১
ইসলামের উপর ৪০টি অভিযোগ এবং তার প্রমাণ ভিত্তিক জবাব
লেখকঃ ডা. জাকির নায়েক • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ১৭
প্রশ্ন-১৬. যদি ইসলাম একটি সুন্দর ধর্মই হয়ে থাকে, তাহলে অগণিত মুসলমান বেঈমান কেন? ধোঁকা দেয়া, ঘুষ খাওয়া এবং নিষিদ্ধ কার্যাবলির সাথে কেন জড়িত?
উত্তর : এতে কোনো সন্দেহের অবকাশ নেই যে, ইসলাম এক সুন্দর ধর্ম, কিন্তু মিডিয়া পশ্চিমাদের নিয়ন্ত্রণে, যারা ইসলামের ব্যাপারে ভীতু। এই মিডিয়া ধারাবাহিকভাবে ইসলামের বিপরীত ভুল পদ্ধতির সংবাদ এবং তথ্য প্রচার করে।
এটা ইসলামের ব্যাপারে ভুল প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করে এবং ভুল বরাত দিয়ে থাকে, মূল ঘটনাকে বড় সড় করে প্রচার করে। যদি কোথাও বোমা ফাটে তাহলে বিনা প্রমাণে মুসলমানের ওপর অভিযোগ চাপিয়ে দেয়া হয়। খবরে এ ধরনের অভিযোগ বড় ধরনের কভারেজ পায়। আবার যখন বিশ্লেষণের পর অ-মুসলমানের কারসাজি প্রমাণিত হয়, তখন সংবাদ সামান্য কভারেজে প্রকাশিত হয়। যদি ৫০ বছরের কোনো মুসলমান ১৫ বছরের কোনো বালিকাকে বিবাহ করে, তবে পশ্চিমা সংবাদপত্রে এ খবরকে প্রথম পৃষ্ঠায় ছাপিয়ে প্রচার করে কিন্তু যদি কোনো ৫০ বছরের অমুসলিম ৬ বছরের কোনো বাচ্চাকে ধর্ষণ করে, তাহলে এ খবর সাধারণ সংবাদের সাথে সাধারণ পৃষ্ঠায় ছাপা হয়। আমেরিকায় প্রতিদিন ২ হাজার ৭ শত ধর্ষণের ঘটনা ঘটে কিন্তু এ খবরগুলো প্রচার করা হয় না।
কেননা এ ঘটনা আমেরিকানদের জন্য সাধারণ ব্যাপার, তা জীবনের অঙ্গে পরিণত হয়েছে। আমি এটা জানিয়ে দিতে চাই এমন মুসলমান অবশ্যই মজুদ আছে, যে দ্বীনদার নয়, ধোঁকা দেয়, এবং অন্য প্রকারের গুনাহের কাজে লিপ্ত আছে। কিন্তু পশ্চিমা মিডিয়া এমন প্রভাব সৃষ্টি করে যেন মনে হয়) এ শুধু মুসলমানরাই করে। অবস্থা হলো এমন লোক দুনিয়ার সকল দেশ ও সকল জাতির মধ্যে পাওয়া যায়। আমার জানা আছে যে, অনেক মুসলমান মদপান করে এবং অমুসলিমদের সাথে মিলে। মুসলিম সমাজেও এরূপ লোক আছে, তবে অবশ্যই সর্বতোভাবে মুসলিম সমাজ উন্নততর সমাজ। ইসলামি সমাজই হলো সবচেয়ে বড় সাম্রাজ্য যে, মদপানের বিরোধিতা করে এবং ভিন্ন কথায় সাধারণভাবে মুসলমান মদপান করে না।
