১
ঈমানের মৌলিক নীতিমালা সংক্রান্ত মণিমুক্তা
লেখকঃ ড. মুহাম্মাদ ইয়োসরী • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ২৩
ষোড়শ পরিচ্ছেদ: ফিরিশতাগণের প্রতি ঈমান
ঈমান বিল-গাইব ( الإيمان بالغيب ) তথা না দেখা বিষয়সমূহের ওপর ঈমানের বিষয়টি হলো একত্ববাদীগণের আকিদা-বিশ্বাস এবং মুমিনগণের মহামূল্যবান মর্যাদাপূর্ণ স্থান।
আর এটা হলো স্বভাবজাত জরুরি বিষয় এবং শরী‘আতী ‘আকিদা-বিশ্বাস।
আর রাহমান যা নাযিল করেছেন, তার সবকিছুর ওপর ঈমান স্থাপন করা ব্যতীত মুমিন জীবনের পূর্ণতা হবে না।
আর ঈমান বিল-গাইব ( الإيمان بالغيب ) এর অন্তর্ভুক্ত হলো: ফিরিশতাগণের প্রতি ঈমান স্থাপন করা এবং এ বিশ্বাস করা যে, তারা হলেন আল্লাহর জ্যোতির্ময় সম্মানিত বান্দা।
তারা খাবার ও পানীয় গ্রহণ করেন না এবং বিয়ে-শাদী ও বংশ বিস্তার করেন না।
আনুগত্য করার জন্যই তাদেরকে সৃষ্টি করা হয়েছে এবং তারা আল্লাহ ইবাদতের ব্যাপারে ক্লান্তিবোধ করেন না।
আর তাদের প্রতি সাধরাণভাবে বিশ্বাস স্থাপন করাটা ঈমানের রুকন (মৌলিক বিষয়) এবং কুরআন ও সুন্নাহ’র মধ্যে যাদের আলোচনা এসেছে, তাদের ব্যাপারে সবিস্তারে ঈমান আনয়ন করাটা ওয়াজিব।
তাদের মধ্যে অন্যতম একজন হলেন জিবরীল আলাইহিস সালাম, যিনি ওহীর দায়িত্বপ্রাপ্ত ফিরিশতা, যার (ওহীর) দ্বারা মানুষের অন্তরসমূহ জীবন পেয়ে থাকে, আর তাদের মধ্য থেকে আরেকজন হলেন মিকাঈল আলাইহিস সালাম, যিনি বৃষ্টি বর্ষণের দায়িত্বে নিয়োজিত আছেন, আর তাদের আরেকজন হলেন ইসরাফীল আলাইহিস সালাম, যিনি সিঙার দায়িত্বে নিয়োজিত আছেন, আর তাদের অপর আরেকজন হলেন ‘মালাকুল মাউত’, যিনি মানুষের প্রাণ সংহারের দায়িত্বে নিয়োজিত আছেন, আর তাদের আরও একজন হলেন ‘মালিক’ ফিরিশতা, যিনি জাহান্নামের দায়িত্বে নিয়োজিত, আর তাদের মধ্যে আরও আছেন ধ্বংসের ঘর জাহান্নামের প্রহরী কঠোর ফিরেশতাগণ, আর তাদের মধ্যে আছেন উত্তম ঘর জান্নাতের রক্ষীদের তত্ত্বাবধায়ক, আর তাদের মধ্যে একদল ‘বাইতুল মা‘মুর’ যিয়ারতের দায়িত্বে নিয়োজিত, আর তাদের মধ্য থেকে আরেক দল হলেন দেশে দেশে ভ্রমণকারী ফিরিশতা, যারা যিকিরের মাজলিসগুলো পর্যবেক্ষণ করেন, আর তাদের মধ্যে আরও আছেন বান্দাদের অন্তরে ভালো ভালো কর্মের জাগরণ সৃষ্টিকারী ফিরিশতাগণ, আর তাদের মধ্যে আরও আছেন আল্লাহর আরশ বহনকারী ফিরিশতাগণ, আরও আছেন হিফাযতকারী ফিরিশতাগণ, আর তাদের মধ্যে রয়েছেন সম্মানিত লেখকবৃন্দ।
