১
ধৈর্য-সবর কখন ও কিভাবে
লেখকঃ আব্দুল্লাহ শহীদ আব্দুর রহমান • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৬২
হাদীসটি থেকে শিক্ষা ও মাসায়েলঃ
১- ইসলামে জিহাদের গুরুত্ব ও ফজিলত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম শত্রুর বিরুদ্ধে নিজে বহু সংখ্যক জিহাদে অংশ নিয়েছেন।
২- কোথাও শত্রুর বিরুদ্ধে অভিযানে বের হলে ফজরের পূর্বেই বের হতেন। এ হাদীসে দেখা যায় তিনি দুপুর পর্যন্ত অপেক্ষা করছেন শত্রুর প্রতীক্ষায়।
৩- ইসলামের কোন যুদ্ধই অযথা বা আক্রমণাত্নক ছিল না। বরং সবগুলো ছিল আত্নরক্ষামুলক যুদ্ধ। শত্রুর পক্ষ থেকে চাপিয়ে দেয়া যুদ্ধ মোকাবেলা করতে হয়েছে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে। তাইতো তিনি বলেছেন ‘‘শত্রুর সাথে সাক্ষাত তোমরা কামনা করবে না বরং শান্তি ও নিরাপত্তার জন্য প্রার্থনা করবে।’’ ইসলামের নীতি যদি যুদ্ধ করে ধর্ম প্রচার করা হতো, তাহলে তিনি এমন কথা বলতেন না।
৪- ‘তোমরা শত্রুর সাথে সাক্ষাতের প্রত্যাশা করবে না বরং শান্তি ও নিরাপত্তা প্রার্থনা করো’ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর এ বাণীটি ‘ইসলামে যুদ্ধ ও শান্তি’ বিষয়ে একটি গুরুত্বপূর্ণ মূলনীতি।
৫- কিন্তু শত্রু যখন মুসলিম জনপদে আগ্রাসন চালিয়ে বসে, তখন তাদের প্রতিরোধে যুদ্ধ করা অনিবার্য ও অপরিহার্য হয়ে যাবে প্রতিটি মুসলমানের উপর। তখন ধৈর্য ধারণ করে তাদের সাথে লড়াই চালিয়ে যেতে হবে যতক্ষণ না তারা পরাস্ত হয়। মুসলিম জনপদে শান্তি ও নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠিত হয়।
৬- ‘তরবারীর ছায়াতলে জান্নাত’ কথা বলে শত্রুর বিরুদ্ধে প্রতিরোধ জিহাদের মর্যাদা ও গুরুত্ব বুঝানো হয়েছে।
৭- শত্রুর বিরুদ্ধে বিজয় কামনা করে দুআ করা রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর একটি মহান সুন্নাত। আল্লাহ রাববুল আলামীন নিজেও আল-কুরআনের বহু স্থানে শত্রুর পরাজয় ও নিজেদের বিজয় কামনা করে দুআ করার জন্য মুসলমানদের উৎসাহিত করেছেন। এ দুআ যেমন যুদ্ধের ময়দানে করা উচিত তেমনি অন্য সময়ও করা দরকার।
বি: দ্র: এ গ্রন্থে বর্ণিত হাদীসগুলো ইমাম নববী রহ. এর রিয়াদুস সালেহীন থেকে সংগৃহিত।
সমাপ্ত
২- কোথাও শত্রুর বিরুদ্ধে অভিযানে বের হলে ফজরের পূর্বেই বের হতেন। এ হাদীসে দেখা যায় তিনি দুপুর পর্যন্ত অপেক্ষা করছেন শত্রুর প্রতীক্ষায়।
৩- ইসলামের কোন যুদ্ধই অযথা বা আক্রমণাত্নক ছিল না। বরং সবগুলো ছিল আত্নরক্ষামুলক যুদ্ধ। শত্রুর পক্ষ থেকে চাপিয়ে দেয়া যুদ্ধ মোকাবেলা করতে হয়েছে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে। তাইতো তিনি বলেছেন ‘‘শত্রুর সাথে সাক্ষাত তোমরা কামনা করবে না বরং শান্তি ও নিরাপত্তার জন্য প্রার্থনা করবে।’’ ইসলামের নীতি যদি যুদ্ধ করে ধর্ম প্রচার করা হতো, তাহলে তিনি এমন কথা বলতেন না।
৪- ‘তোমরা শত্রুর সাথে সাক্ষাতের প্রত্যাশা করবে না বরং শান্তি ও নিরাপত্তা প্রার্থনা করো’ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর এ বাণীটি ‘ইসলামে যুদ্ধ ও শান্তি’ বিষয়ে একটি গুরুত্বপূর্ণ মূলনীতি।
৫- কিন্তু শত্রু যখন মুসলিম জনপদে আগ্রাসন চালিয়ে বসে, তখন তাদের প্রতিরোধে যুদ্ধ করা অনিবার্য ও অপরিহার্য হয়ে যাবে প্রতিটি মুসলমানের উপর। তখন ধৈর্য ধারণ করে তাদের সাথে লড়াই চালিয়ে যেতে হবে যতক্ষণ না তারা পরাস্ত হয়। মুসলিম জনপদে শান্তি ও নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠিত হয়।
৬- ‘তরবারীর ছায়াতলে জান্নাত’ কথা বলে শত্রুর বিরুদ্ধে প্রতিরোধ জিহাদের মর্যাদা ও গুরুত্ব বুঝানো হয়েছে।
৭- শত্রুর বিরুদ্ধে বিজয় কামনা করে দুআ করা রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর একটি মহান সুন্নাত। আল্লাহ রাববুল আলামীন নিজেও আল-কুরআনের বহু স্থানে শত্রুর পরাজয় ও নিজেদের বিজয় কামনা করে দুআ করার জন্য মুসলমানদের উৎসাহিত করেছেন। এ দুআ যেমন যুদ্ধের ময়দানে করা উচিত তেমনি অন্য সময়ও করা দরকার।
বি: দ্র: এ গ্রন্থে বর্ণিত হাদীসগুলো ইমাম নববী রহ. এর রিয়াদুস সালেহীন থেকে সংগৃহিত।
সমাপ্ত