১
ইসলামের উপর ৪০টি অভিযোগ এবং তার প্রমাণ ভিত্তিক জবাব
লেখকঃ ডা. জাকির নায়েক • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৩
প্রশ্ন-২. ইসলাম মূর্তি পূজা নিষিদ্ধ করে, তবে মুসলমানগণ নিজেদের ইবাদতের ক্ষেত্রে কা'বাকে সামনে রাখে কেন এবং কা'বার পূজা কেন করে?
উত্তর : কা'বা মুসলমানদের কিবলা বা নির্দিষ্ট স্থান। অর্থাৎ তা এমন স্থান যার দিকে মুখ করে নামায পড়তে হয়। মূলকথা এই যে, মুসলমান যদি নামাযে কাবার দিকে মুখ করে, সে কা’বার পূজা করে না, তার ইবাদতও করে না। মুসলমান কেবল আল্লাহকে সামনে রাখে এবং একমাত্র তাঁরই ইবাদত করে। আল-কুরআনের ২নং সূরা বাকারার ১৪৪ নং আয়াতে মহান রব ইরশাদ করেন
অর্থ : আমি দেখতে পেয়েছি আপনি কিবলা পরিবর্তনের জন্য আকাশের দিকে বারবার তাকাতেন সুতরাং আমি আপনার পছন্দমতো কিবলা বানিয়ে দিচ্ছি। এখন থেকে মসজিদে হারামের দিকে কাবার দিকে ফিরে নামায আদায় করুন। ইসলাম একতার ধর্ম। ইসলাম মুসলমানদের মধ্যে একতা ও একমত সৃষ্টির জন্য একটি কিবলা নির্দিষ্ট করে দিয়েছে এবং এ নির্দেশ দিয়েছে যে, যেখানে থাকুন না কেন নামাযের সময় কিবলার দিকে মুখ রাখতে হবে।
যে কা’বার পশ্চিমে থাকবে সে পূর্বদিকে এবং যে কা'বার পূর্ব দিকে থাকবে সে পশ্চিম দিকে মুখ করবে। মুসলমানগণ সর্বপ্রথম দুনিয়ার মানচিত্র তৈরি করেন এবং তাদের মানচিত্রে দক্ষিণ ওপরের দিকে এবং উত্তর নিচের দিকে ছিল এবং এর ফলে কা'বা মধ্যখানে পড়েছিল। এরপর যখন পশ্চিমারা মানচিত্র তৈরি করল তারা উত্তরকে ওপরে এবং দক্ষিণকে নিচের দিকে দেখালো, যেরূপ মানচিত্র আজ দেখা যাচ্ছে। আলহামদুলিল্লাহ। কা'বা শরীফ প্রায় সেই মধ্যখানেই পড়েছে।
যখন মুসলমানগণ মসজিদে হারামে যায় সে তার তাওয়াফ করে এবং এ আমল এক এবং সত্য মাবুদের ইবাদতের এবং ঈমানের প্রতিরূপ বা ছায়া। যার প্রত্যেক চক্করের একই কেন্দ্র থাকে। এভাবে সম্পূর্ণরূপে আল্লাহ তাআলাও একজন। যিনি মাবুদ। যার সাথে হাজরে আসওয়াদের সম্পর্ক, যার সম্পর্কে, ওমর রাদিয়াল্লাহু তা'আলা আনহু-এর একটি হাদীস আছে যে, তিনি হাজরে আসওয়াদ (কালো পাথর)-কে চুম্বন খেলেন এবং বললেন, 'আমি জানি যে, তুমি শুধুই এক খণ্ড পাথর, তুমি কোনো উপকার অথবা ক্ষতি করার ক্ষমতা রাখো না, যদি আমি নবী করীম -কে তোমাকে চুম্বন করতে না দেখতাম, তাহলে আমি তোমাকে চুম্বন করতাম না।' নবী করীম এর সময়ে সাহাবিগণ কা'বার ওপর চড়ে আযান দিতেন। যে ব্যক্তি এ অভিযোগ উত্থাপন করে যে, মুসলমানগণ কাবা শরীফের পূজা করে। এর নিকট প্রশ্ন, এমন কোনো পূজারী আছে কী, যে কিনা কোনো মূর্তির পূজা করে, আবার তার ওপর আরোহণ করে, খাড়া হয় তার ওপর যার সে পূজা করে?
অর্থ : আমি দেখতে পেয়েছি আপনি কিবলা পরিবর্তনের জন্য আকাশের দিকে বারবার তাকাতেন সুতরাং আমি আপনার পছন্দমতো কিবলা বানিয়ে দিচ্ছি। এখন থেকে মসজিদে হারামের দিকে কাবার দিকে ফিরে নামায আদায় করুন। ইসলাম একতার ধর্ম। ইসলাম মুসলমানদের মধ্যে একতা ও একমত সৃষ্টির জন্য একটি কিবলা নির্দিষ্ট করে দিয়েছে এবং এ নির্দেশ দিয়েছে যে, যেখানে থাকুন না কেন নামাযের সময় কিবলার দিকে মুখ রাখতে হবে।
যে কা’বার পশ্চিমে থাকবে সে পূর্বদিকে এবং যে কা'বার পূর্ব দিকে থাকবে সে পশ্চিম দিকে মুখ করবে। মুসলমানগণ সর্বপ্রথম দুনিয়ার মানচিত্র তৈরি করেন এবং তাদের মানচিত্রে দক্ষিণ ওপরের দিকে এবং উত্তর নিচের দিকে ছিল এবং এর ফলে কা'বা মধ্যখানে পড়েছিল। এরপর যখন পশ্চিমারা মানচিত্র তৈরি করল তারা উত্তরকে ওপরে এবং দক্ষিণকে নিচের দিকে দেখালো, যেরূপ মানচিত্র আজ দেখা যাচ্ছে। আলহামদুলিল্লাহ। কা'বা শরীফ প্রায় সেই মধ্যখানেই পড়েছে।
যখন মুসলমানগণ মসজিদে হারামে যায় সে তার তাওয়াফ করে এবং এ আমল এক এবং সত্য মাবুদের ইবাদতের এবং ঈমানের প্রতিরূপ বা ছায়া। যার প্রত্যেক চক্করের একই কেন্দ্র থাকে। এভাবে সম্পূর্ণরূপে আল্লাহ তাআলাও একজন। যিনি মাবুদ। যার সাথে হাজরে আসওয়াদের সম্পর্ক, যার সম্পর্কে, ওমর রাদিয়াল্লাহু তা'আলা আনহু-এর একটি হাদীস আছে যে, তিনি হাজরে আসওয়াদ (কালো পাথর)-কে চুম্বন খেলেন এবং বললেন, 'আমি জানি যে, তুমি শুধুই এক খণ্ড পাথর, তুমি কোনো উপকার অথবা ক্ষতি করার ক্ষমতা রাখো না, যদি আমি নবী করীম -কে তোমাকে চুম্বন করতে না দেখতাম, তাহলে আমি তোমাকে চুম্বন করতাম না।' নবী করীম এর সময়ে সাহাবিগণ কা'বার ওপর চড়ে আযান দিতেন। যে ব্যক্তি এ অভিযোগ উত্থাপন করে যে, মুসলমানগণ কাবা শরীফের পূজা করে। এর নিকট প্রশ্ন, এমন কোনো পূজারী আছে কী, যে কিনা কোনো মূর্তির পূজা করে, আবার তার ওপর আরোহণ করে, খাড়া হয় তার ওপর যার সে পূজা করে?