১
ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য নির্বাচিত ফাতাওয়া
লেখকঃ মিরফাত বিনতে কামিল আবদিল্লাহ উসরা • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ২২
শিক্ষা বা অধ্যয়নের অজুহাতে সালাত ত্যাগ করা
প্রশ্ন: আমি কীভাবে কাযা (সময় থেকে বিলম্বিত) সালাত আদায় করব, যেহেতু আমি পড়ালেখার কারণে অনেক সময় সালাত আদায়ে বিলম্ব করি? যেমনটি আপনারা জানেন যে, অমুসলিম রাষ্ট্রে সালাতের সময় পাওয়া যায় না; আল্লাহ আপনাদেরকে উত্তম পুরস্কার দান করুন?
উত্তর: আল্লাহ তা‘আলা ও তাঁর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম প্রত্যেক জায়গার জন্য সালাতের সময়সমূহ সুস্পষ্ট করে ব্যাখ্যা করেছেন, আর ছাত্রদের জন্য আবশ্যক হলো, তারা অন্যান্য মুসলিমদের মত সালাতকে তার সময়মত আদায় করবে, আর পড়ালেখার অজুহাত দিয়ে সালাতকে তার নির্ধারিত সময় থেকে বিলম্বিত করা বৈধ নয়; বরং তা‘আলার বাণীর যথাযথ আমল করে সালাতকে যথাসময়ে আদায় করা ওয়াজিব (আবশ্যক)। তিনি বলেছেন:
﴿حَٰفِظُواْ عَلَى ٱلصَّلَوَٰتِ وَٱلصَّلَوٰةِ ٱلۡوُسۡطَىٰ وَقُومُواْ لِلَّهِ قَٰنِتِينَ٢٣٨﴾ [ البقرة : ٢٣٨ ]
“তোমরা সালাতের প্রতি যত্নবান হবে, বিশেষত মধ্যবর্তী সালাতের এবং আল্লাহ্র উদ্দেশ্যে তোমরা দাঁড়াবে বিনীতভাবে।” [সূরা আল-বাকারা, আয়াত: ২৩৮]
আল্লাহ তা‘আলা আরও বলেন,
﴿ إِنَّ ٱلصَّلَوٰةَ كَانَتۡ عَلَى ٱلۡمُؤۡمِنِينَ كِتَٰبٗا مَّوۡقُوتٗا ١٠٣ ﴾ [ النساء : ١٠٣ ]
“নির্ধারিত সময়ে সালাত কায়েম করা মুমিনদের জন্য অবশ্য কর্তব্য।” [সূরা আন-নিসা, আয়াত: ১০৩] আর তাতে যথাযথ আমল হবে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণিত বিশুদ্ধ হাদীসসমূহের প্রতি, যাতে তিনি সালাতের সকল সময়ের সুস্পষ্ট ব্যাখ্যা করেছেন।
আর ছাত্রদের মধ্যে যারা জানে না তারা যারা জানে তাদের নিকট প্রশ্ন করবে, আরও প্রশ্ন করবে তার ঐসব বন্ধুবান্ধবকে, যারা সালাতের সময়সমূহ জানে ও বুঝে, এমনকি যত্নসহকারে সময়মত সালাত আদায় করে। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বিশুদ্ধভাবে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন,
«العهد الذي بيننا وبينهم الصلاة فمن تركها فقد كفر» .
