১
ধৈর্য-সবর কখন ও কিভাবে
লেখকঃ আব্দুল্লাহ শহীদ আব্দুর রহমান • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৫৪
হাদীসটি থেকে শিক্ষা ও মাসায়েলঃ
১- বিপদ- আপদ মুসলিমদের সাথি। তবে তা আজাব-গজব হিসাবে নয়। পরীক্ষা, উচ্চ মর্যাদা লাভ ও পাপ মুক্তির কারণ হিসাবে এসে থাকে।
২- যদি বিপদ আপদে ধৈর্য ধারণ করা হয় তাহলেই সেই বিপদ আপদ মুসলমানের জন্য কল্যাণ বয়ে আনে। গুনাহ মাফের কারণ হিসাবে গৃহিত হয়।
৩- বিপদ-মুসীবত নিজের উপর আসুক বা নিজের সন্তান-সন্ততি, পরিবারের উপর আসুক কিংবা নিজের সম্পদের উপর আসুক সকল প্রকার বিপদে ধৈর্য ধারণ করলেই তা গুনাহের কাফফারা হিসাবে গ্রহণ করা হয়।
যেমন আল্লাহ তাআলা বলেছেন
وَلَنَبْلُوَنَّكُمْ بِشَيْءٍ مِنَ الْخَوْفِ وَالْجُوعِ وَنَقْصٍ مِنَ الْأَمْوَالِ وَالْأَنْفُسِ وَالثَّمَرَاتِ وَبَشِّرِ الصَّابِرِينَ ( البقرة : 155)
‘‘আমি তোমাদেরকে কিছু ভয়, ক্ষুধা এবং ধন-সম্পদ, জীবন ও ফল-ফসলের ক্ষয়ক্ষতি দ্বারা অবশ্যই পরীক্ষা করব। আর তুমি শুভ সংবাদ দাও ধৈর্যশীলদের।’’ (সূরা আল-বাকারা, আয়াত : ১৫৫)
২- যদি বিপদ আপদে ধৈর্য ধারণ করা হয় তাহলেই সেই বিপদ আপদ মুসলমানের জন্য কল্যাণ বয়ে আনে। গুনাহ মাফের কারণ হিসাবে গৃহিত হয়।
৩- বিপদ-মুসীবত নিজের উপর আসুক বা নিজের সন্তান-সন্ততি, পরিবারের উপর আসুক কিংবা নিজের সম্পদের উপর আসুক সকল প্রকার বিপদে ধৈর্য ধারণ করলেই তা গুনাহের কাফফারা হিসাবে গ্রহণ করা হয়।
যেমন আল্লাহ তাআলা বলেছেন
وَلَنَبْلُوَنَّكُمْ بِشَيْءٍ مِنَ الْخَوْفِ وَالْجُوعِ وَنَقْصٍ مِنَ الْأَمْوَالِ وَالْأَنْفُسِ وَالثَّمَرَاتِ وَبَشِّرِ الصَّابِرِينَ ( البقرة : 155)
‘‘আমি তোমাদেরকে কিছু ভয়, ক্ষুধা এবং ধন-সম্পদ, জীবন ও ফল-ফসলের ক্ষয়ক্ষতি দ্বারা অবশ্যই পরীক্ষা করব। আর তুমি শুভ সংবাদ দাও ধৈর্যশীলদের।’’ (সূরা আল-বাকারা, আয়াত : ১৫৫)