১
ঈমানের মৌলিক নীতিমালা সংক্রান্ত মণিমুক্তা
লেখকঃ ড. মুহাম্মাদ ইয়োসরী • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ২৫
অষ্টাদশ পরিচ্ছেদ: আল্লাহ তা‘আলা কর্তৃক নাযিলকৃত কিতাবসমূহের ওপর ঈমান
আর ঈমানের রুকনসমূহের অন্তর্ভুক্ত একটি রুকন হলো: আল্লাহ তা‘আলা তাঁর নবীগণের ওপর যা নাযিল করেছেন, তার প্রতি ঈমান স্থাপন করা- চাই তা ফলকের মধ্যে লিখিত হউক অথবা কোনো ফিরিশতার পক্ষ থেকে শ্রুত হউক অথবা পর্দার আড়াল থেকে অবতীর্ণ হউক; চাই তা ‘সহীফা’ বা ‘কিতাব’ নামের কোনো কিছুতে সংকলিত হউক, আর সবগুলোই আল্লাহর বাণী, তাতে কোনো সন্দেহ নেই।
আল্লাহ তা‘আলা তা নাযিল করেছেন জগৎবাসীর জন্য দলীল-প্রমাণ হিসেবে এবং দীনের পথের অনুসারীদের জন্য পথ চলার নিয়মনীতি হিসেবে।
আর আল্লাহর কিতাবে আলোচিত প্রথম সহীফা হলো ইবরাহীম আলাইহিস সালাম-এর সহীফা, তারপর ‘তাওরাত’ এবং তা হলো মূসা আলাইহিস সালাম-এর সহীফা অথবা তা ভিন্ন অন্য সহীফা, আর আল্লাহ তা‘আলা দাঊদ আলাইহিস সালামকে ‘যাবূর’ দান করেছেন, অতঃপর তাঁর বান্দা ও রাসূল ‘ঈসা আলাইহিস সালাম-এর ওপর নাযিলকৃত কিতাব ‘ইঞ্জিল’। আর নাযিলের দিক থেকে সর্বশেষ সহীফা বা কিতাব হলো ‘আদনান’ বংশের নবী মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লামের ওপর নাযিলকৃত ‘আল-কুরআন’, যাতে তা হতে পারে জগৎবাসীর জন্য আলো, পাপীদের জন্য ভয় প্রদর্শনকারী এবং মুসলিমগণের জন্য হিদায়াত ও রহমত।
আর এসব সহীফা ও কিতাবের মধ্য থেকে কোনো একটিকে অস্বীকার করা মানে সবগুলোকেই অস্বীকার করা।
আর ঈমানের মৌলিক বিষয়, নৈতিক চরিত্র, দীনের সকল বিষয় এবং পূর্ববর্তী ও পরবর্তীদের সংবাদ পরিবেশন করার ক্ষেত্রে সকল সহীফা ও কিতাবের বক্তব্য এক ও অভিন্ন, যদিও শরী‘আত পালনকারী ব্যক্তিগণের কর্মকাণ্ডের বিধিবিধান ও নিয়ম-কানূনগুলোর ক্ষেত্রে সেগুলোর বক্তব্যের মধ্যে কিছু ভিন্নতা রয়েছে।
পরবর্তী কিতাবটি তার পূর্বের কিতাবটিকে সম্পূর্ণরূপে বা আংশিকভাবে মানসূখ বা রহিত করে দেয়।
আর আল্লাহ তা‘আলার কিতাবসমূহ -হয় কালের গর্ভে হারিয়ে গেছে, কোনো অস্তিত্ব নেই অথবা অরক্ষিত অবস্থায় বিকৃত ও পরবর্তন করা হয়েছে, তবে আল্লাহর হেফাযতে থাকা সংরক্ষিত কিতাবটি ব্যতীত, আর তা সর্বশেষ ‘নাসিখ’ বা রহিতকারী কিতাব, বিজ্ঞ তত্ত্বাবধায়ক, সুস্পষ্ট আলো এবং প্রজ্ঞাপূর্ণ উপদেশ, আর তা হলো মহাগ্রন্থ আল-কুরআন।
আর সামগ্রিকভাবে সেগুলোর মূলনীতিকে সম্মান করা এবং তা নাযিলকরণ ও শরী‘আত হিসেবে নির্ধারণের ক্ষেত্রে আল্লাহর হিকমত সম্পর্কে অবহিত হওয়ার মাধ্যমে সবগুলোর প্রতি সম্মান প্রদর্শন করা বাধ্যতামূলক, তবে সাথে সাথে সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে তা পাঠ করা থেকে। কেননা, পূর্বে ইঙ্গিত করা হয়েছে তার বিকৃতি ও মানসূখ বা রহিত হয়ে যাওয়ার ব্যাপারে।
আর আল-কুরআনের শব্দ ও অর্থসহ সবকিছু মিলেই আল্লাহর বাণী, তাঁর কাছ থেকেই কুরআনের সূচনা এবং তাঁর কাছেই তা ফিরে যাবে। তা নাযিলকৃত, ‘মাখলুক’ বা সৃষ্ট নয়, আর আমরা মুসলিম জামা‘আতের বিরোধিতা করি না।
আর আল-কুরআনুল ‘আযীমের ‘হক’ বা অধিকার হলো: তাঁর প্রতি বিশ্বাস স্থাপন করা এবং তাঁর ফয়সালা মেনে নেওয়া, আর তাঁর দ্বারা রাত্রিকালে ‘ইবাদত করা এবং তাঁকে ধীরস্থিরভাবে পাঠ করা, আর তাঁকে মুখস্থ করা এবং তাঁর গবেষণা করা, আর তাঁর শিক্ষা লাভ করা, আমল করা ও তাঁর শিক্ষা দান করা।