তাদের সংখ্যা হলো অনেক বড় অংকের, যা হিসাব করা যায় না, আর তাদের মহৎ কর্মকাণ্ডগুলোর গভীরতায় প্রবেশ করা যায় না, তারা দুনিয়া ও আখিরাতে মুমিনগণের বন্ধু; তারা ভালো কাজের নির্দেশনা প্রদান করেন, প্রতিশ্রুতি দেন এবং আহ্বান করেন, আর মন্দ কাজে নিষেধ করেন এবং সতর্ক করেন, আর মুমিনগণের জন্য ক্ষমাপ্রার্থনা করেন এবং তাদের জন্য রহমত কামনা করেন, আর মুমিনগণ কর্তৃক দো‘আ করার সময় তারা আমীন আমীন বলেন, আর তারা জান্নাতের সুসংবাদ দেন।
আর মুমিনগণের দায়িত্ব হলো, ফিরিশতাগণের নজর থেকে লজ্জা পাবে, তাদেরকে মহব্বত করার নির্দেশ দিবে এবং তাদেরকে কষ্ট দেওয়া থেকে তারা পরস্পরকে নিষেধ করার উপদেশ দিবে।
আর ফিরিশতাগণের প্রতি ঈমান আনয়নের বিষয়টি আল্লাহর ইচ্ছায় সংশয় ও কুসংস্কার থেকে পবিত্রতা লাভের কারণ হবে এবং আল্লাহর মহত্ব ও ক্ষমতা সম্পর্কিত জ্ঞানকে বৃদ্ধি করবে, আর তা দৃঢ়তা ও বলিষ্ঠতার জন্ম দেবে, ধৈর্যকে শক্তিশালী করবে, আল্লাহর যিকিরকে (স্মরণকে) বাধ্যতামূলক করে দেবে, চিন্তা-গবেষণার দিকে আহ্বান করবে এবং কৃতজ্ঞতা প্রকাশে সাহায্য করবে।
আর এটা হলো স্বভাবজাত জরুরি বিষয় এবং শরী‘আতী ‘আকিদা-বিশ্বাস।
আর রাহমান যা নাযিল করেছেন, তার সবকিছুর ওপর ঈমান স্থাপন করা ব্যতীত মুমিন জীবনের পূর্ণতা হবে না।
আর ঈমান বিল-গাইব ( الإيمان بالغيب ) এর অন্তর্ভুক্ত হলো: ফিরিশতাগণের প্রতি ঈমান স্থাপন করা এবং এ বিশ্বাস করা যে, তারা হলেন আল্লাহর জ্যোতির্ময় সম্মানিত বান্দা।
তারা খাবার ও পানীয় গ্রহণ করেন না এবং বিয়ে-শাদী ও বংশ বিস্তার করেন না।
আনুগত্য করার জন্যই তাদেরকে সৃষ্টি করা হয়েছে এবং তারা আল্লাহ ইবাদতের ব্যাপারে ক্লান্তিবোধ করেন না।
আর তাদের প্রতি সাধরাণভাবে বিশ্বাস স্থাপন করাটা ঈমানের রুকন (মৌলিক বিষয়) এবং কুরআন ও সুন্নাহ’র মধ্যে যাদের আলোচনা এসেছে, তাদের ব্যাপারে সবিস্তারে ঈমান আনয়ন করাটা ওয়াজিব।
