১
ইসলামের উপর ৪০টি অভিযোগ এবং তার প্রমাণ ভিত্তিক জবাব
লেখকঃ ডা. জাকির নায়েক • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৭
প্রশ্ন-৬. যদি ইসলামে পুরুষকে একের অধিক বিবাহ (স্ত্রী রাখার) করার ' অনুমতি দেয়, তবে কেন একজন স্ত্রী একাধিক স্বামী (একত্রে) গ্রহণ করতে পারবে না?
উত্তর : প্রথম কথা এই যে, আপনাকে প্রথমে খেয়াল রাখতে হবে যে, নারীর তুলনায় পুরুষের সেক্স পাওয়ার (যৌন সক্ষমতা) বেশি। দ্বিতীয় বিষয় হলো পুরুষ জৈবিকভাবে (Biologicaly) একাধিক নারীর সাথে শৃঙ্খলার সাথে সম্পর্ক রাখতে পারে। অপর দিকে একজন নারী শৃঙ্খলার সঙ্গে একাধিক স্বামী ম্যানেজ করতে সক্ষম হবে না।
চিকিৎসা বিজ্ঞান আমাদের বলে যে, Ministration Period এ (মাসিক চলাকালীন) একজন নারী শারীরিক ও মেধাগত পরিবর্তনের মাঝে কাটায় এবং স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে বেশিরভাগ লড়াই ঝগড়া এই বিশেষ সময়ে ঘটে থাকে। আমেরিকার ক্রাইম রেকর্ড (অপরাধ তথ্য) অনুযায়ী আমেরিকার নারীরা যে অপরাধ করে তার বেশিরভাগ মাসিক চলাকালীন সময়ে করে থাকে। যদি নারীদের একাধিক স্বামী থাকত তাহলে মেধার ওপর অধিক চাপ পড়ত এবং খাপ-খাওয়াতে সমস্যা হতো।
চিকিৎসা বিজ্ঞান আমাদের এটাও বলে যে, যদি একজন স্ত্রীর একাধিক স্বামী থাকে তাহলে জীবের মধ্যে ক্ষতিকারী স্থানান্তরকারী ভাইরাস বেশিরভাগ জন্ম লাভ করে এবং সাথে সাথে এ জীবাণুগুলো অন্য স্বামীর মধ্যে অনুপ্রবেশ ঘটে থাকে। (যেমন এইডস এর জীবাণু) যেটা এক ব্যক্তির একাধিক স্ত্রী থাকা সত্বেও ঘটে না। ধরুন, একজনের একাধিক স্ত্রী আছে এবং তাদের সন্তানাদি থাকে তাহলে মায়েদের সনাক্ত করা এক্ষেত্রে সম্ভব।
পিতা ও মাতাকে সনাক্ত করা যায়। দ্বিতীয় ঘটনায় যদি স্ত্রীর একাধিক স্বামী থাকত তাহলে সন্তানদের মাতাকে সনাক্ত করা যেত পিতাকে নয়। ইসলাম হসব-নসব (বংশধারা)-এর সনাক্ত করার ওপর বিশেষভাবে জোর দেয়। মনোবিজ্ঞানীরা আমাদের বলেন যে, যদি সন্তানেরা পিতার পরিচয় না পায় তাহলে তারা মানসিক সমস্যাতে ভোগে। একথার মধ্যে কোনো সন্দেহ নেই যে, এ ধরনের বাচ্চারা খুবই দো-টানার মধ্যে জীবনযাপন করে। বাচ্চাকে যদি স্কুলে ভর্তি করার প্রয়োজন হয় এবং এর পিতার নাম জিজ্ঞেস করা হয়, তাহলে তাকে একাধিক নাম দিতে হবে এবং আপনি জানেন এদেরকে কী বলা হয়।
