১
ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য নির্বাচিত ফাতাওয়া
লেখকঃ মিরফাত বিনতে কামিল আবদিল্লাহ উসরা • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৫৯
ডাইনিং রুমে ছাত্রদের কতিপয় অপরাধ
প্রশ্ন: আমরা দৃষ্টি আকর্ষণ করছি যে, কোনো কোনো ছাত্র বিশ্ববিদ্যালয়ের ডাইনিং রুমে তাদের জন্য যেই খাবার বরাদ্দ আছে, তার চেয়ে অধিক পরিমাণ খাবার গ্রহণ করে। যেমন, বরাদ্দ আছে চার প্রকার খাবার, অথচ পৃথকভাবে কোনো মূল্য পরিশোধ করা ছাড়াই পাঁচ রকম খাবার গ্রহণ করা। অনুরূপভাবে আমরা দৃষ্টি আকর্ষণ করছি যে, কোনো কোনো ছাত্র সাধারণ হলোরুমের পত্রপত্রিকা ও ম্যাগাজিনের উপর প্রভাব বিস্তার করে এবং এগুলো তারা তাদের নিজেদের রুমের জন্য নিয়ে যায়, অথচ এগুলো রাখা হয়েছে সকলের জন্য। সুতরাং এর বিধান কী হবে?
উত্তর: এই দুইটি কাজের কোনোটিই বৈধ নয়; প্রথমটি অবৈধ হওয়ার কারণ হলো, যেহেতু সে তার জন্য বরাদ্দকৃত খাবারের চেয়ে এক প্রকারের খাবার অতিরিক্ত হিসেবে গ্রহণ করেছে, সেহেতু অতিরিক্ত খাবারটি তার জন্য হারাম হয়ে গেল। কেননা সে অবৈধ পন্থায় সম্পদ ভোগ করেছে; তবে সে যদি তার মূল্য পরিশোধ করে অথবা ছাত্রদের খাবার সরবরাহের দায়িত্বে যিনি আছেন, তার থেকে অনুমতি নেয় অথবা এই বিষয়ে জানানোর পর সে যদি তা মেনে নেয়, তাহলে তা বৈধ হবে। কেননা এটা তার হক (অধিকার)। আর দ্বিতীয় মাসআলা: তা হলো বস্তুটি একচেটিয়া নিজের দখলে নিয়ে যাওয়া, যার মধ্যে তার এবং অন্যদের অধিকার রয়েছে। সুতরাং এটা বৈধ নয়, তবে সেখানে যদি ধারাবাহিকতার বিন্যাস থাকে। যেমন, কেউ যদি লাইব্রেরি থেকে একটি বই কয়েকদিন পাঠ করার জন্য ধার হিসেবে গ্রহণ করে, অতঃপর সে তা ফেরত দিয়ে দেবে এই শর্তে, তাহলে তাতে দোষের কিছু নেই। কেননা সে তা শরী‘আত সম্মত পন্থায় গ্রহণ করেছে।
শাইখ ইবন ‘উসাইমীন
ফাতওয়ায়ে ইসলামীয়া ( فتاوى إسلامية ): ৪/৩২৯
উত্তর: এই দুইটি কাজের কোনোটিই বৈধ নয়; প্রথমটি অবৈধ হওয়ার কারণ হলো, যেহেতু সে তার জন্য বরাদ্দকৃত খাবারের চেয়ে এক প্রকারের খাবার অতিরিক্ত হিসেবে গ্রহণ করেছে, সেহেতু অতিরিক্ত খাবারটি তার জন্য হারাম হয়ে গেল। কেননা সে অবৈধ পন্থায় সম্পদ ভোগ করেছে; তবে সে যদি তার মূল্য পরিশোধ করে অথবা ছাত্রদের খাবার সরবরাহের দায়িত্বে যিনি আছেন, তার থেকে অনুমতি নেয় অথবা এই বিষয়ে জানানোর পর সে যদি তা মেনে নেয়, তাহলে তা বৈধ হবে। কেননা এটা তার হক (অধিকার)। আর দ্বিতীয় মাসআলা: তা হলো বস্তুটি একচেটিয়া নিজের দখলে নিয়ে যাওয়া, যার মধ্যে তার এবং অন্যদের অধিকার রয়েছে। সুতরাং এটা বৈধ নয়, তবে সেখানে যদি ধারাবাহিকতার বিন্যাস থাকে। যেমন, কেউ যদি লাইব্রেরি থেকে একটি বই কয়েকদিন পাঠ করার জন্য ধার হিসেবে গ্রহণ করে, অতঃপর সে তা ফেরত দিয়ে দেবে এই শর্তে, তাহলে তাতে দোষের কিছু নেই। কেননা সে তা শরী‘আত সম্মত পন্থায় গ্রহণ করেছে।
শাইখ ইবন ‘উসাইমীন
ফাতওয়ায়ে ইসলামীয়া ( فتاوى إسلامية ): ৪/৩২৯