১
ধৈর্য-সবর কখন ও কিভাবে
লেখকঃ আব্দুল্লাহ শহীদ আব্দুর রহমান • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৬১
হাদীস -২৯.
29 - وَعنْ أبي إِبْراهيمَ عَبْدِ اللَّه بْنِ أبي أَوْفي رضي اللَّهُ عنهمَا أَنَّ رسولَ اللَّه صَلّى اللهُ عَلَيْهِ وسَلَّم في بعْضِ أَيَّامِهِ التي لَقِيَ فِيهَا الْعَدُوَّ ، انْتَظرَ حَتَّى إِذَا مَالَتِ الشَّمْسُ قَامَ فِيهمْ فَقَالَ : « يَا أَيُّهَا النَّاسُ لا تَتَمنَّوا لِقَاءَ الْعدُوِّ ، وَاسْأَلُوا اللَّه العَافِيَةَ ، فَإِذَا لقيتُموهم فاصْبرُوا ، وَاعْلَمُوا أَنَّ الْجَنَّة تَحْتَ ظِلاَلِ السُّيُوفِ » ثُمَّ قَالَ النَّبِيُّ صَلّى اللهُ عَلَيْهِ وسَلَّم : « اللَّهُمَّ مُنْزِلَ الْكِتَابِ وَمُجْرِيَ السَّحَابِ ، وَهَازِمَ الأَحْزابِ ، اهْزِمْهُمْ وَانْصُرْنا عَلَيْهِمْ » . متفقٌ عليه
আবু ইবরাহীম আব্দুল্লাহ ইবনে আউফা রা. থেকে বর্ণিত যে, দুশমনদের সাথে যুদ্ধকালীন দিনসমূহের একদিন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যুদ্ধ করার জন্য সূর্য হেলে যাওয়া (দ্বি প্রহর) পর্যন্ত অপেক্ষা করছিলেন। (কিন্তু শত্রুবাহিনী আসছিল না) রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম দাড়িয়ে বললেন, ‘‘হে লোকেরা তোমরা দুশমনদের সাথে যুদ্ধে লিপ্ত হওয়া কামনা করো না। আল্লাহ তাআলার কাছে শান্তি ও নিরাপত্তা প্রার্থনা করবে। তবে যখন তাদের সাথে যুদ্ধে লিপ্ত হবে তখন ধৈর্য ধারণ করবে। জেনে রাখ! জান্নাত হলো তরবারীর ছায়া তলে।’’ অতঃপর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম দুআ করে বললেন, ‘‘কিতাব নাযিলকারী, মেঘমালা পরিচালনাকারী ও শত্রু বাহিনীকে পররাজিতকারী হে আল্লাহ! আপনি তাদের পরাস্ত করুন এবং তাদের উপর আমাদের বিজয় দান করুন।’’
বর্ণনায়ঃ বুখারী ও মুসলিম
আবু ইবরাহীম আব্দুল্লাহ ইবনে আউফা রা. থেকে বর্ণিত যে, দুশমনদের সাথে যুদ্ধকালীন দিনসমূহের একদিন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যুদ্ধ করার জন্য সূর্য হেলে যাওয়া (দ্বি প্রহর) পর্যন্ত অপেক্ষা করছিলেন। (কিন্তু শত্রুবাহিনী আসছিল না) রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম দাড়িয়ে বললেন, ‘‘হে লোকেরা তোমরা দুশমনদের সাথে যুদ্ধে লিপ্ত হওয়া কামনা করো না। আল্লাহ তাআলার কাছে শান্তি ও নিরাপত্তা প্রার্থনা করবে। তবে যখন তাদের সাথে যুদ্ধে লিপ্ত হবে তখন ধৈর্য ধারণ করবে। জেনে রাখ! জান্নাত হলো তরবারীর ছায়া তলে।’’ অতঃপর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম দুআ করে বললেন, ‘‘কিতাব নাযিলকারী, মেঘমালা পরিচালনাকারী ও শত্রু বাহিনীকে পররাজিতকারী হে আল্লাহ! আপনি তাদের পরাস্ত করুন এবং তাদের উপর আমাদের বিজয় দান করুন।’’
বর্ণনায়ঃ বুখারী ও মুসলিম