১
ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য নির্বাচিত ফাতাওয়া
লেখকঃ মিরফাত বিনতে কামিল আবদিল্লাহ উসরা • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৬৩
বিবাহ সম্পাদনের ক্ষেত্রে শিক্ষা সমাপ্তকরণে শর্ত করা
প্রশ্ন: বিয়ে সংঘটিত হওয়ার সময় অভিভাবকদের কেউ কেউ তাদের মেয়েদের স্বামীদেরকে স্ত্রীর পড়ালেখা অব্যাহত রাখা এবং পাশ করে বের হওয়ার পর তাকে চাকুরি করানোর আবশ্যকতার শর্তারোপ করে। সুতরাং এই শর্ত বৈধ হবে কিনা? বিয়ের পরে যদি স্বামী সেই শর্ত পরিপূর্ণভাবে বাস্তবায়ন না করে, সেই ক্ষেত্রে বিধান কী হবে?
উত্তর: বিয়ের সময় স্বামীর ওপর যে শর্তারোপ করা হয়, তা যদি শরী‘আতের দৃষ্টিতে হারাম না হয় এবং সে যদি তা মেনে নেয়, তাহলে তা তার ওপর আবশ্যক হয়ে যাবে, অর্থাৎ তার ওপর তা বাস্তবায়ন করা আবশ্যক। কেননা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন:
«أحق الشروط أن توفوا به ما استحللتم به الفروج » .
“শর্তবলীর মধ্যে যা পূরণ করার অধিক দাবি রাখে, তা হলো সেই শর্ত, যার মাধ্যমে তোমরা তোমাদের স্ত্রীদের হালাল করেছ।” [সহীহ বুখারী, হাদীস নং ২৫৭২] কিন্তু স্ত্রী ও তার পরিবারের জন্য উচিৎ হবে না প্রশ্নে উল্লেখিত শর্তের মত কোনো শর্ত আরোপ করা; বরং তাদের উচিৎ হলো বিষয়টিকে বিয়ের পরবর্তী সময়ের জন্য স্বামী ও স্ত্রীর ঐক্যমতের ওপর ছেড়ে দেওয়া, আর এটা জানা কথা যে, স্বামী কোনো নারীকে বিয়ে করে শুধু এই জন্য যে, সে তার এমন স্ত্রী হবে, যে তার সন্তানদেরকে লালনপালন করবে এবং তার অবস্থাকে প্রাণবন্ত করবে; এই জন্য নয় যে, সে হবে একজন শ্রমজীবী নারী, যাকে তার স্বামী মাঝে মধ্যে দেখতে পাবে। সুতরাং এই ধরনের কাজের ক্ষেত্রে সহজ করা এবং ঐসব কোনো শর্ত আরোপ না করাটাই উত্তম ও ভালো পন্থা।
শাইখ ইবন ‘উসাইমীন
ফাতাওয়া ইসলামীয়া ( فتاوى إسلامية ): ৩/১৫৮
উত্তর: বিয়ের সময় স্বামীর ওপর যে শর্তারোপ করা হয়, তা যদি শরী‘আতের দৃষ্টিতে হারাম না হয় এবং সে যদি তা মেনে নেয়, তাহলে তা তার ওপর আবশ্যক হয়ে যাবে, অর্থাৎ তার ওপর তা বাস্তবায়ন করা আবশ্যক। কেননা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন:
«أحق الشروط أن توفوا به ما استحللتم به الفروج » .
“শর্তবলীর মধ্যে যা পূরণ করার অধিক দাবি রাখে, তা হলো সেই শর্ত, যার মাধ্যমে তোমরা তোমাদের স্ত্রীদের হালাল করেছ।” [সহীহ বুখারী, হাদীস নং ২৫৭২] কিন্তু স্ত্রী ও তার পরিবারের জন্য উচিৎ হবে না প্রশ্নে উল্লেখিত শর্তের মত কোনো শর্ত আরোপ করা; বরং তাদের উচিৎ হলো বিষয়টিকে বিয়ের পরবর্তী সময়ের জন্য স্বামী ও স্ত্রীর ঐক্যমতের ওপর ছেড়ে দেওয়া, আর এটা জানা কথা যে, স্বামী কোনো নারীকে বিয়ে করে শুধু এই জন্য যে, সে তার এমন স্ত্রী হবে, যে তার সন্তানদেরকে লালনপালন করবে এবং তার অবস্থাকে প্রাণবন্ত করবে; এই জন্য নয় যে, সে হবে একজন শ্রমজীবী নারী, যাকে তার স্বামী মাঝে মধ্যে দেখতে পাবে। সুতরাং এই ধরনের কাজের ক্ষেত্রে সহজ করা এবং ঐসব কোনো শর্ত আরোপ না করাটাই উত্তম ও ভালো পন্থা।
শাইখ ইবন ‘উসাইমীন
ফাতাওয়া ইসলামীয়া ( فتاوى إسلامية ): ৩/১৫৮