদের পূর্বে অতিক্রান্ত হয়েছে তাদেরকে ক্ষমা করুন”। [সূরা আল-হাশর, আয়াত: ১০]
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন:
« آية الإيمان حب الأنصار، وآية النفاق بغض الأنصار » رواه البخاري ،
“ঈমানের আলামত হলো, আনসারদেরকে মহব্বত করা আর মুনাফেকীর আলামত হলো, আনসারদের প্রতি বিদ্বেষ পোষণ করা”। [সহীহ বুখারী, হাদীস নং ১৭; সহীহ মুসলিম, হাদীস নং ৭৪]
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আলী রাদিয়াল্লাহু আনহুকে বলেন:
«لا يحبك إلا مؤمن، ولا يبغضك إلا منافق» .
“কেবল একজন মুমিনই তোমাকে মহব্বত করবে এবং একজন মুনাফিক ছাড়া কেউ তোমাকে ঘৃণা করবে না”। [সহীহ মুসলিম, হাদীস নং ৭৮]
দ্বিতীয়ত: অন্তর ও যবানকে তাদের প্রতি খারাপ ধারণা ও বিদ্বেষ পোষণ এবং তাদের সমালোচনা ও অভিশাপ করা থেকে মুক্ত রাখা। মহান আল্লাহ বলেন:
﴿وَلَا تَجۡعَلۡ فِي قُلُوبِنَا غِلّٗا لِّلَّذِينَ ءَامَنُواْ رَبَّنَآ إِنَّكَ رَءُوفٞ رَّحِيمٌ ١٠﴾ [ الحشر : ١٠ ]
“এবং যারা ঈমান এনেছিল তাদের জন্য আমাদের অন্তরে কোনো বিদ্বেষ রাখবেন না; হে আমাদের রব, নিশ্চয় আপনি দয়াবান, পরম করুণাময়।”। [সূরা আল-হাশর, আয়াত: ১০]
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন:
«لا تسبوا أصحابي؛ فوالذي نفسي بيده، لو أن أحدكم أنفق مثل أحد ذهباً ، ما بلغ مدَّ أحدهم ولا نصيفه» .
“তোমরা আমার সাহাবীগণ গাল দেবে না। ঐ আল্লাহর সপথ যার হাতে আমার জীবন রয়েছে, যদি তোমাদের কেউ ওহুদ পাহাড় পরিমাণ স্বর্ণ আল্লাহর রাস্তায় ব্যয় করে, তাদের কারো দানের এক মুদ (মুদ বলঅ হয় এক মতে 812,5 গ্রাম অন্য মতে বলা হয় 510 গ্রাম ) বা অর্ধ মুদ পর্যন্ত দান করা সমান হবে না”। [সহীহ বুখারী, হাদীস নং ৩৬৭৩; সহীহ মুসলিম, হাদীস নং ২৫৪১১]
তৃতীয়ত: সাহাবীগণের মধ্যে সংঘটিত বিবাদ বিষয়ে মুখ খোলা থেকে বিরত থাকা, তাদের প্রতি সু-ধারণা পোষণ করা, তারা সবাই মুজতাহিদ হওয়ার কারণে যদি তারা সঠিক করে থাকেন তবে তারা দ্বিগুণ সাওয়াব পাবেন এবং যদি কোন ভুল করে থাকেন তবে তারা অবশ্যই একগুণ সাওয়াব পাবেন। যদি তাদের থেকে কোনো গুনাহ প্রকাশ পেয়েও থাকে, তবে তাদের উঁচু মর্যাদা, অগ্রগামী হওয়া এবং তাদের নেক আমল এত বেশি যা তাদের ভুল-ত্রুটি ক্ষমার জন্য যথেষ্ট।
চতুর্থত: শিয়া-রাফেযীদের পথ থেকে মুক্ত থাকা: যারা রাসূলের পরিবারবর্গ সম্পর্কে মাত্রাতিরিক্ত বাড়াবাড়ি করে এবং অন্যান্য সাহাবীদের গাল-মন্দ করে এবং তাদের প্রতি বিদ্বেষ পোষণ করে। অনুরূপ খারেজী-নাওয়াসেবদের থেকে মুক্ত থাকা: যারা রাসূলের পরিবারবর্গের উপর যুলুম অত্যাচার করে এবং তাদেরকেদ কষ্ট দেয়।