১
ইসলামের উপর ৪০টি অভিযোগ এবং তার প্রমাণ ভিত্তিক জবাব
লেখকঃ ডা. জাকির নায়েক • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৩৫
প্রশ্ন-৩৪. যদি আল্লাহ তাআলা কাফিরদের দিলে মোহর মেরে থাকেন তাহলে ইসলাম গ্রহণ না করার কারণে তাকে অপরাধী কীভাবে মেনে নেওয়া যায়?
উত্তর : আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআলা সূরা বাকারার ৬-৭ নং আয়াতে ইরশাদ করেন
অর্থ : নিশ্চয়ই যারা অস্বীকারকারী, তাদের তুমি ভীতি প্রদর্শন কর আর না কর উভয়টাই সমান। এরা কখনো ঈমান আনবে না। (ক্রমাগত কুফরী করার কারণে) আল্লাহ তাআলা তাদের মন, মগজ ও শ্রবণশক্তির ওপর মোহর মেরে দিয়েছেন। এদের দৃষ্টিশক্তির ওপরও আবরণ পড়ে আছে। তাদের জন্য রয়েছে (পরকালের) প্রচণ্ড শাস্তি। এ আয়াতগুলো সাধারণ কাফিরদের জন্য নয়, যে ঈমান আনে নি। আল কুরআনে এজন্য শব্দাবলি ব্যবহৃত হয়েছে, এর দ্বারা উদ্দেশ্য ঐ সকল লোক যারা সত্যকে মিথ্যা প্রমাণের জন্য উঠে পড়ে লেগে আছে।
মুহাম্মদ (সাঃ) কে সম্বোধন করে বলা হয়েছে তুমি তাদের ভয় দেখাও বা না দেখাও সব সমান তারা ঈমান আনবে না। আল্লাহ তায়ালা এদের হৃদয়ের ওপর মোহর মেরে দিয়েছেন এবং এদের কান ও চোখের ওপর পর্দা দিয়েছেন। তাদের অন্তরের ওপর মোহর ও চোখের ওপর পর্দা দেয়ার কারণে তারা ঈমান আনেনি ব্যাপারটা তা নয় বরং ব্যাপারটা এর উল্টো। এর কারণ এই যে, এ কাফির সকল অবস্থায় সত্যকে মিথ্যা প্রমাণের জন্য লেগে থাকে এবং আপনি তাদের ভয় দেখান আর নাই দেখান তারা ঈমান আনবে না, এজন্য এর দায়িত্ব আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআলার নয় বরং কাফির নিজের। ধরুন! এক শিক্ষক ফাইনাল পরীক্ষার আগে বলল, অমুক ছাত্র পরীক্ষায় ফেল করবে, এজন্য যে, সে খুব দুষ্ট, পড়ার দিকে মনোযোগ নেই, নিজ চিন্তা ও
মনোযোগ পরিপূর্ণ করে না। যদি এ ছাত্র পরীক্ষায় ফেল করে তাহলে এ দোষ কার ওপর পড়বে শিক্ষকের ওপর নাকি ছাত্রের ওপর শিক্ষক তো এর ব্যাপারে অগ্রিম কথা বলেছেন, এজন্য তাকে দোষারোপ করা যাবে না। এরূপ আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআলারও প্রথম থেকে জানা আছে যে, কিছু লোক এমনও আছে যারা সত্যকে মিথ্যা প্রমাণের চেষ্টারত এবং আল্লাহ তাআলা তাদের হৃদয়ের ওপর মোহর মেরে দিয়েছেন এজন্য অমুসলিমদের ঈমান এবং আল্লাহ তাআলা থেকে মুখ ফিরিয়ে নেবার দায়িত্ব তাদেরই।
অর্থ : নিশ্চয়ই যারা অস্বীকারকারী, তাদের তুমি ভীতি প্রদর্শন কর আর না কর উভয়টাই সমান। এরা কখনো ঈমান আনবে না। (ক্রমাগত কুফরী করার কারণে) আল্লাহ তাআলা তাদের মন, মগজ ও শ্রবণশক্তির ওপর মোহর মেরে দিয়েছেন। এদের দৃষ্টিশক্তির ওপরও আবরণ পড়ে আছে। তাদের জন্য রয়েছে (পরকালের) প্রচণ্ড শাস্তি। এ আয়াতগুলো সাধারণ কাফিরদের জন্য নয়, যে ঈমান আনে নি। আল কুরআনে এজন্য শব্দাবলি ব্যবহৃত হয়েছে, এর দ্বারা উদ্দেশ্য ঐ সকল লোক যারা সত্যকে মিথ্যা প্রমাণের জন্য উঠে পড়ে লেগে আছে।
মুহাম্মদ (সাঃ) কে সম্বোধন করে বলা হয়েছে তুমি তাদের ভয় দেখাও বা না দেখাও সব সমান তারা ঈমান আনবে না। আল্লাহ তায়ালা এদের হৃদয়ের ওপর মোহর মেরে দিয়েছেন এবং এদের কান ও চোখের ওপর পর্দা দিয়েছেন। তাদের অন্তরের ওপর মোহর ও চোখের ওপর পর্দা দেয়ার কারণে তারা ঈমান আনেনি ব্যাপারটা তা নয় বরং ব্যাপারটা এর উল্টো। এর কারণ এই যে, এ কাফির সকল অবস্থায় সত্যকে মিথ্যা প্রমাণের জন্য লেগে থাকে এবং আপনি তাদের ভয় দেখান আর নাই দেখান তারা ঈমান আনবে না, এজন্য এর দায়িত্ব আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআলার নয় বরং কাফির নিজের। ধরুন! এক শিক্ষক ফাইনাল পরীক্ষার আগে বলল, অমুক ছাত্র পরীক্ষায় ফেল করবে, এজন্য যে, সে খুব দুষ্ট, পড়ার দিকে মনোযোগ নেই, নিজ চিন্তা ও
মনোযোগ পরিপূর্ণ করে না। যদি এ ছাত্র পরীক্ষায় ফেল করে তাহলে এ দোষ কার ওপর পড়বে শিক্ষকের ওপর নাকি ছাত্রের ওপর শিক্ষক তো এর ব্যাপারে অগ্রিম কথা বলেছেন, এজন্য তাকে দোষারোপ করা যাবে না। এরূপ আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআলারও প্রথম থেকে জানা আছে যে, কিছু লোক এমনও আছে যারা সত্যকে মিথ্যা প্রমাণের চেষ্টারত এবং আল্লাহ তাআলা তাদের হৃদয়ের ওপর মোহর মেরে দিয়েছেন এজন্য অমুসলিমদের ঈমান এবং আল্লাহ তাআলা থেকে মুখ ফিরিয়ে নেবার দায়িত্ব তাদেরই।