১
অমুসলিমদের সাথে রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের আচরণ প্রসঙ্গ
লেখকঃ ড. রাগিব আস-সারজানী • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ১৬
চতুর্থ অধ্যায়: অমুসলিমদের সাথে ন্যায়পরায়ণতা
এ অধ্যায়টি শুরু করার জন্য এর চেয়ে উত্তম আর কোনো কথা আমার দৃষ্টিগোচর হচ্ছে না, যা লিখেছে এক খ্রিস্টান গবেষক, যে রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের জীবনাচার ও যেসব উৎসমূলগুলোর ওপর শরী‘আতের ভিত প্রতিষ্ঠিত সেগুলোকে গভীরভাবে অধ্যয়ন করেছে। সে হচ্ছে ড. নাযমী লাওকা। [. ড. নাযমী লাওকা। একজন মিসরীয় খ্রিস্টান গবেষক। যদিও শিশুকাল থেকেই তার পিতা-মাতা তার অন্তরে খ্রিস্টবাদের বীজ বপন করে রেখেছেন, তবুও ব্যক্তিগত জীবনে সে অনেক মুসলিম শাইখের মজলিসে উপিস্থত থাকত। শুধু তাই নয়; বরং তিনি তার বয়স দশ বছর পূর্ণ হওয়ার পূর্বেই কুরআন মাজীদ মুখস্থ করে ফেলে। অনেক গ্রন্থ রচনা করেন। তন্মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে: محمد الرسالة والرسول ও محمد في حياته الخاصة ] তিনি লিখেছেন:
“যে শরী‘আত এ কথা বলে,
﴿وَلَا يَجۡرِمَنَّكُمۡ شَنََٔانُ قَوۡمٍ عَلَىٰٓ أَلَّا تَعۡدِلُواْۚ ﴾ [ المائدة : ٨ ]
“কোনো কওমের প্রতি শত্রুতা যেন তামাদেরকে কোনোভাবে প্ররোচিত না করে যে, তোমরা ইনসাফ করবে না।” [সূরা আল-মায়েদা, আয়াত: ৮]
এর চেয়ে উত্তম এমন আর কোনো শরী‘আত আমি দেখি না, যা ন্যায়পরায়ণতার দাবী করে এবং এমন শরী‘আতও দেখি না যা স্বজনপ্রীতি ও যুলুমকে নিষিদ্ধ করে। তাই এ দর্শন বাদ দিয়ে বা উচ্চতা ও সততার দিক থেকে এর চেয়ে অনুন্নত দীন পালন করে কেউ কি নিজের শ্রেষ্ঠত্ব প্রতিষ্ঠা করতে পারে...?!”
এটি আমাদের দীনের ব্যাপারে একজন খ্রিস্টান গবেষকের সাক্ষ্য। আমাদের শাশ্বত দীন নিয়ে তার এ ধরণের আরো অনেক মন্তব্য রয়েছ।
মোদ্দাকথা হচ্ছে, ন্যায়পরায়তা ও নিরপেক্ষতা এটি এমন একটি বিষয় যাকে আমাদের শরী‘আত সামান্যতমও অবহেলা করে না। আমাদের রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের জীবনাচারে তো এ বিষয়ে অবহেলার কল্পনাই করা যায় না।
আল্লাহ চাহে তো আমি চলমান অধ্যায়ের অতীব গুরুত্বপূর্ণ এ বিষয়টিকে নিম্নোক্ত পরিচ্ছেদসমূহে বিন্যস্ত করে উপস্থাপন করার প্রয়াস চালাব।
প্রথম পরিচ্ছেদ: ইসলামী শরী‘আতে ন্যায়পরায়ণতা।
দিত্বীয় পরিচ্ছেদ: সম্পদের লেন-দেনে ন্যায়পরায়ণতা।
তৃতিয় পরিচ্ছেদ: বিচার ব্যবস্থায় ন্যায়পরায়ণতা।
চতুর্থ পরিচ্ছেদ: ব্যক্তিগত অধিকার হরণকারীদের রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাথে ন্যায়পরায়ণতা।
পঞ্চম পরিচ্ছেদ: প্রমাণের ভিত্তিতে ফায়সালা।
ষষ্ট পরিচ্ছেদ: একের পাপের বোঝা অন্যে বহন করবে না।
সপ্তম পরিচ্ছেদ: অত্যন্ত বিরাগভাজনদের সাথেও ন্যায়পরায়ণতা।
“যে শরী‘আত এ কথা বলে,
﴿وَلَا يَجۡرِمَنَّكُمۡ شَنََٔانُ قَوۡمٍ عَلَىٰٓ أَلَّا تَعۡدِلُواْۚ ﴾ [ المائدة : ٨ ]
“কোনো কওমের প্রতি শত্রুতা যেন তামাদেরকে কোনোভাবে প্ররোচিত না করে যে, তোমরা ইনসাফ করবে না।” [সূরা আল-মায়েদা, আয়াত: ৮]
এর চেয়ে উত্তম এমন আর কোনো শরী‘আত আমি দেখি না, যা ন্যায়পরায়ণতার দাবী করে এবং এমন শরী‘আতও দেখি না যা স্বজনপ্রীতি ও যুলুমকে নিষিদ্ধ করে। তাই এ দর্শন বাদ দিয়ে বা উচ্চতা ও সততার দিক থেকে এর চেয়ে অনুন্নত দীন পালন করে কেউ কি নিজের শ্রেষ্ঠত্ব প্রতিষ্ঠা করতে পারে...?!”
এটি আমাদের দীনের ব্যাপারে একজন খ্রিস্টান গবেষকের সাক্ষ্য। আমাদের শাশ্বত দীন নিয়ে তার এ ধরণের আরো অনেক মন্তব্য রয়েছ।
মোদ্দাকথা হচ্ছে, ন্যায়পরায়তা ও নিরপেক্ষতা এটি এমন একটি বিষয় যাকে আমাদের শরী‘আত সামান্যতমও অবহেলা করে না। আমাদের রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের জীবনাচারে তো এ বিষয়ে অবহেলার কল্পনাই করা যায় না।
আল্লাহ চাহে তো আমি চলমান অধ্যায়ের অতীব গুরুত্বপূর্ণ এ বিষয়টিকে নিম্নোক্ত পরিচ্ছেদসমূহে বিন্যস্ত করে উপস্থাপন করার প্রয়াস চালাব।
প্রথম পরিচ্ছেদ: ইসলামী শরী‘আতে ন্যায়পরায়ণতা।
দিত্বীয় পরিচ্ছেদ: সম্পদের লেন-দেনে ন্যায়পরায়ণতা।
তৃতিয় পরিচ্ছেদ: বিচার ব্যবস্থায় ন্যায়পরায়ণতা।
চতুর্থ পরিচ্ছেদ: ব্যক্তিগত অধিকার হরণকারীদের রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাথে ন্যায়পরায়ণতা।
পঞ্চম পরিচ্ছেদ: প্রমাণের ভিত্তিতে ফায়সালা।
ষষ্ট পরিচ্ছেদ: একের পাপের বোঝা অন্যে বহন করবে না।
সপ্তম পরিচ্ছেদ: অত্যন্ত বিরাগভাজনদের সাথেও ন্যায়পরায়ণতা।