“আমাদের ও তাদের মাঝে যে প্রতিশ্রুতি বা চুক্তি রয়েছে, তা হলো সালাত। সুতরাং যে ব্যক্তি তা পরিত্যাগ করে, সে কুফুরী করল বা কাফির হয়ে গেল।” ইমাম আহমদ, তিরমিযী, আবূ দাউদ, নাসাঈ ও ইবন মাজাহ প্রমূখ বিশুদ্ধ সনদে হাদীসখানা বর্ণনা করেছেন। আর ইমাম মুসলিম রহ. তার সহীহ গ্রন্থে জাবের ইবন আবদিল্লাহ রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু থেকে বর্ণনা করেন, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন,
«إِنَّ بَيْنَ الرَّجُلِ وَبَيْنَ الشِّرْكِ وَالْكُفْرِ تَرْكَ الصَّلاَةِ »
“বান্দা এবং শির্ক ও কুফীরের মধ্যে পার্থক্য হচ্ছে সালাত ত্যাগ করা।” [সহীহ মুসলিম, হাদীস নং ২৫৬] আর এই ব্যাপারে আরও অনেক হাদীস রয়েছে। আল্লাহ সকলের অবস্থাকে সংশোধন করে দিন।
শাইখ ইবন বায: মাজমু‘উ ফাতাওয়া ( مجموع فتاوى ): ২/১৪১
উত্তর: আল্লাহ তা‘আলা ও তাঁর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম প্রত্যেক জায়গার জন্য সালাতের সময়সমূহ সুস্পষ্ট করে ব্যাখ্যা করেছেন, আর ছাত্রদের জন্য আবশ্যক হলো, তারা অন্যান্য মুসলিমদের মত সালাতকে তার সময়মত আদায় করবে, আর পড়ালেখার অজুহাত দিয়ে সালাতকে তার নির্ধারিত সময় থেকে বিলম্বিত করা বৈধ নয়; বরং তা‘আলার বাণীর যথাযথ আমল করে সালাতকে যথাসময়ে আদায় করা ওয়াজিব (আবশ্যক)। তিনি বলেছেন:
﴿حَٰفِظُواْ عَلَى ٱلصَّلَوَٰتِ وَٱلصَّلَوٰةِ ٱلۡوُسۡطَىٰ وَقُومُواْ لِلَّهِ قَٰنِتِينَ٢٣٨﴾ [ البقرة : ٢٣٨ ]
“তোমরা সালাতের প্রতি যত্নবান হবে, বিশেষত মধ্যবর্তী সালাতের এবং আল্লাহ্র উদ্দেশ্যে তোমরা দাঁড়াবে বিনীতভাবে।” [সূরা আল-বাকারা, আয়াত: ২৩৮]
আল্লাহ তা‘আলা আরও বলেন,
﴿ إِنَّ ٱلصَّلَوٰةَ كَانَتۡ عَلَى ٱلۡمُؤۡمِنِينَ كِتَٰبٗا مَّوۡقُوتٗا ١٠٣ ﴾ [ النساء : ١٠٣ ]
“নির্ধারিত সময়ে সালাত কায়েম করা মুমিনদের জন্য অবশ্য কর্তব্য।” [সূরা আন-নিসা, আয়াত: ১০৩] আর তাতে যথাযথ আমল হবে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণিত বিশুদ্ধ হাদীসসমূহের প্রতি, যাতে তিনি সালাতের সকল সময়ের সুস্পষ্ট ব্যাখ্যা করেছেন।
আর ছাত্রদের মধ্যে যারা জানে না তারা যারা জানে তাদের নিকট প্রশ্ন করবে, আরও প্রশ্ন করবে তার ঐসব বন্ধুবান্ধবকে, যারা সালাতের সময়সমূহ জানে ও বুঝে, এমনকি যত্নসহকারে সময়মত সালাত আদায় করে। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বিশুদ্ধভাবে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন,
«العهد الذي بيننا وبينهم الصلاة فمن تركها فقد كفر» .
“আমাদের ও তাদের মাঝে যে প্রতিশ্রুতি বা চুক্তি রয়েছে, তা হলো সালাত। সুতরাং যে ব্যক্তি তা পরিত্যাগ করে, সে কুফুরী করল বা কাফির হয়ে গেল।” ইমাম আহমদ, তিরমিযী, আবূ দাউদ, নাসাঈ ও ইবন মাজাহ প্রমূখ বিশুদ্ধ সনদে হাদীসখানা বর্ণনা করেছেন। আর ইমাম মুসলিম রহ. তার সহীহ গ্রন্থে জাবের ইবন আবদিল্লাহ রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু থেকে বর্ণনা করেন, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন,
«إِنَّ بَيْنَ الرَّجُلِ وَبَيْنَ الشِّرْكِ وَالْكُفْرِ تَرْكَ الصَّلاَةِ »
“বান্দা এবং শির্ক ও কুফীরের মধ্যে পার্থক্য হচ্ছে সালাত ত্যাগ করা।” [সহীহ মুসলিম, হাদীস নং ২৫৬] আর এই ব্যাপারে আরও অনেক হাদীস রয়েছে। আল্লাহ সকলের অবস্থাকে সংশোধন করে দিন।
শাইখ ইবন বায: মাজমু‘উ ফাতাওয়া ( مجموع فتاوى ): ২/১৪১