১
ঈমানের মৌলিক নীতিমালা সংক্রান্ত মণিমুক্তা
লেখকঃ ড. মুহাম্মাদ ইয়োসরী • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৩১
তৃতীয় অধ্যায়: ঈমান বিনষ্টকারী ও হ্রাসকারী বিষয়সমূহ প্রথম পরিচ্ছেদ: কুফরের অর্থ ও প্রকারভেদ
কুফর সাব্যস্ত হবে ঈমান বিনষ্টকারী কোনো কর্মকাণ্ডে জড়িত হওয়ার কারণে এবং এমন সব কর্মকাণ্ড জড়িত হওয়ার কারণে, যার ওপর সাধারণত কুফুরীর গুনাহ প্রযোজ্য হয়, আর সেগুলো হলো: কথামালা বা কার্যাবলী বা বিশ্বাসসমূহ, শরী‘আত প্রবর্তক সিদ্ধান্ত দিয়েছেন যে, এগুলো ঈমানকে নষ্ট করে দেয় এবং জাহান্নামে স্থায়ীভাবে অবস্থান করার বিষয়টিকে অপরিহার্য করে দেয়।
আর যাবতীয় গুনাহ ও পাপরাশি ঈমানকে কমিয়ে দেয়, কিন্তু তাকে নষ্ট করে দেয় না।
আর ‘কুফর’ মানে ঈমান না থাকা, আর তা যেমনিভাবে বিশ্বাস ও কথার দ্বারা হয়ে থাকে, ঠিক তেমনিভাবে কাজের দ্বারাও হয়ে থাকে, চাই সে কাজটি আন্তরিকভাবে হউক অথবা শারীরিকভাবে হউক।
আর যেমনিভাবে কাজের মাধ্যমে কুফুরী হয়, ঠিক তেমনিভাবে কাজ বর্জন করা ও কাজ থেকে বিরত থাকার দ্বারা এবং সন্দেহ ও সংশয় দ্বারাও কুফুরী হতে পারে।
আর ‘কুফর’, ‘শির্ক’, ‘ফিসক’ ও ‘যুলুম’ -এ শব্দগুলো শরী‘আতের পারিভাষিক অর্থে ব্যবহার করা হবে এবং এগুলোর দ্বারা উদ্দেশ্য হবে বড় ( الأكبر ) অথবা ছোট ( الأصغر )।
সুতরাং বড়টি ( الأكبر ): তার সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে মুসলিম মিল্লাত থেকে বের করে দেয় এবং তার জীবন ও সম্পদের নিরাপত্তার গ্যারান্টি প্রত্যাহার করে নেয়, আর দলীল-প্রমাণ প্রতিষ্ঠা করার পর দুনিয়াতে তার ওপর কাফিরদের বিধিবিধানগুলো জারি হবে এবং আখেরাতে সে জাহান্নামে চিরস্থায়ীভাবে অবস্থান করবে, আর সুপারিশকারীগণের কোনো সুপারিশ তার উপকারে আসবে না।
আর ছোটটি ( الأصغر ): তার সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি দুনিয়া ও আখিরাতে মুসলিম সম্প্রদায়ের অন্তর্ভুক্ত বলে গণ্য হবে এবং আখেরাতে তার বিষয়টি আল্লাহর তা‘আলার বিবেচনায় থাকবে, তিনি যদি চান তাকে শাস্তি দিবেন এবং যদি চান তাকে ক্ষমা করে দিবেন, আর কিয়ামতের দিনে যারা শাফা‘আত লাভের উপযুক্ত হবে, সে তাদের একজন বলে গণ্য হবে।
আর ছোট কুফুরী ( الكفر الأصغر ) কখনও কখনও নি‘য়ামতের অকৃতজ্ঞতার অর্থে অথবা সর্বনিম্নমানের কুফুরীর অর্থে ব্যবহৃত হয়। আল্লাহ তা‘আলা বলেন,
﴿هَٰذَا مِن فَضۡلِ رَبِّي لِيَبۡلُوَنِيٓ ءَأَشۡكُرُ أَمۡ أَكۡفُرُ﴾ [ النمل : ٤٠ ]
“এ আমার রব-এর অনুগ্রহ, যাতে তিনি আমাকে পরীক্ষা করেন যে, আমি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করি, না অকৃতজ্ঞতা প্রকাশ করি।” [সূরা আন-নামল, আয়াত: ৪০]
আর তার ওপর ভিত্তি করে মুসলিম মিল্লাতে বিদ্যমান থাকাবস্থায় একই ব্যক্তির মধ্যে ঈমান ও কুফরের সমাবেশ ঘটা নিষেধ নয়, আর কুফরের শাখাসমুহের কোনো একটি শাখা বান্দার মাঝে বিদ্যমান থাকাটা সাধারণভাবে তার কাফির হয়ে যাওয়াকে অপরিহার্য করে না, যতক্ষণ না সে প্রকৃত কুফুরীকে সমর্থন ও গ্রহণ করবে।
