১
ধৈর্য-সবর কখন ও কিভাবে
লেখকঃ আব্দুল্লাহ শহীদ আব্দুর রহমান • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ১২
হাদীসটি থেকে শিক্ষা ও মাসায়েলঃ
১- রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ছিলেন অন্যান্য মানুষের মত রক্ত মাংসে গড়া মানুষ। সাধারণ মানুষ যেমন দুঃখ, কষ্ট রোগ-যন্ত্রণা, মৃত্যু কষ্টে ভোগে তাকেও তা বরদাশত করতে হয়েছে।
২- অন্যান্য মানুষ যেমন মৃত্যু বরণ করে, তিনিও তেমনি মৃত্যু বরণ করেছেন। যেমন আল্লাহ তাআলা তাকে বলেছেনঃ
إِنَّكَ مَيِّتٌ وَإِنَّهُمْ مَيِّتُونَ
‘‘তুমি মৃত্যু বরণ করবে আর তারাও মৃত্যু বরণ করবে।’’ (সূরা যুমার, আয়াত ৩০)
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেনঃ
إنما أنا بشر مثلكم أنسى كما تنسون ( أخرجه البخاري في الصلاة ومسلم في المساجد )
‘‘আমি তোমাদের মত একজন মানুষ। তোমরা যেমন ভুলে যাও, আমিও তেমন ভুলে যাই।’’ (বর্ণনায়ঃ বুখারী ও মুসলিম)
৩- রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর মর্যাদা আরো বৃদ্ধি করার জন্য ও উম্মতকে ধৈর্যের আদর্শ শিক্ষা দেয়ার জন্য তাকে মৃত্যু যন্ত্রণা দেয়া হয়েছে। উম্মত যেন এ কথা মনে না করে যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ছিলেন মহা সূখী মানুষ আমরা তাকে কিভাবে অনুসরণ করি?
৪- রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম মৃত্যু যন্ত্রণায় এতটা কাতর হওয়া সত্বেও ধৈর্যের সর্বোত্তম আদর্শের দৃষ্টান্ত দেখিয়েছেন। অস্থিরতা বা হতাশা প্রকাশ করে, এমন কোন বাক্য তাঁর মুখ থেকে বের হয়নি। ফাতেমা রা. ব্যাকুল হয়ে পড়লেও তাকে শান্তনা দিয়ে বললেন, ‘‘আজকের এ কষ্টের পর তোমার পিতার আর কষ্ট নেই।’’
৫- রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর ইন্তেকালে সময় ফাতেমা রা. ছিলেন তার একমাত্র সন্তান। পিতার মৃত্যুতে তিনি কতখানি শোকে কাতর ছিলেন তা অনুভব করানো যাবে না। তা সত্বেও অধৈর্য প্রকাশ পায় বা আল্লাহর প্রতি অসন্তুষ্টি প্রকাশ পায়, এমন কোন বাক্য তার মুখে শোনা যায়নি। তার যে কথাগুলো এ হাদীসে উল্লেখ করা হয়েছে তা ছন্দ ও অর্থের দিক দিয়ে চমৎকার অভিব্যক্তি। এতে যেমন তার দুঃখ প্রকাশ পেয়েছে তেমনি প্রকাশ পেয়েছে তার ধৈর্য।
৬- রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর জীবদ্দশায় আল্লাহর পক্ষ থেকে ফেরেশতা জিবরীল সর্বদা রাসূলের কাছে অহী নিয়ে আসা যাওয়া করতেন। রাসূলের ইন্তেকালের পর আর তিনি আল্লাহর বাণী নিয়ে পৃথিবীতে আসবেন না। এ কথাটি ব্যক্ত করার জন্য ফাতেমা রা. বলেছেন, ‘আমি জিবরীলকে তার মৃত্যু সংবাদ দিচ্ছি।’
