১
ইসলামের উপর ৪০টি অভিযোগ এবং তার প্রমাণ ভিত্তিক জবাব
লেখকঃ ডা. জাকির নায়েক • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৪১
প্রশ্ন-৪০. একথা কি সঠিক নয় যে, কুরআনের সূরা মারইয়ামের ৩৩ নং আয়াতে একথা বলা হয়েছে যে, ঈসা মসীহ ইন্তেকাল করলেন অতঃপর জীবিত করলেন এবং উঠিয়ে নিলেন?
উত্তর : আল কুরআনে একথা কখনো বলা হয় নি যে, ঈসা আলাইহি সাল্লাম ফওত হয়ে ছিলেন বরং তাঁর সম্পর্কে যে কথা বলা হয়েছে তাতে ভবিষ্যতের শব্দ ব্যবহৃত হয়েছে। ১৯ নং সূরা মারইয়ামের ৩৩ নং আয়াতে বলা হয়েছে
অর্থ : আমার ওপর শান্তি যেদিন জন্মগ্রহণ করেছি, যেদিন মৃত্যুবরণ করবো, যেদিন পুনরায় উথিত হবো। কুরআনে একথা বলা হয়েছে যে, শান্তি আমার ওপর যেদিন আমি জন্মলাভ করেছি। যেদিন আমি মরবো।' একথা বলা হয় নি যে, যেদিন আমি মরে গিয়েছিলাম। এখানে ভবিষ্যতের শব্দ ব্যবহৃত হয়েছে। অতীতকালের নয়, আল কুরআনের ৪ নং সূরার ১৫৭ ও ১৫৮ নং আয়াতে আরো কিছু বাড়িয়ে বলা হয়েছে
অর্থ: তাদের উক্তি যে আমরা অবশ্যই মারইয়ামের পুত্র ঈসাকে হত্যা করেছি। তারা কখনোই তাকে হত্যা করে নি। তারা তাকে শূলবিদ্ধও করে নি। তাদের নিকট এমন কিছু একটা মনে হয়েছিল। তারা মতবিরোধ করেছিল, তারাও এতে সন্দেহে পড়ে গেল। এ ব্যাপারে অনুমানের অনুসরণ ছাড়া তাদের কোনো জ্ঞানই ছিল না।
এটা নিশ্চিত যে, তারা তাকে হত্যা করে নি। বরং (মূল ঘটনা হলো) আল্লাহ তাআলা তাঁকে তাঁর নিজের কাছেই তুলে নিয়েছেন। আল্লাহ তাআলা মহাপরাক্রমশালী ও প্রজ্ঞাময়। মূলত আল্লাহ তাআলা ঈসা আলাইহি সাল্লাম-কে ইহুদিদের নিকৃষ্ট ষড়যন্ত্র থেকে বাঁচিয়ে জীবন্ত আসমানে উঠিয়ে নিয়েছিলেন। কিয়ামতের নিকটবর্তী সময়ে তিনি পৃথিবীতে অবতরণ করবেন। এ সময় তিনি দাজ্জালের ফিতনা শেষ করবেন এবং সারা পৃথিবীতে আল্লাহ তাআলার দ্বীন ইসলামকে বিজয়ী করে ইন্তিকাল করবেন।
সমাপ্ত
অর্থ : আমার ওপর শান্তি যেদিন জন্মগ্রহণ করেছি, যেদিন মৃত্যুবরণ করবো, যেদিন পুনরায় উথিত হবো। কুরআনে একথা বলা হয়েছে যে, শান্তি আমার ওপর যেদিন আমি জন্মলাভ করেছি। যেদিন আমি মরবো।' একথা বলা হয় নি যে, যেদিন আমি মরে গিয়েছিলাম। এখানে ভবিষ্যতের শব্দ ব্যবহৃত হয়েছে। অতীতকালের নয়, আল কুরআনের ৪ নং সূরার ১৫৭ ও ১৫৮ নং আয়াতে আরো কিছু বাড়িয়ে বলা হয়েছে
অর্থ: তাদের উক্তি যে আমরা অবশ্যই মারইয়ামের পুত্র ঈসাকে হত্যা করেছি। তারা কখনোই তাকে হত্যা করে নি। তারা তাকে শূলবিদ্ধও করে নি। তাদের নিকট এমন কিছু একটা মনে হয়েছিল। তারা মতবিরোধ করেছিল, তারাও এতে সন্দেহে পড়ে গেল। এ ব্যাপারে অনুমানের অনুসরণ ছাড়া তাদের কোনো জ্ঞানই ছিল না।
এটা নিশ্চিত যে, তারা তাকে হত্যা করে নি। বরং (মূল ঘটনা হলো) আল্লাহ তাআলা তাঁকে তাঁর নিজের কাছেই তুলে নিয়েছেন। আল্লাহ তাআলা মহাপরাক্রমশালী ও প্রজ্ঞাময়। মূলত আল্লাহ তাআলা ঈসা আলাইহি সাল্লাম-কে ইহুদিদের নিকৃষ্ট ষড়যন্ত্র থেকে বাঁচিয়ে জীবন্ত আসমানে উঠিয়ে নিয়েছিলেন। কিয়ামতের নিকটবর্তী সময়ে তিনি পৃথিবীতে অবতরণ করবেন। এ সময় তিনি দাজ্জালের ফিতনা শেষ করবেন এবং সারা পৃথিবীতে আল্লাহ তাআলার দ্বীন ইসলামকে বিজয়ী করে ইন্তিকাল করবেন।
সমাপ্ত