১
সুন্নাত ও বিদয়াত
লেখকঃ মওলানা মুহাম্মাদ আবদুর রহীম (র.) • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৪৭
সমাজে নারীদের প্রাধান্যও বিদয়াত
ইসলামী সমাজে নারীর মর্যাদা সুপ্রতিষ্ঠিত, কুরআন দ্বারা ঘোষিত এবং রাসূলে করীম(স) দ্বারা বাস্তবায়িত। তাতে নারীদের নারী হিসেবে মর্যাদা ও অধিকার পুরোপুরি স্বীকৃত। কিন্তু নারীদের মর্যাদা পুরুষের ওপরে নয়, নীচে-প্রথম নয়, দ্বিতীয়- নিরংকুশ নয়, শর্তাধীন।
এ পর্যায়ে কুরআনের ঘোষণাঃ
الرِّجَالُ قَوَّامُونَ عَلَى النِّسَاءِ بِمَا فَضَّلَ اللَّهُ بَعْضَهُمْ عَلَىٰ بَعْضٍ وَبِمَا أَنفَقُوا مِنْ أَمْوَالِهِمْ ۚ
–পুরুষগণ নারীদের ওপর প্রতিষ্ঠিত। আল্লাহ কতক মানুষকে অপর কতক মানুষের ওপর অধিক মর্যাদা দিয়েছেন এই নিয়মের ভিত্তিতে এবং এজন্যও যে, পুরুষরাই তাদের ধন সম্পদ নারীদের জন্য ব্যয় করে।(আন নিসাঃ৩৪)।
নারীদের তুলনায় পুরুষদের মর্যাদা অধিক হওয়ার একটি কারণ স্বাভাবিক গুণ-বৈশিষ্ট্য-বিশেষত্ত্ব। আর দ্বিতীয়, পরিবার পরিচালনা ও আর্থিক প্রয়োজন পূরণের জন্য নারীদের তুলনায় পুরুষরাই দায়ী-তারাই তা করে থাকে। এটাই পারিবারিক জীবনে ক্ষুদ্র সংকীর্ণ পরিসরে এবং বৃহত্তর সামাজিক-রাজনৈতিক-অর্থনৈতিক-সাংস্কৃতিক ক্ষেত্রে সুষ্ঠুতা ও শৃঙ্খলা বিধানের জন্য কার্য্কর নিয়ম। এর ব্যতিক্রম হলে সামাজিক শৃঙ্খলা চূর্ণ-বিচূর্ণ হতে বাধ্য। তাই রাসূলে করীম(স) বলেছেনঃ (আরবি)
-আমার পরে আমার উম্মতের জন্য সর্বাধিক ক্ষতিকর ফিতনা পুরুষদের ওপর আসতে পারে নারীদের প্রাধান্যের কারণে।
নারী প্রাধান্যের কারণেই বহু সমাজ ও রাষ্ট্র বিপর্য্স্ত হয়েছে; ইতিহাসই তার অকাট্য প্রমাণ।
হযরত আবু বকর(রা) নবী করীম(স) এর এ কথাটি বর্ণনা করেছেনঃ যে জনসমষ্টি তাদের সামষ্টিক গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপার ও কর্তৃত্ব কোনো নারীকে অর্পণ করবে, তারা কখনোই কোনো কল্যাণ লাভ করতে পারবেনা।
আরও বর্ণিত হয়েছেঃ (আরবি)
-পুরুষই যখন নারীদের আনুগত্য করতে থাকে, মনে করো তখনই পুরুষরা ধ্বংসের মধ্যে পড়ে গেছে।
এ কথার সত্যতা যেমন বর্তমান পাশ্চাত্য সমাজের অবস্থা প্রমাণ করে, তেমনি আমাদের এতদ্দেশীয় সমাজ ও পরিবারে অবস্থা থেকেও তার সত্যতা প্রমাণিত হয়। নারীকে যদি নৌকার হাল ধরতে দেয়া হয়, ড্রাইভারকে বসিয়ে যে ড্রাইভিং জানেনা বা যোগ্যতা নেই তাকে মোটর চালনা করতে দিয়ে যে অবস্থা দেখা দেয়, স্বাভাবিক নারী প্রাধান্যের পরিণতিও তা-ই হবে। এটা সুন্নাতে রাসূলের পরিপন্থী। (এটাই সাধারণ সত্য। ব্যতিক্রম থাকা অসম্ভব নয়)।
