১
ইসলামের উপর ৪০টি অভিযোগ এবং তার প্রমাণ ভিত্তিক জবাব
লেখকঃ ডা. জাকির নায়েক • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ২৮
প্রশ্ন-২৭. আল কুরআনে বলা হয়েছে মায়ের গর্ভে যে বাচ্চা তার সম্পর্কে শুধু আল্লাহই জানতে পারেন। কিন্তু আজ বিজ্ঞান যথেষ্ট উন্নতি লাভ করেছে এবং আমরা সহজেই আলট্রাসনোগ্রামের মাধ্যমে বাচ্চার ছেলে-মেয়ে হওয়া সম্পর্কে জেনে ফেলছি। কুরআনের আয়াত কি চিকিৎসা বিজ্ঞানের পরিপন্থী নয়?
উত্তর : আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআলা সর্বময় ক্ষমতার অধিকারী। সর্ব বিষয়ে জ্ঞাত ও খবর রাখেন। তিনি কিছু বিষয়ের জ্ঞান মানুষকে দিয়েছেন কিন্তু সকল দৃশ্য অদৃশ্য বিষয়ের জ্ঞান কেবল তারই। কিছু লোক এটা বুঝেছেন যে, আল কুরআন এ দাবি করে যে, আল্লাহ তাআলাই শুধু মায়ের উদরে যে সন্তান আছে তার ছেলে-মেয়ে সম্পর্কে জানেন। আল কুরআনের ৩১ নং সূরা লুকমানের ৩৪ নং
আয়াতে বলা হয়েছে
অর্থ : অবশ্যই আল্লাহ তাআলার কাছে কিয়ামতের আগমন জ্ঞান আছে, তিনি বৃষ্টি বর্ষণ করেন, তিনিই জানেন যা গর্ভাশয়ে বিদ্যমান আছে। কোনো মানুষই বলতে পারে না আগামিকাল সে কি অর্জন করবে এবং কোথায় মৃত্যুবরণ করবে। নিশ্চয়ই আল্লাহ তাআলা সবকিছু জানেন। আজ বিজ্ঞানের উন্নতি সাধিত হয়েছে এবং আন্ট্রাসনোগ্রামের মাধ্যমে মায়ের উদরের সন্তানের লিঙ্গ (নারী-পুরুষ) সম্পর্কে সহজে নির্ধারণ করা যাচ্ছে।
একথা ঠিক যে, এ আয়াতের বিভিন্ন ব্যাখ্যা ও অনুবাদের মধ্যে একথাও বলা হয়েছে যে, শুধু আল্লাহই জানেন মায়ের গর্ভে অবস্থিত বাচ্চা ছেলে না মেয়ে। কিন্তু আপনি এ আয়াতের আরবি মতন (মূল) বিশ্লেষণ করে দেখতে পাবেন যে, ইংরেজি শব্দ Sex-এর কোনো আরবি শব্দ ব্যবহৃত হয় নি। মূলত কুরআনে যা বলেছে তাহলো গর্ভে যা আছে তার জ্ঞান কেবল আল্লাহ তাআলারই আছে।
অনেক তাফসীরকারকদের ভুল হয়েছে, তারা এর অর্থ এটা বুঝেছেন যে, আল্লাহ তাআলা মাতৃগর্ভের বাচ্চার Sex সম্পর্কে জানেন। একথা ঠিক নয়, এখানে লিঙ্গের দিকে ইঙ্গিত করা হয় নি। বরং ইঙ্গিত এ দিকে যে, মাতৃজঠরের বাচ্চার প্রকৃতি কী হবে। সে কি স্বীয় পিতা-মাতার জন্য বরকত ও সৌভাগ্যের কারণ হবে নাকি দুর্ভাগ্যের। সে কি সমাজের জন্য করুণার কারণ হবে নাকি শাস্তির। সে কি সৎ হবে নাকি অসৎ, সে জান্নাতে যাবে না জাহান্নামে। এ সকল বক্তব্যের জ্ঞান একমাত্র আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআলারই। দুনিয়ার কোনো বৈজ্ঞানিক যন্ত্রপাতি এ পর্যায়ে উন্নতি হয়নি যার দ্বারা এ সকল প্রশ্নোত্তর বা সমাধান করতে পারে।
আয়াতে বলা হয়েছে
অর্থ : অবশ্যই আল্লাহ তাআলার কাছে কিয়ামতের আগমন জ্ঞান আছে, তিনি বৃষ্টি বর্ষণ করেন, তিনিই জানেন যা গর্ভাশয়ে বিদ্যমান আছে। কোনো মানুষই বলতে পারে না আগামিকাল সে কি অর্জন করবে এবং কোথায় মৃত্যুবরণ করবে। নিশ্চয়ই আল্লাহ তাআলা সবকিছু জানেন। আজ বিজ্ঞানের উন্নতি সাধিত হয়েছে এবং আন্ট্রাসনোগ্রামের মাধ্যমে মায়ের উদরের সন্তানের লিঙ্গ (নারী-পুরুষ) সম্পর্কে সহজে নির্ধারণ করা যাচ্ছে।
একথা ঠিক যে, এ আয়াতের বিভিন্ন ব্যাখ্যা ও অনুবাদের মধ্যে একথাও বলা হয়েছে যে, শুধু আল্লাহই জানেন মায়ের গর্ভে অবস্থিত বাচ্চা ছেলে না মেয়ে। কিন্তু আপনি এ আয়াতের আরবি মতন (মূল) বিশ্লেষণ করে দেখতে পাবেন যে, ইংরেজি শব্দ Sex-এর কোনো আরবি শব্দ ব্যবহৃত হয় নি। মূলত কুরআনে যা বলেছে তাহলো গর্ভে যা আছে তার জ্ঞান কেবল আল্লাহ তাআলারই আছে।
অনেক তাফসীরকারকদের ভুল হয়েছে, তারা এর অর্থ এটা বুঝেছেন যে, আল্লাহ তাআলা মাতৃগর্ভের বাচ্চার Sex সম্পর্কে জানেন। একথা ঠিক নয়, এখানে লিঙ্গের দিকে ইঙ্গিত করা হয় নি। বরং ইঙ্গিত এ দিকে যে, মাতৃজঠরের বাচ্চার প্রকৃতি কী হবে। সে কি স্বীয় পিতা-মাতার জন্য বরকত ও সৌভাগ্যের কারণ হবে নাকি দুর্ভাগ্যের। সে কি সমাজের জন্য করুণার কারণ হবে নাকি শাস্তির। সে কি সৎ হবে নাকি অসৎ, সে জান্নাতে যাবে না জাহান্নামে। এ সকল বক্তব্যের জ্ঞান একমাত্র আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআলারই। দুনিয়ার কোনো বৈজ্ঞানিক যন্ত্রপাতি এ পর্যায়ে উন্নতি হয়নি যার দ্বারা এ সকল প্রশ্নোত্তর বা সমাধান করতে পারে।