১
ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য নির্বাচিত ফাতাওয়া
লেখকঃ মিরফাত বিনতে কামিল আবদিল্লাহ উসরা • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ১৭
ঋতুবর্তী ছাত্রীদের কুরআন পাঠ
প্রশ্ন: আমরা মহিলা কলেজের ছাত্রী, আমাদের পাঠ্যসূচীতে আল-কুরআন থেকে অংশবিশেষ মুখস্থ করার বিষয় রয়েছে; কিন্তু কখনও কখনও আমাদের মাসিক অবস্থায় পরীক্ষার নির্দিষ্ট তারিখ হাযির হয়ে যায়, সুতরাং এমতাবস্থায় আমাদের জন্য খাতার মধ্যে কোনো সূরা লেখা এবং তা মুখস্থ করা শুদ্ধ (বৈধ) হবে কিনা?
উত্তর: আলেমদের দু’টি মতের মধ্যে সবচেয়ে বিশুদ্ধ মতে, হায়েয এবং নিফাসকালীন সময়ে নারীদের জন্য কুরআন পাঠ করা বৈধ। কারণ, এই ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞার ব্যাপারে কোনো দলীল সাব্যস্ত নেই; কিন্তু আল-কুরআনের মাসহাফ (গ্রন্থ) স্পর্শ করা ব্যতীত পাঠ করতে হবে, আর উভয় অবস্থায় নারী পবিত্র কাপড় ও অনুরূপ কিছুর সাহায্যে আড়াল করার মাধ্যমে তাকে ধরতে পারবে; অনুরূপভাবে ঐ খাতার ব্যাপারেও একই বিধান প্রযোজ্য হবে, প্রয়োজনের সময় যার মধ্যে আল-কুরআন লিপিবদ্ধ করা হয়।
তবে যার ওপর অপবিত্রতাজনিত কারণে গোসল ফরয হয়েছে, এমন অপবিত্র ব্যক্তি গোসল না করা পর্যন্ত কুরআন পাঠ করবে না। কারণ, এই ব্যাপারে বিশুদ্ধ হাদীস বর্ণিত হয়েছে, যা নিষেধাজ্ঞার ওপর প্রমাণবহ। এই ক্ষেত্রে হায়েয এবং নিফাসকালীন সময়ের নারীদের ওপর অনুমান (কিয়াস) করা বৈধ হবে না। কারণ, অপবিত্রতা জনিত কাজ থেকে অবসর হওয়ার পর থেকে যে কোনো সময়ে তার জন্য গোসল করে পবিত্র হওয়া সহজ। আর আল্লাহই তাওফীক দানের মালিক।
শাইখ ইবন বায। ফাতওয়া ( الفتاوى ): ১/৩৯
উত্তর: আলেমদের দু’টি মতের মধ্যে সবচেয়ে বিশুদ্ধ মতে, হায়েয এবং নিফাসকালীন সময়ে নারীদের জন্য কুরআন পাঠ করা বৈধ। কারণ, এই ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞার ব্যাপারে কোনো দলীল সাব্যস্ত নেই; কিন্তু আল-কুরআনের মাসহাফ (গ্রন্থ) স্পর্শ করা ব্যতীত পাঠ করতে হবে, আর উভয় অবস্থায় নারী পবিত্র কাপড় ও অনুরূপ কিছুর সাহায্যে আড়াল করার মাধ্যমে তাকে ধরতে পারবে; অনুরূপভাবে ঐ খাতার ব্যাপারেও একই বিধান প্রযোজ্য হবে, প্রয়োজনের সময় যার মধ্যে আল-কুরআন লিপিবদ্ধ করা হয়।
তবে যার ওপর অপবিত্রতাজনিত কারণে গোসল ফরয হয়েছে, এমন অপবিত্র ব্যক্তি গোসল না করা পর্যন্ত কুরআন পাঠ করবে না। কারণ, এই ব্যাপারে বিশুদ্ধ হাদীস বর্ণিত হয়েছে, যা নিষেধাজ্ঞার ওপর প্রমাণবহ। এই ক্ষেত্রে হায়েয এবং নিফাসকালীন সময়ের নারীদের ওপর অনুমান (কিয়াস) করা বৈধ হবে না। কারণ, অপবিত্রতা জনিত কাজ থেকে অবসর হওয়ার পর থেকে যে কোনো সময়ে তার জন্য গোসল করে পবিত্র হওয়া সহজ। আর আল্লাহই তাওফীক দানের মালিক।
শাইখ ইবন বায। ফাতওয়া ( الفتاوى ): ১/৩৯