আর ঐ ব্যক্তি আল-কুরআনের প্রতি বিশ্বাস স্থাপন করেনি, যে তাঁর দেওয়া সংবাদসমূহের কোনো কিছুকে মিথ্যা প্রতিপন্ন করেছে অথবা তাঁর ঘোষিত হারামসমূহের কোনো কিছুকে হালাল মনে করেছে অথবা তাঁর পরিবর্তন, বিকৃতি বা কাটছাট হয়েছে বলে বিশ্বাস করেছে।
আল্লাহ তা‘আলা তা নাযিল করেছেন জগৎবাসীর জন্য দলীল-প্রমাণ হিসেবে এবং দীনের পথের অনুসারীদের জন্য পথ চলার নিয়মনীতি হিসেবে।
আর আল্লাহর কিতাবে আলোচিত প্রথম সহীফা হলো ইবরাহীম আলাইহিস সালাম-এর সহীফা, তারপর ‘তাওরাত’ এবং তা হলো মূসা আলাইহিস সালাম-এর সহীফা অথবা তা ভিন্ন অন্য সহীফা, আর আল্লাহ তা‘আলা দাঊদ আলাইহিস সালামকে ‘যাবূর’ দান করেছেন, অতঃপর তাঁর বান্দা ও রাসূল ‘ঈসা আলাইহিস সালাম-এর ওপর নাযিলকৃত কিতাব ‘ইঞ্জিল’। আর নাযিলের দিক থেকে সর্বশেষ সহীফা বা কিতাব হলো ‘আদনান’ বংশের নবী মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লামের ওপর নাযিলকৃত ‘আল-কুরআন’, যাতে তা হতে পারে জগৎবাসীর জন্য আলো, পাপীদের জন্য ভয় প্রদর্শনকারী এবং মুসলিমগণের জন্য হিদায়াত ও রহমত।
আর এসব সহীফা ও কিতাবের মধ্য থেকে কোনো একটিকে অস্বীকার করা মানে সবগুলোকেই অস্বীকার করা।
আর ঈমানের মৌলিক বিষয়, নৈতিক চরিত্র, দীনের সকল বিষয় এবং পূর্ববর্তী ও পরবর্তীদের সংবাদ পরিবেশন করার ক্ষেত্রে সকল সহীফা ও কিতাবের বক্তব্য এক ও অভিন্ন, যদিও শরী‘আত পালনকারী ব্যক্তিগণের কর্মকাণ্ডের বিধিবিধান ও নিয়ম-কানূনগুলোর ক্ষেত্রে সেগুলোর বক্তব্যের মধ্যে কিছু ভিন্নতা রয়েছে।
পরবর্তী কিতাবটি তার পূর্বের কিতাবটিকে সম্পূর্ণরূপে বা আংশিকভাবে মানসূখ বা রহিত করে দেয়।
আর আল্লাহ তা‘আলার কিতাবসমূহ -হয় কালের গর্ভে হারিয়ে গেছে, কোনো অস্তিত্ব নেই অথবা অরক্ষিত অবস্থায় বিকৃত ও পরবর্তন করা হয়েছে, তবে আল্লাহর হেফাযতে থাকা সংরক্ষিত কিতাবটি ব্যতীত, আর তা সর্বশেষ ‘নাসিখ’ বা রহিতকারী কিতাব, বিজ্ঞ তত্ত্বাবধায়ক, সুস্পষ্ট আলো এবং প্রজ্ঞাপূর্ণ উপদেশ, আর তা হলো মহাগ্রন্থ আল-কুরআন।
আর সামগ্রিকভাবে সেগুলোর মূলনীতিকে সম্মান করা এবং তা নাযিলকরণ ও শরী‘আত হিসেবে নির্ধারণের ক্ষেত্রে আল্লাহর হিকমত সম্পর্কে অবহিত হওয়ার মাধ্যমে সবগুলোর প্রতি সম্মান প্রদর্শন করা বাধ্যতামূলক, তবে সাথে সাথে সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে তা পাঠ করা থেকে। কেননা, পূর্বে ইঙ্গিত করা হয়েছে তার বিকৃতি ও মানসূখ বা রহিত হয়ে যাওয়ার ব্যাপারে।
আর আল-কুরআনের শব্দ ও অর্থসহ সবকিছু মিলেই আল্লাহর বাণী, তাঁর কাছ থেকেই কুরআনের সূচনা এবং তাঁর কাছেই তা ফিরে যাবে। তা নাযিলকৃত, ‘মাখলুক’ বা সৃষ্ট নয়, আর আমরা মুসলিম জামা‘আতের বিরোধিতা করি না।
আর আল-কুরআনুল ‘আযীমের ‘হক’ বা অধিকার হলো: তাঁর প্রতি বিশ্বাস স্থাপন করা এবং তাঁর ফয়সালা মেনে নেওয়া, আর তাঁর দ্বারা রাত্রিকালে ‘ইবাদত করা এবং তাঁকে ধীরস্থিরভাবে পাঠ করা, আর তাঁকে মুখস্থ করা এবং তাঁর গবেষণা করা, আর তাঁর শিক্ষা লাভ করা, আমল করা ও তাঁর শিক্ষা দান করা।
আর ঐ ব্যক্তি আল-কুরআনের প্রতি বিশ্বাস স্থাপন করেনি, যে তাঁর দেওয়া সংবাদসমূহের কোনো কিছুকে মিথ্যা প্রতিপন্ন করেছে অথবা তাঁর ঘোষিত হারামসমূহের কোনো কিছুকে হালাল মনে করেছে অথবা তাঁর পরিবর্তন, বিকৃতি বা কাটছাট হয়েছে বলে বিশ্বাস করেছে।