১
ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য নির্বাচিত ফাতাওয়া
লেখকঃ মিরফাত বিনতে কামিল আবদিল্লাহ উসরা • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ১৯
ঋতুবর্তী ছাত্রীদের প্রাতিষ্ঠানিক নামায ঘরে প্রবেশ করা
প্রশ্ন: মাদরাসার মধ্যে শুধু যোহরের সালাত আদায়ের জন্য একটি মুসাল্লা (নামায ঘর) তৈরি করা আছে, যোহরের সালাতের সময়ে মেয়েদেরকে ঐ ঘরে প্রবেশ করতে বাধ্য করা হয়, অথচ তাদের কেউ কেউ মাসিক অভ্যাসের শিকার। সুতরাং ঐ মুসাল্লা বা নামায ঘরের জন্য কি মাসজিদের বিধান প্রযোজ্য হবে অর্থাৎ তার জন্য কি তাকে বসা জায়েয (বৈধ) হবে? আর এই অবস্থায় তারা যখন শ্রেণীকক্ষে বসবে, তখন তারা হয়তো অনৈতিক বিষয় নিয়ে আলাপ-আলোচনা করবে, সুতরাং তাদেরকে এই মুসাল্লা বা নামায ঘরের মধ্যে প্রবেশ করতে বাধ্য করা যাবে কি?
উত্তর: মাদরাসার (বিদ্যালয়ের) মধ্যকার মুসাল্লা (নামায ঘর) মাসজিদের বিধানের আওতায় আসবে না; বরং তা হলো সালাতের জন্য একটি নির্ধারিত স্থান, আর এমন প্রত্যেক স্থান, যাতে সালাত আদায় করা হয়, তাকে এমন মাসজিদ বলে বিবেচনা করা যাবে না, যার জন্য প্রকৃত মাসজিদসমূহের বিধান প্রযোজ্য হবে, আর মাসজিদ বলা হয় ঐ ঘরকে, যা সার্বজনীনভাবে এবং কাঠামোগত ও পরিষ্কারভাবে শুধু সালাতের জন্য তৈরি করা হয়, আর কোনো জায়গায় সালাত পড়া হয়, শুধু এই কারণে তাকে মাসজিদ বলে গণ্য করা যায় না, আর এর ওপর ভিত্তি করে ঋতুবর্তী নারীর জন্য মাদরাসার (বিদ্যালয়ের) মধ্যকার মুসাল্লা বা নামায ঘরে প্রবেশ করা এবং তাতে অবস্থান করা বৈধ হবে।
শাইখ ইবন ‘উসাইমীন
শিক্ষক ও ছাত্রদের জন্য ফাতওয়া ( فتاوى للمدرسين و الطلاب ): পৃ. ২৪
উত্তর: মাদরাসার (বিদ্যালয়ের) মধ্যকার মুসাল্লা (নামায ঘর) মাসজিদের বিধানের আওতায় আসবে না; বরং তা হলো সালাতের জন্য একটি নির্ধারিত স্থান, আর এমন প্রত্যেক স্থান, যাতে সালাত আদায় করা হয়, তাকে এমন মাসজিদ বলে বিবেচনা করা যাবে না, যার জন্য প্রকৃত মাসজিদসমূহের বিধান প্রযোজ্য হবে, আর মাসজিদ বলা হয় ঐ ঘরকে, যা সার্বজনীনভাবে এবং কাঠামোগত ও পরিষ্কারভাবে শুধু সালাতের জন্য তৈরি করা হয়, আর কোনো জায়গায় সালাত পড়া হয়, শুধু এই কারণে তাকে মাসজিদ বলে গণ্য করা যায় না, আর এর ওপর ভিত্তি করে ঋতুবর্তী নারীর জন্য মাদরাসার (বিদ্যালয়ের) মধ্যকার মুসাল্লা বা নামায ঘরে প্রবেশ করা এবং তাতে অবস্থান করা বৈধ হবে।
শাইখ ইবন ‘উসাইমীন
শিক্ষক ও ছাত্রদের জন্য ফাতওয়া ( فتاوى للمدرسين و الطلاب ): পৃ. ২৪