১
ঈমানের মৌলিক নীতিমালা সংক্রান্ত মণিমুক্তা
লেখকঃ ড. মুহাম্মাদ ইয়োসরী • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ১৩
ষষ্ঠ পরিচ্ছেদ: কিবলার অনুসারীর ব্যাপারে বিধান
আর যে ব্যক্তি কিবলামুখী হয়ে সালাত আদায় করে, সে মুসলিম মিল্লাতের অন্তর্ভুক্ত, তার পেছনে সালাত আদায় করা যাবে এবং (মারা গেলে) তার জন্য জানাযা’র সালাত আদায় করা হবে, আর বাহ্যিকভাবে তার জন্য ইসলামের সকল প্রশাসানিক ব্যবস্থা প্রযোজ্য হবে এবং তার অভ্যন্তরীণ অবস্থার দায়-দায়িত্ব একান্তভাবে আল্লাহ তা‘আলা সংরক্ষণ করবেন।
আর যে ব্যক্তি বাহ্যিকভাবে ইসলাম পালন করে, তার অবস্থা পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা অথবা তার ইসলামের ব্যাপারে সিদ্ধান্ত স্থগিত রাখা বিদ‘আত।
আর শরী‘আতের নির্ভরযোগ্য কোনো দলীল ছাড়া আমরা কিবলার অনুসারীগণের কাউকে জান্নাতে বা জাহান্নামে ফেলে দেই না, আর আমরা সৎকর্মশীল ব্যক্তির জন্য আশাবাদী, তাকে আমরা সুসংবাদ শুনাই কিন্তু তাকে নিশ্চয়তা দেই না, আর পাপী ও অপরাধীর ব্যাপারে আমরা অশঙ্কা করি; কিন্তু আমরা তাকে নিরাশ করি না।
আর আমলের ভালো-মন্দ নির্ভর করে তার শেষ অবস্থার ওপর।
এমন প্রত্যেক ব্যক্তি, যার নিকট দা‘ওয়াত পৌঁছেনি, তার ওপর (শরী‘আতের) দলীল-প্রমাণ প্রযোজ্য হয় নি, আর সে হবে ‘আহলে ফাতরাত’ তথা ওহীর শিক্ষাবঞ্চিত লোকদের অন্তর্ভুক্ত, তাদেরকে আখেরাতে পরীক্ষা করা হবে; যার মাধ্যমে আল্লাহর পুর্ব নির্ধারিত সৌভাগ্যবান বা হতভাগ্য হওয়া প্রকাশ পাবে।
মুমিনগণের শিশুদের মধ্যে যে মারা যাবে, সর্বসম্মতিক্রমে সে জান্নাতে যাবে, আর মুশরিকগণের শিশুদের মধ্য থেকে যে মারা যাবে, তার ব্যাপারে আলেমগণের মাঝে মতবিরোধ রয়েছে।
আর যে ব্যক্তি বাহ্যিকভাবে ইসলাম পালন করে, তার অবস্থা পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা অথবা তার ইসলামের ব্যাপারে সিদ্ধান্ত স্থগিত রাখা বিদ‘আত।
আর শরী‘আতের নির্ভরযোগ্য কোনো দলীল ছাড়া আমরা কিবলার অনুসারীগণের কাউকে জান্নাতে বা জাহান্নামে ফেলে দেই না, আর আমরা সৎকর্মশীল ব্যক্তির জন্য আশাবাদী, তাকে আমরা সুসংবাদ শুনাই কিন্তু তাকে নিশ্চয়তা দেই না, আর পাপী ও অপরাধীর ব্যাপারে আমরা অশঙ্কা করি; কিন্তু আমরা তাকে নিরাশ করি না।
আর আমলের ভালো-মন্দ নির্ভর করে তার শেষ অবস্থার ওপর।
এমন প্রত্যেক ব্যক্তি, যার নিকট দা‘ওয়াত পৌঁছেনি, তার ওপর (শরী‘আতের) দলীল-প্রমাণ প্রযোজ্য হয় নি, আর সে হবে ‘আহলে ফাতরাত’ তথা ওহীর শিক্ষাবঞ্চিত লোকদের অন্তর্ভুক্ত, তাদেরকে আখেরাতে পরীক্ষা করা হবে; যার মাধ্যমে আল্লাহর পুর্ব নির্ধারিত সৌভাগ্যবান বা হতভাগ্য হওয়া প্রকাশ পাবে।
মুমিনগণের শিশুদের মধ্যে যে মারা যাবে, সর্বসম্মতিক্রমে সে জান্নাতে যাবে, আর মুশরিকগণের শিশুদের মধ্য থেকে যে মারা যাবে, তার ব্যাপারে আলেমগণের মাঝে মতবিরোধ রয়েছে।