১
ধৈর্য-সবর কখন ও কিভাবে
লেখকঃ আব্দুল্লাহ শহীদ আব্দুর রহমান • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ২৪
হাদীসটি থেকে শিক্ষা ও মাসায়েলঃ
১- বর্ণিত হাদীসটি হাদীসে কুদসী। এতে আল্লাহ তাআলারই কথা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর ভাষায় প্রকাশিত হয়েছে।
২- কোন ঈমানদার মানুষের দৃষ্টিশক্তি চলে গেলে তা আল্লাহর রাববুল আলামীনের পক্ষ থেকে বিশেষ পরীক্ষা বলে ধরে নেয়া হবে।
৩- হাদীসে দুটো চোখ-কে হাবীব বা প্রিয়তম বলা হয়েছে। এতে চোখ ও তার রক্ষণাবেক্ষনের গুরুত্ব প্রকাশ পেয়েছে।
৪- কোন ঈমানদার দৃষ্টি শক্তি চলে যাওয়ার পরীক্ষার সম্মুখীন হলে তাকে ধৈর্য ধারন করতে হবে। তাকে মনে করতে হবে, আল্লাহর পক্ষ থেকে এ পরীক্ষার প্রতিদান ও ফলাফল আমি লাভ করব। আমি তার সিদ্ধান্তেই রাজী ও সন্তুষ্ট থাকলাম। দৃষ্টিশক্তি চলে যাওয়ায় আল্লাহ তাআলার প্রতি আমার কোন অভিযোগ নেই। তিনি কেন আমার থেকে এ নেআমাত নিয়ে গেলেন? অন্য কোন মানুষকে তিনি কেন দেখলেন না? এ ধরণের কথা-বার্তা বলা যাবে না। এমনিভাবে হা-হুতাশ, আহাজারী, আক্ষেপ করা ঠিক নয়। বলতে হবে, আল্লাহ যা নিয়ে গেছেন তা তাঁরই দান ছিল। তিনি যা আমাকে দিয়েছেন তা তাঁরই। তিনি নিজ অনুগ্রহে আমাকে এর প্রতিদান ও বিনিময় দেবেন।
৫- যে সকল ঈমানদার ব্যক্তির দৃষ্টিশক্তি চলে গেছে এ হাদীসটি তাদের জন্য আল্লাহর পক্ষ থেকে একটি সুসংবাদ।
৬- এ হাদীসটি ধৈর্য ধারনের পুরস্কার সম্পর্কে আলোচিত। কেহ আল্লাহ তাআলার জন্য, তাঁরই কাছে প্রতিদান পাওয়ার আশায় ধৈর্য ধারন করলে তার জন্য রয়েছে আল্লাহর কাছে বিরাট পুরস্কার। আল্লাহ তাআলা নিজেই বলেনঃ
إِنَّمَا يُوَفَّى الصَّابِرُونَ أَجْرَهُمْ بِغَيْرِ حِسَابٍ . الزمر : ১০
‘‘ধৈর্যশীলদেরই তো বিনা হিসাবে পুরস্কার দেয়া হবে।’’ সূরা যুমার : ১০
২- কোন ঈমানদার মানুষের দৃষ্টিশক্তি চলে গেলে তা আল্লাহর রাববুল আলামীনের পক্ষ থেকে বিশেষ পরীক্ষা বলে ধরে নেয়া হবে।
৩- হাদীসে দুটো চোখ-কে হাবীব বা প্রিয়তম বলা হয়েছে। এতে চোখ ও তার রক্ষণাবেক্ষনের গুরুত্ব প্রকাশ পেয়েছে।
৪- কোন ঈমানদার দৃষ্টি শক্তি চলে যাওয়ার পরীক্ষার সম্মুখীন হলে তাকে ধৈর্য ধারন করতে হবে। তাকে মনে করতে হবে, আল্লাহর পক্ষ থেকে এ পরীক্ষার প্রতিদান ও ফলাফল আমি লাভ করব। আমি তার সিদ্ধান্তেই রাজী ও সন্তুষ্ট থাকলাম। দৃষ্টিশক্তি চলে যাওয়ায় আল্লাহ তাআলার প্রতি আমার কোন অভিযোগ নেই। তিনি কেন আমার থেকে এ নেআমাত নিয়ে গেলেন? অন্য কোন মানুষকে তিনি কেন দেখলেন না? এ ধরণের কথা-বার্তা বলা যাবে না। এমনিভাবে হা-হুতাশ, আহাজারী, আক্ষেপ করা ঠিক নয়। বলতে হবে, আল্লাহ যা নিয়ে গেছেন তা তাঁরই দান ছিল। তিনি যা আমাকে দিয়েছেন তা তাঁরই। তিনি নিজ অনুগ্রহে আমাকে এর প্রতিদান ও বিনিময় দেবেন।
৫- যে সকল ঈমানদার ব্যক্তির দৃষ্টিশক্তি চলে গেছে এ হাদীসটি তাদের জন্য আল্লাহর পক্ষ থেকে একটি সুসংবাদ।
৬- এ হাদীসটি ধৈর্য ধারনের পুরস্কার সম্পর্কে আলোচিত। কেহ আল্লাহ তাআলার জন্য, তাঁরই কাছে প্রতিদান পাওয়ার আশায় ধৈর্য ধারন করলে তার জন্য রয়েছে আল্লাহর কাছে বিরাট পুরস্কার। আল্লাহ তাআলা নিজেই বলেনঃ
إِنَّمَا يُوَفَّى الصَّابِرُونَ أَجْرَهُمْ بِغَيْرِ حِسَابٍ . الزمر : ১০
‘‘ধৈর্যশীলদেরই তো বিনা হিসাবে পুরস্কার দেয়া হবে।’’ সূরা যুমার : ১০