hadith book logo

ধৈর্য-সবর কখন ও কিভাবে

লেখকঃ আব্দুল্লাহ শহীদ আব্দুর রহমান • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১

পরিচ্ছেদঃ ২৬

হাদীসটি থেকে শিক্ষা ও মাসায়েলঃ

১- এ মহিলাকে ইবনে আববাস জান্নাতী এ জন্য বলেছেন যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাকে জান্নাত লাভের সংবাদ দিয়েছেন। এ ছাড়া অন্য কেহ কাউকে জান্নাতী বা কোন ঈমানদারকে জাহান্নামী বলে অভিহিত করতে পারে না।

২- ঈমানদারের যে কোন রোগ বা শোক, বিপদ বা মুসীবত সব কিছুইতে রয়েছে তার জন্য পুরস্কার।

৩- এ মহিলা সাহাবী দুনিয়াতে এ দুরারোগ্য ব্যধি থেকে মুক্তি লাভের চেয়ে আখেরাতে জান্নাত লাভ দেয়াকে প্রাধান্য দিয়েছেন। দুনিয়া সুখ শান্তি ও ভোগের স্থান নয়। সুখ শান্তি ও সীমাহীন ভোগের স্থান হল জান্নাত।

৪- শালীনতা ঈমানদারদের একটি বিশাল গুণ। মৃগী রোগে যখন আক্রান্ত হত তখন এ মহিলার কাপড় খুলে যেত। তাতে তার কোন দোষ বা পাপ ছিল না। তবুও সে লজ্জা ও শালীনতাকে পছন্দ করেছে।

৫- এ মহিলা সাহাবী তার রোগের জন্য রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে দুআ করতে অনুরোধ করেছে। তাই কোন নেককার আলেম বা দায়ীর কাছে দুআ করতে অনুরোধ করা জায়েয।

৬- যে কোন রোগ ব্যধিতে আক্রান্ত হলে চিকিৎসা গ্রহণ করা সুন্নাত। তবে চিকিৎসা গ্রহণ না করে যদি আল্লাহরই কাছে প্রতিদান ও পুরস্কার পাওয়ার আশায় ধৈর্য ধারণ করে তাহলে তা হবে তাওয়াক্কুল বা আল্লাহর প্রতি নির্ভরশীলতার একটি উচ্চ স্তর। যারা এ স্তরে উপনীত হতে পারবেন তারা বিনা হিসাবে জান্নাতে প্রবেশ করবেন বলে সহীহ হাদীসে এসেছে।