এ পর্যায়ে কুরআনের ঘোষণাঃ
الرِّجَالُ قَوَّامُونَ عَلَى النِّسَاءِ بِمَا فَضَّلَ اللَّهُ بَعْضَهُمْ عَلَىٰ بَعْضٍ وَبِمَا أَنفَقُوا مِنْ أَمْوَالِهِمْ ۚ
–পুরুষগণ নারীদের ওপর প্রতিষ্ঠিত। আল্লাহ কতক মানুষকে অপর কতক মানুষের ওপর অধিক মর্যাদা দিয়েছেন এই নিয়মের ভিত্তিতে এবং এজন্যও যে, পুরুষরাই তাদের ধন সম্পদ নারীদের জন্য ব্যয় করে।(আন নিসাঃ৩৪)।
নারীদের তুলনায় পুরুষদের মর্যাদা অধিক হওয়ার একটি কারণ স্বাভাবিক গুণ-বৈশিষ্ট্য-বিশেষত্ত্ব। আর দ্বিতীয়, পরিবার পরিচালনা ও আর্থিক প্রয়োজন পূরণের জন্য নারীদের তুলনায় পুরুষরাই দায়ী-তারাই তা করে থাকে। এটাই পারিবারিক জীবনে ক্ষুদ্র সংকীর্ণ পরিসরে এবং বৃহত্তর সামাজিক-রাজনৈতিক-অর্থনৈতিক-সাংস্কৃতিক ক্ষেত্রে সুষ্ঠুতা ও শৃঙ্খলা বিধানের জন্য কার্য্কর নিয়ম। এর ব্যতিক্রম হলে সামাজিক শৃঙ্খলা চূর্ণ-বিচূর্ণ হতে বাধ্য। তাই রাসূলে করীম(স) বলেছেনঃ (আরবি)
-আমার পরে আমার উম্মতের জন্য সর্বাধিক ক্ষতিকর ফিতনা পুরুষদের ওপর আসতে পারে নারীদের প্রাধান্যের কারণে।
নারী প্রাধান্যের কারণেই বহু সমাজ ও রাষ্ট্র বিপর্য্স্ত হয়েছে; ইতিহাসই তার অকাট্য প্রমাণ।
হযরত আবু বকর(রা) নবী করীম(স) এর এ কথাটি বর্ণনা করেছেনঃ যে জনসমষ্টি তাদের সামষ্টিক গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপার ও কর্তৃত্ব কোনো নারীকে অর্পণ করবে, তারা কখনোই কোনো কল্যাণ লাভ করতে পারবেনা।
আরও বর্ণিত হয়েছেঃ (আরবি)
-পুরুষই যখন নারীদের আনুগত্য করতে থাকে, মনে করো তখনই পুরুষরা ধ্বংসের মধ্যে পড়ে গেছে।
এ কথার সত্যতা যেমন বর্তমান পাশ্চাত্য সমাজের অবস্থা প্রমাণ করে, তেমনি আমাদের এতদ্দেশীয় সমাজ ও পরিবারে অবস্থা থেকেও তার সত্যতা প্রমাণিত হয়। নারীকে যদি নৌকার হাল ধরতে দেয়া হয়, ড্রাইভারকে বসিয়ে যে ড্রাইভিং জানেনা বা যোগ্যতা নেই তাকে মোটর চালনা করতে দিয়ে যে অবস্থা দেখা দেয়, স্বাভাবিক নারী প্রাধান্যের পরিণতিও তা-ই হবে। এটা সুন্নাতে রাসূলের পরিপন্থী। (এটাই সাধারণ সত্য। ব্যতিক্রম থাকা অসম্ভব নয়)।