১
ইসলামের উপর ৪০টি অভিযোগ এবং তার প্রমাণ ভিত্তিক জবাব
লেখকঃ ডা. জাকির নায়েক • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৩২
প্রশ্ন-৩১. আল কুরআনে একটি আয়াত রয়েছে যাতে একথা এসেছে যে, আল্লাহ দুই মাশরিক ও দুই মাগরিব-এর মালিক। আপনি এ কুরআনের আয়াতের কী বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা পেশ করবেন?
উত্তর : আল কুরআনে এটা রয়েছে যে, আল্লাহ তাআলা দুই মাশরিক ও দুই মাগরিবের রব। কুরআনের ৫৫ নং সূরা আর রহমানের ১৭ নং আয়াতে ইরশাদ হচ্ছে
অর্থ : দুই মাশরিক ও দুই মাগরিবের রব। আরবিতে ১-২ এবং ১ শব্দদ্বয়ের দ্বিবচন ব্যবহার করা হয়েছে। এর উদ্দেশ্য হলো আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআলা দুই মাশরিক ও দুই মাগরিবের রব। ভূগোল ও বিজ্ঞান থেকে আমরা এ
তথ্য জানতে পারি যে, সূর্য পূর্ব দিকে উদিত হয়। কিন্তু এর উদয়স্থল সারা বছর পরিবর্তন হতে থাকে। বছরে দুবার ২১ মার্চ এবং ২৩ সেপ্টেম্বর যা (বসন্ত ও শরতের মাঝে) এর নামে প্রসিদ্ধ এবং তারিখও আছে যখন সূর্য সম্পূর্ণ পূর্ব দিক থেকে উদয় হয় অর্থাৎ মধ্য ক্রান্তির ওপর ভ্রমণ করে। বাকি দিনগুলোতে সম্পূর্ণ পূর্ব থেকে কিছুটা উত্তর বা দক্ষিণ দিকে থেকে উদয় হয়। গ্রীষ্মের মওসুমে ২২ জুন সূর্য পূর্বের এক প্রান্ত থেকে কর্কটক্রান্তির ওপর পরিভ্রমণ করে বের হয়।
শীত মওসুমেও একদিন ২২ ডিসেম্বর পূর্বের দ্বিতীয় প্রান্ত মকরক্রান্তির ওপর পরিভ্রমণ করে বের হয়। এভাবে সূর্য গ্রীষ্মে ২২ জুন এবং শীতে ২২ ডিসেম্বর পশ্চিমের দুভিন্ন স্থানে অস্ত যায়। প্রকৃতির এ দৃশ্য কোনো শহরের লোক সহজে দেখতে পারে অথবা কেউ উঁচু বিল্ডিং থেকে উদয় ও অস্তের এ দৃশ্য দেখে থাকে। আপনি দেখবেন যে, সূর্য গরমে ২২ জুন পূর্বের এক প্রান্ত থেকে বের হয় এবং ঠাণ্ডায় ২২ ডিসেম্বর অন্য প্রান্ত থেকে বের হয়।
সংক্ষেপে এই যে, সূর্য সারা বছর পূর্বের বিভিন্ন স্থান থেকে বের হয় এবং পশ্চিমের বিভিন্ন স্থানে অস্তমিত হতে থাকে। এজন্য আল কুরআনে যখন আল্লাহ তাআলার উল্লেখ দুই পূর্ব ও দুই পশ্চিমের রব হিসেবে করে তখন তার এ উদ্দেশ্য হয় যে, আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআলা পূর্ব-পশ্চিমের দুই প্রান্তের সংরক্ষক ও মালিক। আরবিতে বহুবচনের দুটি সীগাহ (শব্দ ও ওযন) এক হলো তাসনিয়ার জমা অর্থাৎ দুই এর জন্য। দ্বিতীয় হলো দু'এর অধিক এর জন্য। সূরা আর রহমানের ১৭ নং আয়াতে এবং শব্দ ব্যবহৃত হয়েছে যা দ্বি-বহুবচনের শব্দ। এর উদ্দেশ্য দুই মাগরিব ও দুই মাশরিক। ৭০ নং সূরা মায়ারিজের ৪০ নং আয়াতে আছে
