১
ইসলামের উপর ৪০টি অভিযোগ এবং তার প্রমাণ ভিত্তিক জবাব
লেখকঃ ডা. জাকির নায়েক • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৩০
প্রশ্ন-২৯. কুরআনের এক স্থানে বলা হয়েছে মানুষকে বীর্য থেকে সৃষ্টি করা হয়েছে। অন্যত্র বলা হয়েছে মানুষকে মাটি দ্বারা সৃষ্টি করা হয়েছে। আপনি বৈজ্ঞানিকভাবে কীভাবে প্রমাণ করবেন যে, মানুষকে মাটি দ্বারা সৃষ্টি করা হয়েছে?
উত্তর : কুরআনে করীমে মানুষকে তুচ্ছ শুরুর দিকে ইঙ্গিত করা হয়েছে এবং একে একথা বলা হয়েছে যে, সে এক ফোঁটা বীর্য থেকে সৃষ্ট। একথা বহু আয়াতে বলা হয়েছে। যার মধ্যে ৭৫ নং সূরা কিয়ামাহর ৩৭ নং আয়াতে বলা হয়েছে
অর্থ : সে কি এক ফোটা স্থলিত শুক্রবিন্দু ছিল না? কুরআনের বহু স্থানে একথাও বলা হয়েছে যে, মানবজাতিকে মাটি থেকে সৃষ্টি করা হয়েছে। ২২ নং সূরা হাজ্জ এর ৫ নং আয়াতে এদিকে ইঙ্গিত করা হয়েছে
অর্থ : হে মানুষ, পুনর্জীবন সম্পর্কে যদি তোমাদের কোনো সন্দেহ থাকে তাহলে (ভেবে দেখ) আমি তোমাদের মাটি থেকে সৃষ্টি করেছি। আজকের এ সময়ে আমরা জানি যে, মানব দেহের উপাদান যার মাধ্যমে অস্তিত্বে এসেছে সবই কম-বেশি কিছু পরিমাণ মাটি অন্তর্ভুক্ত আছে। এ কারণে এ কুরআনের আয়াতের বৈজ্ঞানিক ইঙ্গিত আছে যাতে বলা হয়েছে যে, মানুষকে মাটি থেকে সৃষ্টি করা হয়েছে।
আল কুরআনের কিছু আয়াতে বলা হয়েছে যে, মানুষকে বীর্যের ফোঁটা দ্বারা সৃষ্টি করা হয়েছে এবং অপর আয়াতে এটাও বলা হয়েছে যে, মানুষকে মাটি থেকে পয়দা করা হয়েছে। তো এ উভয় কথার মধ্যে কোনো বৈপরীত্য নেই। বৈপরীত্য তাকে বলে যা পরস্পর বিরোধী অর্থাৎ এক সময়ে দুটি সত্য হতে পারে না। এমন কিছু স্থানে কুরআনে মানুষকে পানি থেকে সৃষ্টি করা হয়েছে বলা হয়েছে। যেমন ২৫ নং সূরা ফুরকানের ৫৪ নং আয়াতে
অর্থ : তিনিই সেই সত্তা যিনি মানুষকে পানি থেকে সৃষ্টি করেছেন। বিজ্ঞান এ তিন কথারই সত্যায়ন করে। মানুষকে বীর্য, মাটি ও পানি এ তিন জিনিস দিয়েই সৃষ্টি করা হয়েছে। ধরুন, আমি বললাম, এক কাপ চা তৈরি করতে পানি ব্যবহৃত হয়। এতদসত্ত্বেও চায়ের পাতা এবং দুধ অথবা পাউডারও চাই। এ দুই বক্তব্য বিপরীত নয়। কারণ চা তৈরির জন্য পানি এবং চায়ের পাতি দুই-ই প্রয়োজন। এর অতিরিক্ত যদি আমি মিষ্টি চা বানাতে চাই তাহলে চিনিও লাগবে। এজন্য কুরআন যখন বলে মানুষকে ধাতু, মাটি অথবা পানি থেকে বানানো হয়েছে, তো এর মধ্যে কোনো বৈপরীত্য নেই বরং তিন কথার মধ্যেই বৈশিষ্ট্য চালু আছে।
