১
ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য নির্বাচিত ফাতাওয়া
লেখকঃ মিরফাত বিনতে কামিল আবদিল্লাহ উসরা • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৪৬
গাড়ীর চালকের সাথে বুদ্ধিমান শিশুকে সাথে নিয়ে ভ্রমণ করা
প্রশ্ন: আমি গাড়ীর চালকের সাথে সকাল বেলায় মাদরাসায় যাই এবং যোহরের সময় ফিরে আসি এমতাবস্থায় যে, আমার সাথে আমার এমন এক ভাই থাকে, যার বয়স এগার বছরের বেশি নয়। সুতরাং আমার ভাইকে মাহরাম বলে বিবেচনা করা জায়েয (বৈধ) হবে কিনা? আমাকে জানাবেন।
উত্তর: অপরিচিত নারীর সাথে নির্জনে অবস্থান করা থেকে কঠোর নিষেধাজ্ঞা এসেছে। কেননা উমার রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু, আবদুল্লাহ ইবন ওমর রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু ও অন্যান্য সাহাবীর বর্ণিত হাদীসে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন,
«لا يخلون رجل بامرأة إلا كان الشيطان ثالثهما»
“অবশ্যই কোনো একজন পুরুষ একজন নারীকে নিয়ে নির্জনে অবস্থান করবে না, তাহলে তাদের উভয়ের মধ্যে তৃতীয় ব্যক্তি হবে শয়তান”।
এ জন্য আমরা ফিতনার আশঙ্কায় মুসলিম নারীকে একাকী কোনো অপরিচিত চালকের সাথে গাড়ীর যাত্রী না হওয়ার জন্য উপদেশ দিয়ে থাকি, সেই চালক যতই বিশ্বস্ত হউক না কেন। কারণ, শয়তান উভয়ের মাঝে কুমন্ত্রণা দিতে পারে, তবে এই ক্ষেত্রে ওলামা ও শাইখদের কেউ কেউ শহরের অভ্যন্তরে প্রসিদ্ধ রাস্তাসমূহে এইভাবে (অপরিচিত চালকের সাথে গাড়ীর যাত্রী হয়ে) চলাচলের অবকাশ দিয়েছেন, যেসব রাস্তা জনমানব শূন্য থাকে না; তাও আবার জরুরি প্রয়োজনের কারণে। যেমন, ইবাদত অথবা গুরুত্বপূর্ণ উদ্দেশ্যে বাজারে গমন অথবা মাদরাসায় গমন অথবা শরী‘আত স্বীকৃত কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণ অথবা পরিবার-পরিজন ও আত্মীয়-স্বজনদের সাথে সাক্ষাৎ করা, আর এ ক্ষেত্রে তাকে আরও অবকাশ দেওয়া হয়েছে, যদি তার সাথে বিশ্বস্ত নারীগণ অথবা বুদ্ধিমান মাহরাম পুরুষ থাকে, আর এই ধরনের সকল অবকাশই থাকবে প্রয়োজনের সময়।
শাইখ ইবন জিবরীন
ফায়দা ও ফাতাওয়া ( فوائد و فتاوى ): পৃ. ১৯৬
উত্তর: অপরিচিত নারীর সাথে নির্জনে অবস্থান করা থেকে কঠোর নিষেধাজ্ঞা এসেছে। কেননা উমার রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু, আবদুল্লাহ ইবন ওমর রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু ও অন্যান্য সাহাবীর বর্ণিত হাদীসে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন,
«لا يخلون رجل بامرأة إلا كان الشيطان ثالثهما»
“অবশ্যই কোনো একজন পুরুষ একজন নারীকে নিয়ে নির্জনে অবস্থান করবে না, তাহলে তাদের উভয়ের মধ্যে তৃতীয় ব্যক্তি হবে শয়তান”।
এ জন্য আমরা ফিতনার আশঙ্কায় মুসলিম নারীকে একাকী কোনো অপরিচিত চালকের সাথে গাড়ীর যাত্রী না হওয়ার জন্য উপদেশ দিয়ে থাকি, সেই চালক যতই বিশ্বস্ত হউক না কেন। কারণ, শয়তান উভয়ের মাঝে কুমন্ত্রণা দিতে পারে, তবে এই ক্ষেত্রে ওলামা ও শাইখদের কেউ কেউ শহরের অভ্যন্তরে প্রসিদ্ধ রাস্তাসমূহে এইভাবে (অপরিচিত চালকের সাথে গাড়ীর যাত্রী হয়ে) চলাচলের অবকাশ দিয়েছেন, যেসব রাস্তা জনমানব শূন্য থাকে না; তাও আবার জরুরি প্রয়োজনের কারণে। যেমন, ইবাদত অথবা গুরুত্বপূর্ণ উদ্দেশ্যে বাজারে গমন অথবা মাদরাসায় গমন অথবা শরী‘আত স্বীকৃত কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণ অথবা পরিবার-পরিজন ও আত্মীয়-স্বজনদের সাথে সাক্ষাৎ করা, আর এ ক্ষেত্রে তাকে আরও অবকাশ দেওয়া হয়েছে, যদি তার সাথে বিশ্বস্ত নারীগণ অথবা বুদ্ধিমান মাহরাম পুরুষ থাকে, আর এই ধরনের সকল অবকাশই থাকবে প্রয়োজনের সময়।
শাইখ ইবন জিবরীন
ফায়দা ও ফাতাওয়া ( فوائد و فتاوى ): পৃ. ১৯৬