সামগ্রিকভাবে এটা ঐ সমাজ যা সম্পূর্ণ পৃথিবীতে সবচেয়ে বেশি কল্যাণ করে এবং যার পর্যাপ্ত লজ্জা, চিন্তা-ভাবনা, চরিত্র গঠন ও মানবতার সম্পর্ক আছে। দুনিয়ার কোনো সমাজ এরূপ দৃষ্টান্ত উপস্থাপন করতে পারবে না। বসনিয়া, ইরাক এবং আফগানিস্তানের মুসলমান বন্দিদের সাথে খ্রিস্টানদের অত্যাচারী আচরণ এবং বৃটেনের মহিলা সাংবাদিকদের সাথে তালেবানদের আচরণ এর মধ্যে পার্থক্য সুস্পষ্ট হয়ে যায়। যদি আপনি জানতে চান মার্সিডিজ-এর নতুন মডেলের গাড়ি কেমন এবং যে ব্যক্তি ড্রাইভিং সম্পর্কে জানে না, তিনি যদি স্টিয়ারিং-এর ওপর গিয়ে বসেন এবং গাড়িকে নষ্ট করেন তাহলে এ দোষ কার ওপর দিবেন? গাড়িকে নাকি ড্রাইভারকে পরিষ্কার আপনি ড্রাইভারকে দোষ দেবেন। এটা জানার জন্য যে গাড়ি কীরূপ তাহলে ড্রাইভার নয় বরং গাড়ির বৈশিষ্ট্য এবং তার বিভিন্ন পার্টস এর যাচাই প্রয়োজন। এটা কী গতিতে চলে? কোন প্রকারের ইঞ্জিন ব্যবহার করে? এটা কী পরিমাণ সংরক্ষিত ইত্যাদি। যদি একথা মানা হয় যে, মুসলমানগণ সঠিক নেই, তদুপরি আমি
ইসলামের অনুসারীদের পরীক্ষা করতে বলব না। যদি আপনি জানতে চান যে, ইসলাম কী পরিমাণ ভালো ধর্ম তাহলে এর মূল জিনিসগুলো পরীক্ষা করা কর্তব্য। অর্থাৎ কুরআন এবং ছহীহ্ হাদীস। যদি আপনি আমলের দিক দিয়ে এটা দেখতে চান যে, গাড়ি কেমন তাহলে স্টিয়ারিং-এর ওপর এমন কাউকে বসান যিনি দক্ষ ডাইভার। এরূপভাবে যদি এটা জানতে চান যে, ইসলাম কেমন দ্বীন, তাহলে এর উত্তম পদ্ধতি হলো আল্লাহর সর্বশেষ নবী মুহাম্মদ (সাঃ) কে সামনে রাখুন।
মুসলিম ছাড়াও এমন অনেক উদারপন্থী অমুসলিম ঐতিহাসিকগণ প্রকাশ্যে এ ঘোষণা দিয়ে বলেছেন যে, মুহাম্মদ (সাঃ) সর্বোত্তম মানব ছিলেন। মাইকেল এইচ, হার্ট ‘১০০ শত বড় বড় ঐতিহাসিক ব্যক্তিত্ব’ নামক বই লিখেছেন। তাতে মুহাম্মদ (সাঃ)-এর নাম সর্ব প্রথম রয়েছে। বইটিতে অনেক অমুসলিম ব্যক্তিত্ব আছে, যাদের মধ্যে মুহাম্মদ (সাঃ) এর অনেক বেশি প্রশংসা করেছেন।
এটা ইসলামের ব্যাপারে ভুল প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করে এবং ভুল বরাত দিয়ে থাকে, মূল ঘটনাকে বড় সড় করে প্রচার করে। যদি কোথাও বোমা ফাটে তাহলে বিনা প্রমাণে মুসলমানের ওপর অভিযোগ চাপিয়ে দেয়া হয়। খবরে এ ধরনের অভিযোগ বড় ধরনের কভারেজ পায়। আবার যখন বিশ্লেষণের পর অ-মুসলমানের কারসাজি প্রমাণিত হয়, তখন সংবাদ সামান্য কভারেজে প্রকাশিত হয়। যদি ৫০ বছরের কোনো মুসলমান ১৫ বছরের কোনো বালিকাকে বিবাহ করে, তবে পশ্চিমা সংবাদপত্রে এ খবরকে প্রথম পৃষ্ঠায় ছাপিয়ে প্রচার করে কিন্তু যদি কোনো ৫০ বছরের অমুসলিম ৬ বছরের কোনো বাচ্চাকে ধর্ষণ করে, তাহলে এ খবর সাধারণ সংবাদের সাথে সাধারণ পৃষ্ঠায় ছাপা হয়। আমেরিকায় প্রতিদিন ২ হাজার ৭ শত ধর্ষণের ঘটনা ঘটে কিন্তু এ খবরগুলো প্রচার করা হয় না।
