১
ইসলামী মিডিয়ার স্বরূপ ও তাৎপর্য
লেখকঃ ড. মো: আব্দুল কাদের • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৭
চতুর্থত: ইসলাম প্রদর্শিত জীবন গঠনে মানুষের মনোযোগ আকৃষ্ট করা
ইসলাম একটি পূর্ণাঙ্গ জীবন ব্যবস্থার নাম। এতে ব্যক্তিগত, পরিবারিক ও জাতীয় জীবনের বিভিন্ন দিকের সুন্দর ব্যবস্থাপনা বিদ্যমান রয়েছে। চাই তা তাদের অর্থনৈতিক হোক অথবা সামাজিক হোক, প্রশাসনিক অথবা সামষ্টিক হোক। ইসলামের এসব ব্যবস্থাপনা স্বতন্ত্র বৈশিষ্ট্যমন্ডিত। এটি মূলত রাববানিয়াহ বা প্রভূ-সম্বন্ধীয়। তবে মানুষের ব্যবস্থাপনার সাথেও এটি সংশ্লিষ্ট। এসবের মাঝে মানুষের প্রভূত কল্যাণ সাধিত হয় এবং সামাজিক ন্যায়বিচার, স্থিতিশীলতা, নিরাপত্তা বিধান হয়। ইসলামী আকীদাকে মানুষের আত্মায় গেঁথে দেয়াই ইসলামী জীবন ব্যবস্থাপনার অন্যতম লক্ষ্য। এক্ষেত্রে দু’টি মূলনীতি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
এক. সমতা বিধান করা
মানষের পারস্পরিক অধিকার ও কর্তব্যের ক্ষেত্রে ইসলাম সমতার বিধান দিয়েছে। কেননা সৃষ্টিগতভাবে তারা সবাই সমান। সকলেই মাটি হতে সৃষ্ট এবং সকলের পরিণতি এক। এ মর্মে কুরআনে এসেছে,
﴿ فَلۡيَنظُرِ ٱلۡإِنسَٰنُ مِمَّ خُلِقَ ٥ ﴾ [ الطارق : ٥ ]
‘‘অতএব, মানুষ যেন চিন্তা করে দেখে তাকে কী থেকে সৃষ্টি করা হয়েছে।’’
﴿ وَٱللَّهُ خَلَقَكُم مِّن تُرَابٖ ثُمَّ مِن نُّطۡفَةٖ﴾ [ فاطر : ١١ ]
‘‘আর আল্লাহ্ তোমাদেরকে সৃষ্টি করেছেন মাটি থেকে; তারপর শুক্রবিন্দু থেকে।’’ [. সূরা আল্-ফাতির : ১১।]
তবে শ্রেষ্ঠ তারা যারা আল্লাহ্কে অধিক ভয় পায় এবং সৎ কাজ করে। আল্লাহ্ বলেন-
﴿إِنَّ أَكۡرَمَكُمۡ عِندَ ٱللَّهِ أَتۡقَىٰكُمۡۚ ١٣ ﴾ [ الحجرات : ١٣ ]
‘‘তোমাদের মধ্যে আল্লাহ্র কাছে সে ব্যক্তিই বেশী মর্যাদাসম্পন্ন যে তোমাদের মধ্যে বেশী তাকওয়াসম্পন্ন [. সূরা হুজরাত : ১৩।]।’’
দুই. সামাজিক দায়িত্ববোধ
ইসলাম ব্যক্তির সংশোধনের পাশাপাশি সমাজের সংশোধনকেও গুরুত্ব দিয়ে থাকে। সমাজে বিভিন্ন শ্রেণী ও পেশার মানুষ বাস করে। কেউ ধনী, কেউবা গরীব, কেউ এতিম কেউবা নারী। কেউ শিশু কেউবা বৃদ্ধ। ইসলাম একজনের দায়িত্ব অন্যজনের উপর বর্তানোর ক্ষেত্রে এমন বিধিবদ্ধ করে দিয়েছে যা ব্যতীত সামাজিক শৃংখলা রক্ষা করা অসম্ভব। হাদীসে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম প্রত্যেককে দায়িত্বশীল এবং তাদের দায়িত্ব সম্পর্কে জিজ্ঞাসিত হওয়ার ব্যাপারে সতর্ক করেছেন।