অর্থ : কখনোই নয়। আমি উদয়াচল ও অস্থাচলসমূহের মালিকের শপথ করছি। নিশ্চয়ই আমি সক্ষম। এ আয়াতে পূর্ব ও পশ্চিমের জন্য,ও শব্দদ্বয় ব্যবহৃত হয়েছে এবং দুয়ের অধিক প্রকাশ করছে। এ থেকে আমরা এ ফলাফল বের করতে চাই যে, আল কুরআনে আল্লাহ তায়ালার উল্লেখ সকল পূর্ব-পশ্চিমের স্থানগুলোর প্রতিপালক (১) ও মালিক হওয়ার সাথে সাথে পূর্ব-পশ্চিমের দুই শেষ প্রান্তের মালিক এবং রব।
অর্থ : দুই মাশরিক ও দুই মাগরিবের রব। আরবিতে ১-২ এবং ১ শব্দদ্বয়ের দ্বিবচন ব্যবহার করা হয়েছে। এর উদ্দেশ্য হলো আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআলা দুই মাশরিক ও দুই মাগরিবের রব। ভূগোল ও বিজ্ঞান থেকে আমরা এ
তথ্য জানতে পারি যে, সূর্য পূর্ব দিকে উদিত হয়। কিন্তু এর উদয়স্থল সারা বছর পরিবর্তন হতে থাকে। বছরে দুবার ২১ মার্চ এবং ২৩ সেপ্টেম্বর যা (বসন্ত ও শরতের মাঝে) এর নামে প্রসিদ্ধ এবং তারিখও আছে যখন সূর্য সম্পূর্ণ পূর্ব দিক থেকে উদয় হয় অর্থাৎ মধ্য ক্রান্তির ওপর ভ্রমণ করে। বাকি দিনগুলোতে সম্পূর্ণ পূর্ব থেকে কিছুটা উত্তর বা দক্ষিণ দিকে থেকে উদয় হয়। গ্রীষ্মের মওসুমে ২২ জুন সূর্য পূর্বের এক প্রান্ত থেকে কর্কটক্রান্তির ওপর পরিভ্রমণ করে বের হয়।
শীত মওসুমেও একদিন ২২ ডিসেম্বর পূর্বের দ্বিতীয় প্রান্ত মকরক্রান্তির ওপর পরিভ্রমণ করে বের হয়। এভাবে সূর্য গ্রীষ্মে ২২ জুন এবং শীতে ২২ ডিসেম্বর পশ্চিমের দুভিন্ন স্থানে অস্ত যায়। প্রকৃতির এ দৃশ্য কোনো শহরের লোক সহজে দেখতে পারে অথবা কেউ উঁচু বিল্ডিং থেকে উদয় ও অস্তের এ দৃশ্য দেখে থাকে। আপনি দেখবেন যে, সূর্য গরমে ২২ জুন পূর্বের এক প্রান্ত থেকে বের হয় এবং ঠাণ্ডায় ২২ ডিসেম্বর অন্য প্রান্ত থেকে বের হয়।
সংক্ষেপে এই যে, সূর্য সারা বছর পূর্বের বিভিন্ন স্থান থেকে বের হয় এবং পশ্চিমের বিভিন্ন স্থানে অস্তমিত হতে থাকে। এজন্য আল কুরআনে যখন আল্লাহ তাআলার উল্লেখ দুই পূর্ব ও দুই পশ্চিমের রব হিসেবে করে তখন তার এ উদ্দেশ্য হয় যে, আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআলা পূর্ব-পশ্চিমের দুই প্রান্তের সংরক্ষক ও মালিক। আরবিতে বহুবচনের দুটি সীগাহ (শব্দ ও ওযন) এক হলো তাসনিয়ার জমা অর্থাৎ দুই এর জন্য। দ্বিতীয় হলো দু'এর অধিক এর জন্য। সূরা আর রহমানের ১৭ নং আয়াতে এবং শব্দ ব্যবহৃত হয়েছে যা দ্বি-বহুবচনের শব্দ। এর উদ্দেশ্য দুই মাগরিব ও দুই মাশরিক। ৭০ নং সূরা মায়ারিজের ৪০ নং আয়াতে আছে
অর্থ : কখনোই নয়। আমি উদয়াচল ও অস্থাচলসমূহের মালিকের শপথ করছি। নিশ্চয়ই আমি সক্ষম। এ আয়াতে পূর্ব ও পশ্চিমের জন্য,ও শব্দদ্বয় ব্যবহৃত হয়েছে এবং দুয়ের অধিক প্রকাশ করছে। এ থেকে আমরা এ ফলাফল বের করতে চাই যে, আল কুরআনে আল্লাহ তায়ালার উল্লেখ সকল পূর্ব-পশ্চিমের স্থানগুলোর প্রতিপালক (১) ও মালিক হওয়ার সাথে সাথে পূর্ব-পশ্চিমের দুই শেষ প্রান্তের মালিক এবং রব।