কেননা এ ঘটনা আমেরিকানদের জন্য সাধারণ ব্যাপার, তা জীবনের অঙ্গে পরিণত হয়েছে। আমি এটা জানিয়ে দিতে চাই এমন মুসলমান অবশ্যই মজুদ আছে, যে দ্বীনদার নয়, ধোঁকা দেয়, এবং অন্য প্রকারের গুনাহের কাজে লিপ্ত আছে। কিন্তু পশ্চিমা মিডিয়া এমন প্রভাব সৃষ্টি করে যেন মনে হয়) এ শুধু মুসলমানরাই করে। অবস্থা হলো এমন লোক দুনিয়ার সকল দেশ ও সকল জাতির মধ্যে পাওয়া যায়। আমার জানা আছে যে, অনেক মুসলমান মদপান করে এবং অমুসলিমদের সাথে মিলে। মুসলিম সমাজেও এরূপ লোক আছে, তবে অবশ্যই সর্বতোভাবে মুসলিম সমাজ উন্নততর সমাজ। ইসলামি সমাজই হলো সবচেয়ে বড় সাম্রাজ্য যে, মদপানের বিরোধিতা করে এবং ভিন্ন কথায় সাধারণভাবে মুসলমান মদপান করে না।
সামগ্রিকভাবে এটা ঐ সমাজ যা সম্পূর্ণ পৃথিবীতে সবচেয়ে বেশি কল্যাণ করে এবং যার পর্যাপ্ত লজ্জা, চিন্তা-ভাবনা, চরিত্র গঠন ও মানবতার সম্পর্ক আছে। দুনিয়ার কোনো সমাজ এরূপ দৃষ্টান্ত উপস্থাপন করতে পারবে না। বসনিয়া, ইরাক এবং আফগানিস্তানের মুসলমান বন্দিদের সাথে খ্রিস্টানদের অত্যাচারী আচরণ এবং বৃটেনের মহিলা সাংবাদিকদের সাথে তালেবানদের আচরণ এর মধ্যে পার্থক্য সুস্পষ্ট হয়ে যায়। যদি আপনি জানতে চান মার্সিডিজ-এর নতুন মডেলের গাড়ি কেমন এবং যে ব্যক্তি ড্রাইভিং সম্পর্কে জানে না, তিনি যদি স্টিয়ারিং-এর ওপর গিয়ে বসেন এবং গাড়িকে নষ্ট করেন তাহলে এ দোষ কার ওপর দিবেন? গাড়িকে নাকি ড্রাইভারকে পরিষ্কার আপনি ড্রাইভারকে দোষ দেবেন। এটা জানার জন্য যে গাড়ি কীরূপ তাহলে ড্রাইভার নয় বরং গাড়ির বৈশিষ্ট্য এবং তার বিভিন্ন পার্টস এর যাচাই প্রয়োজন। এটা কী গতিতে চলে? কোন প্রকারের ইঞ্জিন ব্যবহার করে? এটা কী পরিমাণ সংরক্ষিত ইত্যাদি। যদি একথা মানা হয় যে, মুসলমানগণ সঠিক নেই, তদুপরি আমি
ইসলামের অনুসারীদের পরীক্ষা করতে বলব না। যদি আপনি জানতে চান যে, ইসলাম কী পরিমাণ ভালো ধর্ম তাহলে এর মূল জিনিসগুলো পরীক্ষা করা কর্তব্য। অর্থাৎ কুরআন এবং ছহীহ্ হাদীস। যদি আপনি আমলের দিক দিয়ে এটা দেখতে চান যে, গাড়ি কেমন তাহলে স্টিয়ারিং-এর ওপর এমন কাউকে বসান যিনি দক্ষ ডাইভার। এরূপভাবে যদি এটা জানতে চান যে, ইসলাম কেমন দ্বীন, তাহলে এর উত্তম পদ্ধতি হলো আল্লাহর সর্বশেষ নবী মুহাম্মদ (সাঃ) কে সামনে রাখুন।
মুসলিম ছাড়াও এমন অনেক উদারপন্থী অমুসলিম ঐতিহাসিকগণ প্রকাশ্যে এ ঘোষণা দিয়ে বলেছেন যে, মুহাম্মদ (সাঃ) সর্বোত্তম মানব ছিলেন। মাইকেল এইচ, হার্ট ‘১০০ শত বড় বড় ঐতিহাসিক ব্যক্তিত্ব’ নামক বই লিখেছেন। তাতে মুহাম্মদ (সাঃ)-এর নাম সর্ব প্রথম রয়েছে। বইটিতে অনেক অমুসলিম ব্যক্তিত্ব আছে, যাদের মধ্যে মুহাম্মদ (সাঃ) এর অনেক বেশি প্রশংসা করেছেন।