«كُلُّكُمْ رَاعٍ وَكُلُّكُمْ مَسْئُولٌ عَنْ رَعِيَّتِهِ الإِمَامُ رَاعٍ وَمَسْئُولٌ عَنْ رَعِيَّتِهِ»
অর্থাৎ ‘‘তোমরা প্রত্যেকেই দায়িত্বশীল এবং তোমাদের প্রত্যেককেই তার দায়িত্ব সম্পর্কে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে। নেতা তার অধীনস্থদের জন্য জবাবদিহী করবেন [. ইমাম বুখারী, সহীহুল বুখারী, ২য় খন্ড, বাবুল জুম‘আ ফিল ক্বুরা ওয়াল মুদুন, পৃ. ৫, হাদীস নং- ৮৯৩।]।’’
এক. সমতা বিধান করা
মানষের পারস্পরিক অধিকার ও কর্তব্যের ক্ষেত্রে ইসলাম সমতার বিধান দিয়েছে। কেননা সৃষ্টিগতভাবে তারা সবাই সমান। সকলেই মাটি হতে সৃষ্ট এবং সকলের পরিণতি এক। এ মর্মে কুরআনে এসেছে,
﴿ فَلۡيَنظُرِ ٱلۡإِنسَٰنُ مِمَّ خُلِقَ ٥ ﴾ [ الطارق : ٥ ]
‘‘অতএব, মানুষ যেন চিন্তা করে দেখে তাকে কী থেকে সৃষ্টি করা হয়েছে।’’
﴿ وَٱللَّهُ خَلَقَكُم مِّن تُرَابٖ ثُمَّ مِن نُّطۡفَةٖ﴾ [ فاطر : ١١ ]
‘‘আর আল্লাহ্ তোমাদেরকে সৃষ্টি করেছেন মাটি থেকে; তারপর শুক্রবিন্দু থেকে।’’ [. সূরা আল্-ফাতির : ১১।]
তবে শ্রেষ্ঠ তারা যারা আল্লাহ্কে অধিক ভয় পায় এবং সৎ কাজ করে। আল্লাহ্ বলেন-
﴿إِنَّ أَكۡرَمَكُمۡ عِندَ ٱللَّهِ أَتۡقَىٰكُمۡۚ ١٣ ﴾ [ الحجرات : ١٣ ]
‘‘তোমাদের মধ্যে আল্লাহ্র কাছে সে ব্যক্তিই বেশী মর্যাদাসম্পন্ন যে তোমাদের মধ্যে বেশী তাকওয়াসম্পন্ন [. সূরা হুজরাত : ১৩।]।’’
দুই. সামাজিক দায়িত্ববোধ
ইসলাম ব্যক্তির সংশোধনের পাশাপাশি সমাজের সংশোধনকেও গুরুত্ব দিয়ে থাকে। সমাজে বিভিন্ন শ্রেণী ও পেশার মানুষ বাস করে। কেউ ধনী, কেউবা গরীব, কেউ এতিম কেউবা নারী। কেউ শিশু কেউবা বৃদ্ধ। ইসলাম একজনের দায়িত্ব অন্যজনের উপর বর্তানোর ক্ষেত্রে এমন বিধিবদ্ধ করে দিয়েছে যা ব্যতীত সামাজিক শৃংখলা রক্ষা করা অসম্ভব। হাদীসে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম প্রত্যেককে দায়িত্বশীল এবং তাদের দায়িত্ব সম্পর্কে জিজ্ঞাসিত হওয়ার ব্যাপারে সতর্ক করেছেন।
«كُلُّكُمْ رَاعٍ وَكُلُّكُمْ مَسْئُولٌ عَنْ رَعِيَّتِهِ الإِمَامُ رَاعٍ وَمَسْئُولٌ عَنْ رَعِيَّتِهِ»
অর্থাৎ ‘‘তোমরা প্রত্যেকেই দায়িত্বশীল এবং তোমাদের প্রত্যেককেই তার দায়িত্ব সম্পর্কে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে। নেতা তার অধীনস্থদের জন্য জবাবদিহী করবেন [. ইমাম বুখারী, সহীহুল বুখারী, ২য় খন্ড, বাবুল জুম‘আ ফিল ক্বুরা ওয়াল মুদুন, পৃ. ৫, হাদীস নং- ৮৯৩।]।’’