তাদের মধ্যে অন্যতম একজন হলেন জিবরীল আলাইহিস সালাম, যিনি ওহীর দায়িত্বপ্রাপ্ত ফিরিশতা, যার (ওহীর) দ্বারা মানুষের অন্তরসমূহ জীবন পেয়ে থাকে, আর তাদের মধ্য থেকে আরেকজন হলেন মিকাঈল আলাইহিস সালাম, যিনি বৃষ্টি বর্ষণের দায়িত্বে নিয়োজিত আছেন, আর তাদের আরেকজন হলেন ইসরাফীল আলাইহিস সালাম, যিনি সিঙার দায়িত্বে নিয়োজিত আছেন, আর তাদের অপর আরেকজন হলেন ‘মালাকুল মাউত’, যিনি মানুষের প্রাণ সংহারের দায়িত্বে নিয়োজিত আছেন, আর তাদের আরও একজন হলেন ‘মালিক’ ফিরিশতা, যিনি জাহান্নামের দায়িত্বে নিয়োজিত, আর তাদের মধ্যে আরও আছেন ধ্বংসের ঘর জাহান্নামের প্রহরী কঠোর ফিরেশতাগণ, আর তাদের মধ্যে আছেন উত্তম ঘর জান্নাতের রক্ষীদের তত্ত্বাবধায়ক, আর তাদের মধ্যে একদল ‘বাইতুল মা‘মুর’ যিয়ারতের দায়িত্বে নিয়োজিত, আর তাদের মধ্য থেকে আরেক দল হলেন দেশে দেশে ভ্রমণকারী ফিরিশতা, যারা যিকিরের মাজলিসগুলো পর্যবেক্ষণ করেন, আর তাদের মধ্যে আরও আছেন বান্দাদের অন্তরে ভালো ভালো কর্মের জাগরণ সৃষ্টিকারী ফিরিশতাগণ, আর তাদের মধ্যে আরও আছেন আল্লাহর আরশ বহনকারী ফিরিশতাগণ, আরও আছেন হিফাযতকারী ফিরিশতাগণ, আর তাদের মধ্যে রয়েছেন সম্মানিত লেখকবৃন্দ।
তাদের সংখ্যা হলো অনেক বড় অংকের, যা হিসাব করা যায় না, আর তাদের মহৎ কর্মকাণ্ডগুলোর গভীরতায় প্রবেশ করা যায় না, তারা দুনিয়া ও আখিরাতে মুমিনগণের বন্ধু; তারা ভালো কাজের নির্দেশনা প্রদান করেন, প্রতিশ্রুতি দেন এবং আহ্বান করেন, আর মন্দ কাজে নিষেধ করেন এবং সতর্ক করেন, আর মুমিনগণের জন্য ক্ষমাপ্রার্থনা করেন এবং তাদের জন্য রহমত কামনা করেন, আর মুমিনগণ কর্তৃক দো‘আ করার সময় তারা আমীন আমীন বলেন, আর তারা জান্নাতের সুসংবাদ দেন।
আর মুমিনগণের দায়িত্ব হলো, ফিরিশতাগণের নজর থেকে লজ্জা পাবে, তাদেরকে মহব্বত করার নির্দেশ দিবে এবং তাদেরকে কষ্ট দেওয়া থেকে তারা পরস্পরকে নিষেধ করার উপদেশ দিবে।
আর ফিরিশতাগণের প্রতি ঈমান আনয়নের বিষয়টি আল্লাহর ইচ্ছায় সংশয় ও কুসংস্কার থেকে পবিত্রতা লাভের কারণ হবে এবং আল্লাহর মহত্ব ও ক্ষমতা সম্পর্কিত জ্ঞানকে বৃদ্ধি করবে, আর তা দৃঢ়তা ও বলিষ্ঠতার জন্ম দেবে, ধৈর্যকে শক্তিশালী করবে, আল্লাহর যিকিরকে (স্মরণকে) বাধ্যতামূলক করে দেবে, চিন্তা-গবেষণার দিকে আহ্বান করবে এবং কৃতজ্ঞতা প্রকাশে সাহায্য করবে।