hadith book logo

ধৈর্য-সবর কখন ও কিভাবে

লেখকঃ আব্দুল্লাহ শহীদ আব্দুর রহমান • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১

পরিচ্ছেদঃ ৪৮

হাদীসটি থেকে শিক্ষা ও মাসায়েলঃ

১- রাগ এমন একটি দোষ যাতে আক্রান্ত হলে মানুষ আরো অনেক দোষে জড়িয়ে হয়ে পড়ে। রাগের মাথায় মানুষ অন্যকে গালি দেয়, মারতে উদ্যত হয়, নিজ স্ত্রীকে পর্যন্ত তালাক দেয়। তাই রাগ সর্বদা ধৈর্যের পরিপন্থী বিষয়। কারো মধ্যে ধৈর্য নামক গুণটি থাকলে তাকে রাগে কাবু করতে পারে না।

২- কেহ রাগ হলে তার রাগ থামানোর জন্য চেষ্টা করা সুন্নাত।

৩- যে রাগ হয়ে যায় সে নিজের রাগ থামানোর কোন প্রয়োজন অনুভব করে না। তাই তার রাগ থামানোর জন্য উপস্থিত ব্যক্তিরা যে কোন কৌশল অবলম্বন করতে পারে। আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ও উপস্থিত সাহাবীগণ এমন একটি কৌশল অবলম্বন করেছিলেন আউজুবিল্লাহ . . . বলার মাধ্যমে।

৪- রাগ হলে শয়তান থেকে আল্লাহর কাছে আশ্রয় প্রার্থনা করার শিক্ষার মাধমে স্পষ্ট হল, শয়তানের কুমন্ত্রণায়-ই রাগ এসে থাকে। তাই রাগ ও ক্রোধ শয়তানের অস্ত্র। শয়তানের এ অস্ত্র থেকে সাবধান থাকা সকলের কর্তব্য।

৫- শয়তানের প্ররোচনায় যেহেতু মানুষ রাগ হয় তাই রাগ আসলে শয়তান থেকে আশ্রয় প্রার্থনা করা অর্থাৎ আউযু বিল্লাহি মিনাশ শাইতানির রজীম বলা সুন্নাত। যেমন আল্লাহ রাববুল আলামীন বলেনঃ

وَإِمَّا يَنْزَغَنَّكَ مِنَ الشَّيْطَانِ نَزْغٌ فَاسْتَعِذْ بِاللَّهِ إِنَّهُ سَمِيعٌ عَلِيمٌ

‘‘আর যদি শয়তানের পক্ষ হতে কোন প্ররোচনা তোমাকে প্ররোচিত করে, তবে তুমি আল্লাহর আশ্রয় চাও। নিশ্চয় তিনি সর্বশ্রোতা, সর্বজ্ঞ।’’

সূরা আল-আরাফ, আয়াত ২০০