hadith book logo

ধৈর্য-সবর কখন ও কিভাবে

লেখকঃ আব্দুল্লাহ শহীদ আব্দুর রহমান • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১

পরিচ্ছেদঃ ৪৪

হাদীসটি থেকে শিক্ষা ও মাসায়েলঃ

১- হাদীসটি বর্ণনাকারী প্রখ্যাত সাহাবী আনাস রা. ছিলেন উম্মে সুলাইমের ছেলে।

২- সাহাবী উম্মে সুলাইম রা. তার ছেলের ইন্তেকালের ঘটনায় ধৈর্য ও সবরের যে দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন তা বিরল। পৃথিবীর কেহ এমন দৃষ্টান্ত স্থাপন করতে পেরেছে বা ভবিষ্যতে পারবে বলে মনে করা যায় না। যেমন ছিল তার ধৈর্য তেমনি বুদ্ধিমত্তা।

৩- সাহাবায়ে কেরাম তাদের যে কোন সমস্যা সমাধানের জন্য আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর স্মরণাপন্ন হতেন।

৪- তাদের ধৈর্য ধারণের ঘটনায় সন্তুষ্ট হয়ে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাদের উভয়ের জন্য বরকতের দুআ করেছেন।

৫- তাদের ধৈর্যের ফলে ও রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর দুআর বরকতে তাদের সন্তানাদি হয়েছে প্রচুর। তারা সকলেই কুরআনের শিক্ষায় শিক্ষিত হয়েছে বলে বর্ণনাকারীগন বর্ণনা করেছেন।

৬- তাদের এ নজিরবিহীন ধৈর্যের ফল আল্লাহ দুনিয়াতে এমনভাবেই দিলেন যে, এ হাদীসের মাধ্যমে পৃথিবীর মানুষ কেয়ামত পর্যন্ত তাদের কথা শ্রদ্ধার সাথে আলোচনা করতে থাকবে।

৭- ধৈর্য ও সবরের ফল দুনিয়াতেও লাভ করা যায়। আখেরাতে তো আছেই।

৮- রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর সার্বক্ষণিক সঙ্গ পেতে তাঁর সাহাবায়ে কেরাম কতখানি উৎসাহী ছিলেন তা আবু তালহার বক্তব্য থেকে বুঝে আসে।

৯- অধিক সন্তানের অধিকারী হওয়াকে সাহাবায়ে কেরাম সৌভাগ্য ও বরকত মনে করতেন। এবং সন্তান কুরআনের শিক্ষায় শিক্ষিত হলে তা তাদের গর্বের বিষয় হত।