hadith book logo

ধৈর্য-সবর কখন ও কিভাবে

লেখকঃ আব্দুল্লাহ শহীদ আব্দুর রহমান • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১

পরিচ্ছেদঃ ১৪

হাদীসটি থেকে শিক্ষা ও মাসায়েলঃ

১- কাউকে কোথাও পাঠালে সালাম প্রেরণ করার প্রচলন শরীয়ত অনুমোদিত।

২- কারো আপন জনের ইন্তেকালে তাকে সান্তনা দেয়া সুন্নাত। এমনিভাবে ধৈর্য ধারন করার জন্য উপদেশ দেয়া রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর আদর্শ।

৩- রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর সান্তনা প্রদানের ভাষা কত চমৎকার। যেমন তিনি বলেছেন, আল্লাহ যা নিয়ে গেছেন তা তারই ছিলো। তিনি যা দিয়েছেন তাও তাঁরই ছিলো। তাঁর কাছে প্রত্যক বস্ত্তর একটা নির্ধারিত মেয়াদ আছে।

৪- সাহাবায়ে কেরাম আল্লাহর রাসূলের সান্নিধ্যের কত মূল্য দিতেন, যেমন আমরা এ হাদীসে দেখতে পাই। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম নিজের নাতিকে দেখতে গেছেন, সাথে তার সাহাবাগণ সতস্ফুর্তভাবে সঙ্গ দিয়েছেন।

৫- রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর দয়া-মমতার প্রকাশ। তিনি শিশুটির ইন্তেকালে কেঁদেছেন। সাথের সাহাবাদের ধারনা ছিলো রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কাঁদবেন কেন? কান্নাকাটি করা ধৈর্যের পরিপন্থী। আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাদের ধারনা দূর করে দিলেন, বললেন, এটা আল্লাহর পক্ষ থেকে রহমতের বহিঃপ্রকাশ। তাই কারো ইন্তেকালে দুঃখে শোকে চোখের পানি ফেলে কাঁদা দোষের কিছু নয়। বরং এটা মানব প্রকৃতি, যা আল্লাহ সৃষ্টি করেছেন। তবে চিৎকার করা, শশব্দে আহাজারী করা ধৈর্যের পরিপন্থী।