Contradistinction বা বৈশিষ্ট্য হলো এই যে, এক বিষয়ের ওপর এমন দু'ধারণার বিষয়ে কথা বলা যা পরস্পর বিপরীত নয়। উদাহরণস্বরূপ, আমি যদি বলি মানুষ সর্বদা সত্য কথা বলে এবং এর স্বভাব মিথ্যার। তবে এটা বিপরীত বক্তব্য হবে। তবে যদি বলি মানুষ দ্বীনদার, দয়ালু এবং ভালোবাসাসম্পন্ন, তাহলে এর দুই বিভিন্ন গুণের বৈশিষ্ট্য বর্ণনাকারীর বর্ণনা হবে।
অর্থ : সে কি এক ফোটা স্থলিত শুক্রবিন্দু ছিল না? কুরআনের বহু স্থানে একথাও বলা হয়েছে যে, মানবজাতিকে মাটি থেকে সৃষ্টি করা হয়েছে। ২২ নং সূরা হাজ্জ এর ৫ নং আয়াতে এদিকে ইঙ্গিত করা হয়েছে
অর্থ : হে মানুষ, পুনর্জীবন সম্পর্কে যদি তোমাদের কোনো সন্দেহ থাকে তাহলে (ভেবে দেখ) আমি তোমাদের মাটি থেকে সৃষ্টি করেছি। আজকের এ সময়ে আমরা জানি যে, মানব দেহের উপাদান যার মাধ্যমে অস্তিত্বে এসেছে সবই কম-বেশি কিছু পরিমাণ মাটি অন্তর্ভুক্ত আছে। এ কারণে এ কুরআনের আয়াতের বৈজ্ঞানিক ইঙ্গিত আছে যাতে বলা হয়েছে যে, মানুষকে মাটি থেকে সৃষ্টি করা হয়েছে।
আল কুরআনের কিছু আয়াতে বলা হয়েছে যে, মানুষকে বীর্যের ফোঁটা দ্বারা সৃষ্টি করা হয়েছে এবং অপর আয়াতে এটাও বলা হয়েছে যে, মানুষকে মাটি থেকে পয়দা করা হয়েছে। তো এ উভয় কথার মধ্যে কোনো বৈপরীত্য নেই। বৈপরীত্য তাকে বলে যা পরস্পর বিরোধী অর্থাৎ এক সময়ে দুটি সত্য হতে পারে না। এমন কিছু স্থানে কুরআনে মানুষকে পানি থেকে সৃষ্টি করা হয়েছে বলা হয়েছে। যেমন ২৫ নং সূরা ফুরকানের ৫৪ নং আয়াতে
অর্থ : তিনিই সেই সত্তা যিনি মানুষকে পানি থেকে সৃষ্টি করেছেন। বিজ্ঞান এ তিন কথারই সত্যায়ন করে। মানুষকে বীর্য, মাটি ও পানি এ তিন জিনিস দিয়েই সৃষ্টি করা হয়েছে। ধরুন, আমি বললাম, এক কাপ চা তৈরি করতে পানি ব্যবহৃত হয়। এতদসত্ত্বেও চায়ের পাতা এবং দুধ অথবা পাউডারও চাই। এ দুই বক্তব্য বিপরীত নয়। কারণ চা তৈরির জন্য পানি এবং চায়ের পাতি দুই-ই প্রয়োজন। এর অতিরিক্ত যদি আমি মিষ্টি চা বানাতে চাই তাহলে চিনিও লাগবে। এজন্য কুরআন যখন বলে মানুষকে ধাতু, মাটি অথবা পানি থেকে বানানো হয়েছে, তো এর মধ্যে কোনো বৈপরীত্য নেই বরং তিন কথার মধ্যেই বৈশিষ্ট্য চালু আছে।
Contradistinction বা বৈশিষ্ট্য হলো এই যে, এক বিষয়ের ওপর এমন দু'ধারণার বিষয়ে কথা বলা যা পরস্পর বিপরীত নয়। উদাহরণস্বরূপ, আমি যদি বলি মানুষ সর্বদা সত্য কথা বলে এবং এর স্বভাব মিথ্যার। তবে এটা বিপরীত বক্তব্য হবে। তবে যদি বলি মানুষ দ্বীনদার, দয়ালু এবং ভালোবাসাসম্পন্ন, তাহলে এর দুই বিভিন্ন গুণের বৈশিষ্ট্য বর্ণনাকারীর বর্ণনা হবে।