১
সুন্নাত ও বিদয়াত
লেখকঃ মওলানা মুহাম্মাদ আবদুর রহীম (র.) • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ১২
আকায়েদ ও ফিকাহর দৃষ্টিতে বিদয়াত
আকায়েদ ও ফিকাহর কিতাবাদিতেও `বিদয়াত’ সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। কেননা বিদয়াত ইসলামে এক বড় গর্হিত কাজ এবং সর্বপর্যায়ে তা বর্জন করে চলাই মুমিনের কর্তব্য। সাধারণভাবে মুসলমানদের এ মহা অন্যায় থেকে বাঁচবার জন্যেই এসব কিতাবে বিদয়াত সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করার প্রয়োজন দেখা দিয়েছে। আমরা এখানে কয়েকটি কিতাবের ভাষ্য উল্লেখ করছি।
‘কাশফ বজদূভী’ কিতাবে বলা হয়েছেঃ “বিদয়াত হচ্চে দ্বীন এ নতুন উদ্ভাবিত জিনিস, যা সাহাবায়ে কিরাম ও তাবেয়ীন আমলে আসেন”।
‘শরহে মাক্কাসিদ’ গ্রন্থে বলা হয়েছেঃ ঘৃণিত বিদয়াত বলতে বোঝায় এমন জিনিস, যা দ্বীনের মধ্যে নতুন উদ্ভাবন করা হয়েছে, অথচ তা সাহাবায়ে ও তাবেয়ীন এর জমানায় ছিলনা। আর না শরীয়তের কোন দলীলই তার সমর্থনে রয়েছে।
আল্লামা শিহাবউদ্দীন আফেন্দী লিখিত ‘মাজালিসুল আবরার’ গ্রন্থে বলা হয়েছেঃ জেনে রেখো, বিদয়াত শব্দের দুটো অর্থ। একটি আভিধানিক আর তা হচ্ছে, যে কোনো নতুন জিনিস, তা ইবাদতের জিনিস হোক, কি অভ্যাসগত কোনো ব্যাপার। দ্বিতীয় হচ্ছে শরীয়তী পারিভাষিক অর্থ। এ দৃষ্টিতে বিদয়াত হচ্ছে সাহাবাদের পরে দ্বীন ইসলামের কোনো জিনিস বাড়িয়ে দেয়া কিংবা হ্রাস করা যে সম্পর্কে নবী করীম(স)এর তরফ থেকে কথা কিংবা কাজের দিক দিয়ে স্পষ্ট কিংবা অস্পষ্ট কোনো অনুমতিই পাওয়া যায়না।
‘কাশফ বজদূভী’ কিতাবে বলা হয়েছেঃ “বিদয়াত হচ্চে দ্বীন এ নতুন উদ্ভাবিত জিনিস, যা সাহাবায়ে কিরাম ও তাবেয়ীন আমলে আসেন”।
‘শরহে মাক্কাসিদ’ গ্রন্থে বলা হয়েছেঃ ঘৃণিত বিদয়াত বলতে বোঝায় এমন জিনিস, যা দ্বীনের মধ্যে নতুন উদ্ভাবন করা হয়েছে, অথচ তা সাহাবায়ে ও তাবেয়ীন এর জমানায় ছিলনা। আর না শরীয়তের কোন দলীলই তার সমর্থনে রয়েছে।
আল্লামা শিহাবউদ্দীন আফেন্দী লিখিত ‘মাজালিসুল আবরার’ গ্রন্থে বলা হয়েছেঃ জেনে রেখো, বিদয়াত শব্দের দুটো অর্থ। একটি আভিধানিক আর তা হচ্ছে, যে কোনো নতুন জিনিস, তা ইবাদতের জিনিস হোক, কি অভ্যাসগত কোনো ব্যাপার। দ্বিতীয় হচ্ছে শরীয়তী পারিভাষিক অর্থ। এ দৃষ্টিতে বিদয়াত হচ্ছে সাহাবাদের পরে দ্বীন ইসলামের কোনো জিনিস বাড়িয়ে দেয়া কিংবা হ্রাস করা যে সম্পর্কে নবী করীম(স)এর তরফ থেকে কথা কিংবা কাজের দিক দিয়ে স্পষ্ট কিংবা অস্পষ্ট কোনো অনুমতিই পাওয়া যায়না।