১
ধৈর্য-সবর কখন ও কিভাবে
লেখকঃ আব্দুল্লাহ শহীদ আব্দুর রহমান • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৬০
হাদীসটি থেকে শিক্ষা ও মাসায়েলঃ
১- এ হাদীসে আসারাতুন বা প্রাধান্য গ্রহণকারী মানুষ বলতে সে সকল শাসক, সরকার ও পরিচালকদের বুঝানো হয়েছে, যারা জনগনের সম্পদ-কে যথেচ্ছা ভোগ করে, অপচয় করে, নিজের জন্য নিজের গোষ্ঠির জন্য বা নিজের দলের জন্য খরচ করে, বিভিন্ন দুর্নীতির মাধ্যমে জনগনের সম্পদ ভোগ করে। পরিভাষায় এদেরকে স্বৈরাচারী বলা হয়।
২- রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম নেতৃত্ব কর্তত্ব চাওয়া-কে অপছন্দ করতেন। তিনি তার সাহাবীদের নেতৃত্ব কর্তৃত্বের লোভ না করতে উপদেশ দিয়েছেন। বিভিন্ন হাদীসে তা বিবৃত হয়েছে।
৩- সরকার, শাসক বা কর্তৃপক্ষের অবিচার অনাচারের সময় ধৈর্য ধারণ করতে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উপদেশ দিয়েছেন।
৪- এ অবস্থায় ধৈর্য ধারণ করলে পুরুস্কারের অংশ হিসাবে কেয়ামতের সময় হাউজে কাউসারে আল্লাহ তাআলার ইচ্ছায় রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর সাথে সাক্ষাত লাভ হবে।
২- রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম নেতৃত্ব কর্তত্ব চাওয়া-কে অপছন্দ করতেন। তিনি তার সাহাবীদের নেতৃত্ব কর্তৃত্বের লোভ না করতে উপদেশ দিয়েছেন। বিভিন্ন হাদীসে তা বিবৃত হয়েছে।
৩- সরকার, শাসক বা কর্তৃপক্ষের অবিচার অনাচারের সময় ধৈর্য ধারণ করতে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উপদেশ দিয়েছেন।
৪- এ অবস্থায় ধৈর্য ধারণ করলে পুরুস্কারের অংশ হিসাবে কেয়ামতের সময় হাউজে কাউসারে আল্লাহ তাআলার ইচ্ছায় রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর সাথে সাক্ষাত লাভ হবে।