এরূপ বহু কারণ আছে যার ভিত্তিতে বহু স্বামী গ্রহণের অনুমতি দেয়া হয় নি। এর বিপরীতে যে সমস্ত কারণে বহু স্ত্রী গ্রহণের অনুমতি দেয়া হয়েছে সে সম্পর্কে আলোচনা করব।
উদাহরণস্বরূপ, স্বামী যদি বন্ধ্যা হয় সেক্ষেত্রে স্ত্রী দ্বিতীয় স্বামী গ্রহণ করতে পারবে
কেননা কোনো ডাক্তার এ বিষয়ে ১০০% গ্যারান্টি দিতে পারে না যে স্বামী ১০০% বন্ধ্যা, এমনকি কেস বন্ধী করানোর পরও কোনো ডাক্তার আপনাকে একথা বলতে পারবে না যে, ঐ ব্যক্তি কখনো পিতা হতে পারবে না। এ কারণে এ অবস্থায়ও বাচ্চাকে সনাক্ত করার মধ্যে সন্দেহ এসে যায়। দ্বিতীয় কেস এরূপ যে, যদি স্বামী কোনো দুর্ঘটনায় পতিত হয় অথবা তার কঠিন পীড়া হয়, তাতেও কি স্ত্রী দ্বিতীয় স্বামী গ্রহণ করতে পারবে না? একথার বিশ্লেষণ করা যাক। যদি স্বামী অসুস্থ থাকে সে প্রয়োজনীয় কাজ সরঞ্জাম দিতে না পারে এবং নিজ বংশ রক্ষার দায়িত্বও পালন করতে অক্ষম হয় এবং স্ত্রীকে পরিতুষ্টি দিতে অক্ষম হয়।
প্রথম অবস্থায় যদি বাচ্চা এবং বিবির প্রয়োজন পূরণ করতে না পারে, সে যাকাত গ্রহণ করতে পারে। চিকিৎসা বিজ্ঞান আমাকে বলে যে, স্ত্রীর শারীরিক বিষয়ে স্বামীর প্রয়োজন ততটা নয়। এরপরও যদি সে সন্তুষ্ট না হয় তাহলে খুলা তালাক গ্রহণ করতে পারে। এখানে স্ত্রীর জন্য খুলা তালাক গ্রহণ করাই উত্তম। কেননা যখন স্ত্রী তালাক নেয় তখন সে স্বাস্থ্যবতী হয়ে থাকে। দ্বিতীয় অবস্থায় যদি সে মায়ুর বা রোগী হয় এ অবস্থায় সে যদি তালাকও নেয় তাহলে কে তাকে বিয়ে করবে?
চিকিৎসা বিজ্ঞান আমাদের বলে যে, Ministration Period এ (মাসিক চলাকালীন) একজন নারী শারীরিক ও মেধাগত পরিবর্তনের মাঝে কাটায় এবং স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে বেশিরভাগ লড়াই ঝগড়া এই বিশেষ সময়ে ঘটে থাকে। আমেরিকার ক্রাইম রেকর্ড (অপরাধ তথ্য) অনুযায়ী আমেরিকার নারীরা যে অপরাধ করে তার বেশিরভাগ মাসিক চলাকালীন সময়ে করে থাকে। যদি নারীদের একাধিক স্বামী থাকত তাহলে মেধার ওপর অধিক চাপ পড়ত এবং খাপ-খাওয়াতে সমস্যা হতো।
চিকিৎসা বিজ্ঞান আমাদের এটাও বলে যে, যদি একজন স্ত্রীর একাধিক স্বামী থাকে তাহলে জীবের মধ্যে ক্ষতিকারী স্থানান্তরকারী ভাইরাস বেশিরভাগ জন্ম লাভ করে এবং সাথে সাথে এ জীবাণুগুলো অন্য স্বামীর মধ্যে অনুপ্রবেশ ঘটে থাকে। (যেমন এইডস এর জীবাণু) যেটা এক ব্যক্তির একাধিক স্ত্রী থাকা সত্বেও ঘটে না। ধরুন, একজনের একাধিক স্ত্রী আছে এবং তাদের সন্তানাদি থাকে তাহলে মায়েদের সনাক্ত করা এক্ষেত্রে সম্ভব।