৭- রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর দাফন শেষ হলে ফাতেমা রা. শোকে মুহ্যমান অবস্থায় বললেন, ‘আল্লাহর রাসূলের উপর মাটি রাখতে কি তোমাদের মন সায় দিল?’ এর উত্তর হলো ‘হ্যাঁ, কারণ আল্লাহ ও তাঁর রাসূল যা চেয়েছেন, যা করতে বলেছেন তাতে আমাদের মন অবশ্যই সায় দেয়। তাতে যদি মনে ব্যথা পাই বা দুঃখ লাগে তবুও সায় দিতেই হয়।’
২- অন্যান্য মানুষ যেমন মৃত্যু বরণ করে, তিনিও তেমনি মৃত্যু বরণ করেছেন। যেমন আল্লাহ তাআলা তাকে বলেছেনঃ
إِنَّكَ مَيِّتٌ وَإِنَّهُمْ مَيِّتُونَ
‘‘তুমি মৃত্যু বরণ করবে আর তারাও মৃত্যু বরণ করবে।’’ (সূরা যুমার, আয়াত ৩০)
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেনঃ
إنما أنا بشر مثلكم أنسى كما تنسون ( أخرجه البخاري في الصلاة ومسلم في المساجد )
‘‘আমি তোমাদের মত একজন মানুষ। তোমরা যেমন ভুলে যাও, আমিও তেমন ভুলে যাই।’’ (বর্ণনায়ঃ বুখারী ও মুসলিম)
৩- রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর মর্যাদা আরো বৃদ্ধি করার জন্য ও উম্মতকে ধৈর্যের আদর্শ শিক্ষা দেয়ার জন্য তাকে মৃত্যু যন্ত্রণা দেয়া হয়েছে। উম্মত যেন এ কথা মনে না করে যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ছিলেন মহা সূখী মানুষ আমরা তাকে কিভাবে অনুসরণ করি?
৪- রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম মৃত্যু যন্ত্রণায় এতটা কাতর হওয়া সত্বেও ধৈর্যের সর্বোত্তম আদর্শের দৃষ্টান্ত দেখিয়েছেন। অস্থিরতা বা হতাশা প্রকাশ করে, এমন কোন বাক্য তাঁর মুখ থেকে বের হয়নি। ফাতেমা রা. ব্যাকুল হয়ে পড়লেও তাকে শান্তনা দিয়ে বললেন, ‘‘আজকের এ কষ্টের পর তোমার পিতার আর কষ্ট নেই।’’
৫- রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর ইন্তেকালে সময় ফাতেমা রা. ছিলেন তার একমাত্র সন্তান। পিতার মৃত্যুতে তিনি কতখানি শোকে কাতর ছিলেন তা অনুভব করানো যাবে না। তা সত্বেও অধৈর্য প্রকাশ পায় বা আল্লাহর প্রতি অসন্তুষ্টি প্রকাশ পায়, এমন কোন বাক্য তার মুখে শোনা যায়নি। তার যে কথাগুলো এ হাদীসে উল্লেখ করা হয়েছে তা ছন্দ ও অর্থের দিক দিয়ে চমৎকার অভিব্যক্তি। এতে যেমন তার দুঃখ প্রকাশ পেয়েছে তেমনি প্রকাশ পেয়েছে তার ধৈর্য।
৬- রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর জীবদ্দশায় আল্লাহর পক্ষ থেকে ফেরেশতা জিবরীল সর্বদা রাসূলের কাছে অহী নিয়ে আসা যাওয়া করতেন। রাসূলের ইন্তেকালের পর আর তিনি আল্লাহর বাণী নিয়ে পৃথিবীতে আসবেন না। এ কথাটি ব্যক্ত করার জন্য ফাতেমা রা. বলেছেন, ‘আমি জিবরীলকে তার মৃত্যু সংবাদ দিচ্ছি।’
৭- রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর দাফন শেষ হলে ফাতেমা রা. শোকে মুহ্যমান অবস্থায় বললেন, ‘আল্লাহর রাসূলের উপর মাটি রাখতে কি তোমাদের মন সায় দিল?’ এর উত্তর হলো ‘হ্যাঁ, কারণ আল্লাহ ও তাঁর রাসূল যা চেয়েছেন, যা করতে বলেছেন তাতে আমাদের মন অবশ্যই সায় দেয়। তাতে যদি মনে ব্যথা পাই বা দুঃখ লাগে তবুও সায় দিতেই হয়।’