১
ধৈর্য-সবর কখন ও কিভাবে
লেখকঃ আব্দুল্লাহ শহীদ আব্দুর রহমান • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ১৩
হাদীস- ৫.
৫ - عن أبي زيد أسامة بن حارثة رضي الله عنهما قال : أرسَلَتْ بٍنتُ النبي صلى الله عليه وسلم : إنَّ ابنِني قَد احْتُضِرَ فَاشْهَدنا، فأرسل يُقْريء السَّلامَ وَيَقُول : إنَّ للهِ مَا أخَذَ، وَلَهُ مَا أعْطَى، وَكُلَّ شَيءٍ عِنْدَهُ بِأجَلٍ مُسَمَّى، فَلِتَصْبِر وَلتَحسِبْ . فأرْسَلَتْ إليهِ تُقسِم عَلَيْهِ لَيَأتِيَنَّهَا . فَقَامَ وَمَعَهُ سَعَد بن عُبَادَة وَمُعَاذ بن جَبَل وأبَي بن كَعَب وزيد بن ثَابِت وَرِجَالٌ رضي الله عنهم، فَرُفِعَ إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم الصَّبِيُّ، فَأقْعَدَهُ فِي حِجْرِهِ وَنَفْسُهُ تَقَعْقَعُ، فَفَاضَتْ عَيْنَاهُ، فَقَالَ سَعَدُ : يا رَسُولَ الله مَا هذا؟ فَقَالَ : هذِه رَحْمَةٌ جَعَلَهَا الله فِي قُلُوبِ عِبَادِه . وَفي رواية : في قلوب مَنْ شاء الله مِن عِبَادِه وَإنّمَا يَرْحَمُ الله مِنْ عِبَادِه الرُّحَمَاءَ . متفق عليه .
আবু যায়েদ উসামা ইবনে হারেস রা. থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, ‘‘নবী কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর কন্যা খবর পাঠালেন যে, আমার ছেলে মৃত্যুদ্বারে উপস্থিত, তাই আপনি একটু আমাদের দেখে যান! রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম খবর দাতাকে বললেন, ‘‘যেয়ে সালাম বলো, আর বলবে যা তিনি নিয়ে গেছেন তা আল্লাহর জন্যই । তিনি যা দিয়েছেন তাতো তাঁরই ছিলো। তাঁর কাছে প্রত্যক বস্ত্তর একটা নির্ধারিত মেয়াদ আছে। যেন সে ধৈর্য ধারন করে ও আল্লাহর কাছে পুরস্কারের আশা করে।’’ ইতিমধ্যে আবার কসম দিয়ে তাঁর কাছে লোক পাঠালেন তাকে আসতে বলে। তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম রওয়ানা হলেন। সাথে ছিলেন, সাআদ বিন উবাদা, মুআজ বিন জাবাল, উবাই বিন কাআব, যায়েদ বিন সাবেত প্রমুখ সাহাবায়ে কেরাম। তারপর বাচ্চাটিকে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর কাছে দেয়া হলো, তিনি তাকে নিজ কোলে বসালেন। এ সময় বাচ্চাটি মৃত্যুর হেচকি দিচ্ছিল। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর দু চোখ দিয়ে পানি বের হতে লাগল। এ দেখে সাআদ বললেন, হে রাসূল এটা কী (আপনি কাঁদছেন)? তিনি বললেন, ‘‘এটা রহমত, যা আল্লাহ তাঁর বান্দাদের অন্তরে রেখেছেন।’’ অন্য এক বর্ণনায় আছে তিনি বলেছেন, ‘‘আল্লাহ তাঁর বান্দাদের মধ্যে যাকে চান তার অন্তরে এ রহমত দিয়ে দেন। আর আল্লাহ তার দয়ালু বান্দাদের প্রতি দয়া করেন।’’
বর্ণনায়ঃ বুখারী ও মুসলিম
আবু যায়েদ উসামা ইবনে হারেস রা. থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, ‘‘নবী কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর কন্যা খবর পাঠালেন যে, আমার ছেলে মৃত্যুদ্বারে উপস্থিত, তাই আপনি একটু আমাদের দেখে যান! রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম খবর দাতাকে বললেন, ‘‘যেয়ে সালাম বলো, আর বলবে যা তিনি নিয়ে গেছেন তা আল্লাহর জন্যই । তিনি যা দিয়েছেন তাতো তাঁরই ছিলো। তাঁর কাছে প্রত্যক বস্ত্তর একটা নির্ধারিত মেয়াদ আছে। যেন সে ধৈর্য ধারন করে ও আল্লাহর কাছে পুরস্কারের আশা করে।’’ ইতিমধ্যে আবার কসম দিয়ে তাঁর কাছে লোক পাঠালেন তাকে আসতে বলে। তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম রওয়ানা হলেন। সাথে ছিলেন, সাআদ বিন উবাদা, মুআজ বিন জাবাল, উবাই বিন কাআব, যায়েদ বিন সাবেত প্রমুখ সাহাবায়ে কেরাম। তারপর বাচ্চাটিকে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর কাছে দেয়া হলো, তিনি তাকে নিজ কোলে বসালেন। এ সময় বাচ্চাটি মৃত্যুর হেচকি দিচ্ছিল। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর দু চোখ দিয়ে পানি বের হতে লাগল। এ দেখে সাআদ বললেন, হে রাসূল এটা কী (আপনি কাঁদছেন)? তিনি বললেন, ‘‘এটা রহমত, যা আল্লাহ তাঁর বান্দাদের অন্তরে রেখেছেন।’’ অন্য এক বর্ণনায় আছে তিনি বলেছেন, ‘‘আল্লাহ তাঁর বান্দাদের মধ্যে যাকে চান তার অন্তরে এ রহমত দিয়ে দেন। আর আল্লাহ তার দয়ালু বান্দাদের প্রতি দয়া করেন।’’
বর্ণনায়ঃ বুখারী ও মুসলিম