আর যেমনিভাবে ‘আসল ঈমানের’ উপস্থিতি ব্যতীত বান্দাকে উপকৃত করার মতো ‘প্রকৃত ঈমানের’ অস্তিত্ব পাওয়া যাবে না, ঠিক তেমনিভাবে বান্দা ইসলাম থেকে খারিজ হয়ে যাবে না, যতক্ষণ না তার মধ্যে প্রকৃত ‘বড় কুফর’ ( الكفر الأكبر )-এর উপস্থিতি বিদ্যমান থাকবে।
আর যাবতীয় গুনাহ ও পাপরাশি ঈমানকে কমিয়ে দেয়, কিন্তু তাকে নষ্ট করে দেয় না।
আর ‘কুফর’ মানে ঈমান না থাকা, আর তা যেমনিভাবে বিশ্বাস ও কথার দ্বারা হয়ে থাকে, ঠিক তেমনিভাবে কাজের দ্বারাও হয়ে থাকে, চাই সে কাজটি আন্তরিকভাবে হউক অথবা শারীরিকভাবে হউক।
আর যেমনিভাবে কাজের মাধ্যমে কুফুরী হয়, ঠিক তেমনিভাবে কাজ বর্জন করা ও কাজ থেকে বিরত থাকার দ্বারা এবং সন্দেহ ও সংশয় দ্বারাও কুফুরী হতে পারে।
আর ‘কুফর’, ‘শির্ক’, ‘ফিসক’ ও ‘যুলুম’ -এ শব্দগুলো শরী‘আতের পারিভাষিক অর্থে ব্যবহার করা হবে এবং এগুলোর দ্বারা উদ্দেশ্য হবে বড় ( الأكبر ) অথবা ছোট ( الأصغر )।
সুতরাং বড়টি ( الأكبر ): তার সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে মুসলিম মিল্লাত থেকে বের করে দেয় এবং তার জীবন ও সম্পদের নিরাপত্তার গ্যারান্টি প্রত্যাহার করে নেয়, আর দলীল-প্রমাণ প্রতিষ্ঠা করার পর দুনিয়াতে তার ওপর কাফিরদের বিধিবিধানগুলো জারি হবে এবং আখেরাতে সে জাহান্নামে চিরস্থায়ীভাবে অবস্থান করবে, আর সুপারিশকারীগণের কোনো সুপারিশ তার উপকারে আসবে না।
আর ছোটটি ( الأصغر ): তার সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি দুনিয়া ও আখিরাতে মুসলিম সম্প্রদায়ের অন্তর্ভুক্ত বলে গণ্য হবে এবং আখেরাতে তার বিষয়টি আল্লাহর তা‘আলার বিবেচনায় থাকবে, তিনি যদি চান তাকে শাস্তি দিবেন এবং যদি চান তাকে ক্ষমা করে দিবেন, আর কিয়ামতের দিনে যারা শাফা‘আত লাভের উপযুক্ত হবে, সে তাদের একজন বলে গণ্য হবে।
আর ছোট কুফুরী ( الكفر الأصغر ) কখনও কখনও নি‘য়ামতের অকৃতজ্ঞতার অর্থে অথবা সর্বনিম্নমানের কুফুরীর অর্থে ব্যবহৃত হয়। আল্লাহ তা‘আলা বলেন,
﴿هَٰذَا مِن فَضۡلِ رَبِّي لِيَبۡلُوَنِيٓ ءَأَشۡكُرُ أَمۡ أَكۡفُرُ﴾ [ النمل : ٤٠ ]
“এ আমার রব-এর অনুগ্রহ, যাতে তিনি আমাকে পরীক্ষা করেন যে, আমি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করি, না অকৃতজ্ঞতা প্রকাশ করি।” [সূরা আন-নামল, আয়াত: ৪০]
আর তার ওপর ভিত্তি করে মুসলিম মিল্লাতে বিদ্যমান থাকাবস্থায় একই ব্যক্তির মধ্যে ঈমান ও কুফরের সমাবেশ ঘটা নিষেধ নয়, আর কুফরের শাখাসমুহের কোনো একটি শাখা বান্দার মাঝে বিদ্যমান থাকাটা সাধারণভাবে তার কাফির হয়ে যাওয়াকে অপরিহার্য করে না, যতক্ষণ না সে প্রকৃত কুফুরীকে সমর্থন ও গ্রহণ করবে।
আর যেমনিভাবে ‘আসল ঈমানের’ উপস্থিতি ব্যতীত বান্দাকে উপকৃত করার মতো ‘প্রকৃত ঈমানের’ অস্তিত্ব পাওয়া যাবে না, ঠিক তেমনিভাবে বান্দা ইসলাম থেকে খারিজ হয়ে যাবে না, যতক্ষণ না তার মধ্যে প্রকৃত ‘বড় কুফর’ ( الكفر الأكبر )-এর উপস্থিতি বিদ্যমান থাকবে।