পিতা ও মাতাকে সনাক্ত করা যায়। দ্বিতীয় ঘটনায় যদি স্ত্রীর একাধিক স্বামী থাকত তাহলে সন্তানদের মাতাকে সনাক্ত করা যেত পিতাকে নয়। ইসলাম হসব-নসব (বংশধারা)-এর সনাক্ত করার ওপর বিশেষভাবে জোর দেয়। মনোবিজ্ঞানীরা আমাদের বলেন যে, যদি সন্তানেরা পিতার পরিচয় না পায় তাহলে তারা মানসিক সমস্যাতে ভোগে। একথার মধ্যে কোনো সন্দেহ নেই যে, এ ধরনের বাচ্চারা খুবই দো-টানার মধ্যে জীবনযাপন করে। বাচ্চাকে যদি স্কুলে ভর্তি করার প্রয়োজন হয় এবং এর পিতার নাম জিজ্ঞেস করা হয়, তাহলে তাকে একাধিক নাম দিতে হবে এবং আপনি জানেন এদেরকে কী বলা হয়।
এরূপ বহু কারণ আছে যার ভিত্তিতে বহু স্বামী গ্রহণের অনুমতি দেয়া হয় নি। এর বিপরীতে যে সমস্ত কারণে বহু স্ত্রী গ্রহণের অনুমতি দেয়া হয়েছে সে সম্পর্কে আলোচনা করব।
উদাহরণস্বরূপ, স্বামী যদি বন্ধ্যা হয় সেক্ষেত্রে স্ত্রী দ্বিতীয় স্বামী গ্রহণ করতে পারবে
কেননা কোনো ডাক্তার এ বিষয়ে ১০০% গ্যারান্টি দিতে পারে না যে স্বামী ১০০% বন্ধ্যা, এমনকি কেস বন্ধী করানোর পরও কোনো ডাক্তার আপনাকে একথা বলতে পারবে না যে, ঐ ব্যক্তি কখনো পিতা হতে পারবে না। এ কারণে এ অবস্থায়ও বাচ্চাকে সনাক্ত করার মধ্যে সন্দেহ এসে যায়। দ্বিতীয় কেস এরূপ যে, যদি স্বামী কোনো দুর্ঘটনায় পতিত হয় অথবা তার কঠিন পীড়া হয়, তাতেও কি স্ত্রী দ্বিতীয় স্বামী গ্রহণ করতে পারবে না? একথার বিশ্লেষণ করা যাক। যদি স্বামী অসুস্থ থাকে সে প্রয়োজনীয় কাজ সরঞ্জাম দিতে না পারে এবং নিজ বংশ রক্ষার দায়িত্বও পালন করতে অক্ষম হয় এবং স্ত্রীকে পরিতুষ্টি দিতে অক্ষম হয়।
প্রথম অবস্থায় যদি বাচ্চা এবং বিবির প্রয়োজন পূরণ করতে না পারে, সে যাকাত গ্রহণ করতে পারে। চিকিৎসা বিজ্ঞান আমাকে বলে যে, স্ত্রীর শারীরিক বিষয়ে স্বামীর প্রয়োজন ততটা নয়। এরপরও যদি সে সন্তুষ্ট না হয় তাহলে খুলা তালাক গ্রহণ করতে পারে। এখানে স্ত্রীর জন্য খুলা তালাক গ্রহণ করাই উত্তম। কেননা যখন স্ত্রী তালাক নেয় তখন সে স্বাস্থ্যবতী হয়ে থাকে। দ্বিতীয় অবস্থায় যদি সে মায়ুর বা রোগী হয় এ অবস্থায় সে যদি তালাকও নেয় তাহলে কে তাকে বিয়ে করবে?