১
ঈমানের মৌলিক নীতিমালা সংক্রান্ত মণিমুক্তা
লেখকঃ ড. মুহাম্মাদ ইয়োসরী • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ১২
পঞ্চম পরিচ্ছেদ: কবীরা গুনাহে লিপ্ত ব্যক্তির বিধান
কবীরা গুনাহ জাহেলী কর্মকাণ্ডের অন্তর্ভুক্ত, আর তা ঈমানের ক্ষত সৃষ্টিকারী ও তার ঘাটতির কারণ। আর কবীরা গুনাহে লিপ্ত ব্যক্তি ফাসিক (পাপাচারী)।
আহলে কিবলা’র ফাসিক ব্যক্তি পূর্ণ ঈমানের অধিকারী (পূর্ণ মুমিন) বলার উপযুক্ত নয়; বরং তার সাথে শুধু নামমাত্র ঈমানের অস্তিত্ব রয়েছে।
আহলে সুন্নাত ওয়াল জামা‘আতের ইমামগণ নাম ও বিধানের ক্ষেত্রে অংশবিশেষ সাব্যস্তকরণের পক্ষে। সুতরাং (ফাসিক) ব্যক্তির সাথে ঈমানের আংশিক প্রযোজ্য হবে, সম্পূর্ণটা প্রযোজ্য হবে না, আর তার জন্য ঈমানদারগণের বিধান ও সাওয়াবের ততটুকু সাব্যস্ত হবে, যতটুকু তার সাথে বিদ্যমান আছে; যেমনিভাবে তার জন্য ততটুকু শাস্তি বরাদ্দ হবে, যতটুকু সে অমান্য করেছে।
আর আহলে কিবলা তথা কিবলার অনুসারী কেনো ব্যক্তি ততক্ষণ পর্যন্ত কোনো গুনাহের কারণে কাফির বলে গণ্য হবে না, যতক্ষণ না সে এমন কোনো অপরাধের সাথে জড়িত হবে, যা ঈমানকে বিনষ্ট করে দেয়ে।
আর কবীরা গনাহ’র সাথে জড়িত ব্যক্তিগণ (কিয়ামতের দিন) ‘শাফা‘আত’ লাভ করবে, আর তারা (আল্লাহর) ইচ্ছার অধীনে থাকবে, আর কখনও কখনও তাদের একত্ববাদের প্রতি বিশ্বাসের কারণে অথবা পাপ মোচনকারী সৎকাজের কারণে অথবা গুনাহ মাফকারী বিপদ-মুসীবতের কারণে আল্লাহ তাদেরকে ক্ষমা করে দিবেন, আর এ সবকিছুই শুধুমাত্র আল্লাহ তা‘আলার অনুগ্রহ ও দয়া।
আর কবীরা গুনাহের অপরাধে অপরাধীগণের মধ্য থেকে যাকে তার গুনাহ’র কারণে শাস্তি দেওয়া হবে, তা তো হবে একটা নির্দিষ্ট মেয়াদ পর্যন্ত; সে জাহান্নামে চিরস্থায়ীভাবে অবস্থান করবে না।
আহলে কিবলা’র ফাসিক ব্যক্তি পূর্ণ ঈমানের অধিকারী (পূর্ণ মুমিন) বলার উপযুক্ত নয়; বরং তার সাথে শুধু নামমাত্র ঈমানের অস্তিত্ব রয়েছে।
আহলে সুন্নাত ওয়াল জামা‘আতের ইমামগণ নাম ও বিধানের ক্ষেত্রে অংশবিশেষ সাব্যস্তকরণের পক্ষে। সুতরাং (ফাসিক) ব্যক্তির সাথে ঈমানের আংশিক প্রযোজ্য হবে, সম্পূর্ণটা প্রযোজ্য হবে না, আর তার জন্য ঈমানদারগণের বিধান ও সাওয়াবের ততটুকু সাব্যস্ত হবে, যতটুকু তার সাথে বিদ্যমান আছে; যেমনিভাবে তার জন্য ততটুকু শাস্তি বরাদ্দ হবে, যতটুকু সে অমান্য করেছে।
আর আহলে কিবলা তথা কিবলার অনুসারী কেনো ব্যক্তি ততক্ষণ পর্যন্ত কোনো গুনাহের কারণে কাফির বলে গণ্য হবে না, যতক্ষণ না সে এমন কোনো অপরাধের সাথে জড়িত হবে, যা ঈমানকে বিনষ্ট করে দেয়ে।
আর কবীরা গনাহ’র সাথে জড়িত ব্যক্তিগণ (কিয়ামতের দিন) ‘শাফা‘আত’ লাভ করবে, আর তারা (আল্লাহর) ইচ্ছার অধীনে থাকবে, আর কখনও কখনও তাদের একত্ববাদের প্রতি বিশ্বাসের কারণে অথবা পাপ মোচনকারী সৎকাজের কারণে অথবা গুনাহ মাফকারী বিপদ-মুসীবতের কারণে আল্লাহ তাদেরকে ক্ষমা করে দিবেন, আর এ সবকিছুই শুধুমাত্র আল্লাহ তা‘আলার অনুগ্রহ ও দয়া।
আর কবীরা গুনাহের অপরাধে অপরাধীগণের মধ্য থেকে যাকে তার গুনাহ’র কারণে শাস্তি দেওয়া হবে, তা তো হবে একটা নির্দিষ্ট মেয়াদ পর্যন্ত; সে জাহান্নামে চিরস্থায়ীভাবে অবস্থান করবে না।