hadith book logo

ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য নির্বাচিত ফাতাওয়া

লেখকঃ মিরফাত বিনতে কামিল আবদিল্লাহ উসরা • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১

পরিচ্ছেদঃ ১৫

বিপজ্জনক শব্দের মাধ্যমে কৌতুক করা

প্রশ্ন: কোনো এক তরুণী আল-কুরআনের ‘আমপারা মুখস্থ করার কারণে পুরস্কার লাভ করল এবং তার এক দল বান্ধবীর নিকট গিয়ে হাযির হলো; অতঃপর তাদের একজন তাকে বলল: তুমি কি পুরস্কার লাভ করেছ? তখন সে বলল: দেখানোর জন্য ইসলাম গ্রহণ করেছি এবং অচিরেই তা ত্যাগ করব। অতএব, এই ধরনের কথার হুকুম (বিধান) কী হবে? আর তার ওপর কোনো বিধান প্রযোজ্য হবে, যে ব্যক্তি অনিচ্ছা সত্ত্বেও রসিকতা করে এই কথা বলেছে? জেনে রাখা প্রয়োজন, সে হলে উচ্চ মাধ্যমিক স্তরের একজন ছাত্রী ...?

উত্তর: এই কথা খুবই বিপজ্জনক, কোনো মানুষের জন্য কৌতুক করেও তা উচ্চারণ করা বৈধ নয়। কারণ, এমন কথার মাধ্যমে রসিকতা করা বৈধ নয়। আর যে এমন কথা বলেছে, তার ওপর আবশ্যক হলো, সে আল্লাহর নিকট তাওবা করবে, তাঁর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করবে এবং কখনও এই ধরনের নোংরা কথার পুনরাবৃত্তি করবে না। কারণ, হাদীসের মধ্যে এসেছে; নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন:

«إن الرجل ليتكلم بالكلمة من سخط الله لا يلقى لها بالا يهوي بها في النار أبعد مما بين المشرق والمغرب» .

“নিশ্চয় ব্যক্তি আল্লাহর অসন্তুষ্টির কোনো কথা বলে ফেলে যার পরিণতি সম্পর্কে সে সচেতন নয়, অথচ সেই কথার কারণে সে জাহান্নামে এত নীচে পতিত হবে যার দূরত্ব পূর্ব ও পশ্চিমের মধ্যকার দূরত্বের চেয়ে অনেক বেশি।”

আর আল্লাহ তা‘আলা মুনাফিকদের ওযর গ্রহণ করেন নি, যখন তারা অনর্থক কথাবার্তা উচ্চারণ করেছে এবং বলেছে,

﴿إِنَّمَا كُنَّا نَخُوضُ وَنَلۡعَبُۚ ﴾ [ التوبة : ٦٥ ]

“আমরা তো আলাপ-আলোচনা ও খেল-তামাশা করছিলাম।” [সূরা আত-তাওবাহ, আয়াত: ৬৫]

শাইখ আল-ফাওযান

ফাতওয়া ( فتاوى ): ১/৬৮