১
ধৈর্য-সবর কখন ও কিভাবে
লেখকঃ আব্দুল্লাহ শহীদ আব্দুর রহমান • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৫৫
হাদীস -২৬.
26 - وَعَنْ ابْن عَبَاسٍ رضي اللَّه عنهما قال : قَدِمَ عُيَيْنَة بْنُ حِصْنٍ فَنَزلَ عَلَى ابْنِ أَخيِهِ الْحُر بْنِ قَيْسٍ ، وَكَانَ مِن النَّفَرِ الَّذِين يُدْنِيهِمْ عُمرُ رضِيَ اللَّهُ عنهُ ، وَكَانَ الْقُرَّاءُ أَصْحابَ مَجْلِسِ عُمَرَ رضي اللَّهُ عنه وَمُشاوَرَتِهِ كُهولاً كَانُوا أَوْ شُبَّاناً ، فَقَالَ عُييْنَةُ لابْنِ أَخيِهِ : يَا ابْنَ أَخِى لَكَ وَجْهٌ عِنْدَ هَذَا الأمِيرِ فَاسْتَأْذِنْ لى عَلَيْهِ ، فاستَأذنَ فَأَذِنَ لَهُ عُمرُ . فَلَمَّا دخَلَ قَالَ : هِيْ يا ابْنَ الْخَطَّاب ، فَوَاللَّه مَا تُعْطِينَا الْجَزْلَ وَلا تَحْكُمُ فِينَا بالْعَدْل ، فَغَضِبَ عُمَرُ رضيَ اللَّه عنه حتَّى هَمَّ أَنْ يُوقِعَ بِهِ فَقَالَ لَهُ الْحُرُّ : يا أَمِيرَ الْمُؤْمِنِينَ إِنَّ اللَّه تعَالى قَال لِنبِيِّهِ صَلّى اللهُ عَلَيْهِ وسَلَّم : { خُذِ الْعَفْوَ وَأْمُرْ بالْعُرْفِ وَأَعْرِضْ عَنِ الجاهلينَ } [ سورة الأعراف : 198 ] وإنَّ هَذَا مِنَ الجاهلينَ ، وَاللَّه ما جاوَزَها عُمَرُ حِينَ تلاها ، وكَانَ وَقَّافاً عِنْد كِتَابِ اللَّهِ تعالى رواه البخارى .
ইবনে আববাস রা. থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, উআইনা ইবনে হিসান মদীনায় তার ভাতিজা হুর ইবনে কায়েসের কাছে বেড়াতে আসলেন। তিনি উমার রা. এর ঘনিষ্ট ব্যক্তিদের একজন ছিলেন। উমার রা. এর পরিষদ বর্গের সকলে ছিলেন কুরআন সম্পর্কে জ্ঞানী। যুব বৃদ্ধ সকলেই। উআইনা তার ভাতিজাকে বললেন, হে ভাতিজা! আমীরুল মুমীনিনের কাছে তোমার মর্যাদা আছে। তার সাথে সাক্ষাতের জন্য আমার জন্য অনুমতি চেয়ে দাও। অতঃপর তিনি অনুমতি চাইলেন। উমারা রা. তাকে অনুমতি দিলেন। যখন সাক্ষাতের জন্য উমারের কাছে গেলেন তখন তাকে লক্ষ্য করে বললেন, ‘হে খাত্তাবের ছেলে! আল্লাহর কসম! আপনি আমাদের বেশী প্রদান করেন না ও আমাদের মধ্যে ন্যায় বিচার করেন না।’ উমার রা. এ কথা শুনে অসন্তুষ্ট হলেন এমনকি তাকে শাস্তি দিতে উদ্যত হলেন। তখন হুর তাকে বললেন, হে আমীরুল মুমিনীন! আল্লাহ তাআলা তাঁর নবীকে বলেছেন,
خُذِ الْعَفْوَ وَأْمُرْ بِالْعُرْفِ وَأَعْرِضْ عَنِ الْجَاهِلِينَ .
‘‘তুমি ক্ষমা প্রদর্শন কর এবং ভালো কাজের আদেশ দাও। আর মূর্খদের থেকে বিমুখ থাক।’’ আর এ ব্যক্তি মূর্খদের একজন। আল্লাহর কসম! এ আয়াত শোনার পর উমার কোন ব্যবস্থা নেননি। তিনি কুরআনের হুকুমের কাছে থেমে যেতেন।
বর্ণনায়ঃ বুখারী
ইবনে আববাস রা. থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, উআইনা ইবনে হিসান মদীনায় তার ভাতিজা হুর ইবনে কায়েসের কাছে বেড়াতে আসলেন। তিনি উমার রা. এর ঘনিষ্ট ব্যক্তিদের একজন ছিলেন। উমার রা. এর পরিষদ বর্গের সকলে ছিলেন কুরআন সম্পর্কে জ্ঞানী। যুব বৃদ্ধ সকলেই। উআইনা তার ভাতিজাকে বললেন, হে ভাতিজা! আমীরুল মুমীনিনের কাছে তোমার মর্যাদা আছে। তার সাথে সাক্ষাতের জন্য আমার জন্য অনুমতি চেয়ে দাও। অতঃপর তিনি অনুমতি চাইলেন। উমারা রা. তাকে অনুমতি দিলেন। যখন সাক্ষাতের জন্য উমারের কাছে গেলেন তখন তাকে লক্ষ্য করে বললেন, ‘হে খাত্তাবের ছেলে! আল্লাহর কসম! আপনি আমাদের বেশী প্রদান করেন না ও আমাদের মধ্যে ন্যায় বিচার করেন না।’ উমার রা. এ কথা শুনে অসন্তুষ্ট হলেন এমনকি তাকে শাস্তি দিতে উদ্যত হলেন। তখন হুর তাকে বললেন, হে আমীরুল মুমিনীন! আল্লাহ তাআলা তাঁর নবীকে বলেছেন,
خُذِ الْعَفْوَ وَأْمُرْ بِالْعُرْفِ وَأَعْرِضْ عَنِ الْجَاهِلِينَ .
‘‘তুমি ক্ষমা প্রদর্শন কর এবং ভালো কাজের আদেশ দাও। আর মূর্খদের থেকে বিমুখ থাক।’’ আর এ ব্যক্তি মূর্খদের একজন। আল্লাহর কসম! এ আয়াত শোনার পর উমার কোন ব্যবস্থা নেননি। তিনি কুরআনের হুকুমের কাছে থেমে যেতেন।
বর্ণনায়ঃ বুখারী