১
প্রিয় নবীর সান্নিধ্যে চল্লিশ আসর
লেখকঃ আদেল বিন আলী আশ-শিদ্দী • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৮
ষষ্ঠ আসর: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর পবিত্র বংশ পরিক্রমা
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নসব,
আবুল কাসেম মুহাম্মাদ ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে আব্দুল মুত্তালিব ইবনে হাশেম ইবনে আব্দে মানাফ ইবনে কুসাই ইবনে কিলাব ইবনে মুররা ইবনে কাআব ইবনে লুআই ইবনে গালিব ইবনে ফিহির ইবনে মালেক ইবনে নাযার ইবনে কেনানাহ ইবনে খুযাইমা ইবনে মুদরিকা ইবনে ইলয়াস ইবনে মুযার ইবনে নিযার ইবনে মাআদ্দ ইবনে আদনান।
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর এই বংশ পরিক্রমা সর্বসম্মতিক্রমে স্বীকৃত। আদনান ইসমাইল আ. এর সন্তান এ প্রসঙেও কোন দ্বিমত নেই।
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নামসমূহ
যুবাইর ইবনে মুতইম থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন,
إِنَّ لِي أَسْمَاءَ : أَنَا مُحَمَّدٌ , وَأَنَا أَحْمَدُ , وَأَنَا الماحِي الَّذِي يَمْحُو اللهُ بِيَ الْكُفْرَ، وَأَنَا الـحَاشِرُ الَّذِي يُحْشَرُ النَّاسُ عَلَى قَدَمَيَّ , وَأَنَا الْعَاقِبُ الَّذِي لَيْسَ بَعْدَهُ أَحَدٌ ] . متفق عليه [
আমার অনেকগুলো নাম রয়েছে : আমি মুহাম্মাদ, আমি আহমদ, আমি মাহী আমার দ্বারা আল্লাহ তাআলা কুফরকে মুছে দেবেন। আমি হাশের (একত্রিত কারী) আমার পায়ের নিকট মানুষদেরকে একত্রিত করা হবে। আমিই (আকিব) সর্বশেষ আগমন কারী যার পর আর কেউ আসবে না।
وَعَنْ أَبِي مُوسَى الْأَشْعَرِيِّ قَالَ : كَانَ رَسُولُ اللهِ يُسَمِّي لَنَا نَفْسَه أَسْمَاءً فَقَال : " أَنَا مُحَمَّدٌ، وَأَحْمَدُ , وَالـمُقَفِّي وَالْـحِاشِرُ وَنَبِيُّ التَّوْبَةِ، وَنَبِيّ الرَّحْمَةِ " ] رواه مسلم [
আবু মূসা আশআরী রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের কাছে তার অনেকগুলো নাম উল্লেখ করে বলতেন: আমি মুহাম্মদ, আহমদ, আল-মুকাফফা, আল হাশের, আমি তাওবার নবী, আমি রহমতের নবী। {মুসলিম}
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর জন্মধারার পবিত্রতা
এই বিষয়টি কোন দলীল প্রমাণের অপেক্ষা রাখে না যে, তিনি গোত্রীয়ভাবে বনী হাশেম এর অন্তর্ভুক্ত ও কোরাইশ বংশ-ধারার। তিনি আরবদের মধ্যে সর্বোত্তম বংশ পরিক্রমার অধিকারী। মক্কায় জন্ম গ্রহণ করেছেন যা আল্লাহর কাছে সর্বোত্তম জায়গা।
আল্লাহ তাআলা বলেন: আল্লাহই অধিক জানেন, কোথায় তিনি তার রেসালত রাখবেন।
আবু সুফিয়ান ইসলাম গ্রহণ করার পূর্বে হিরাকলিয়াসের প্রশ্নের উত্তরে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর উচ্চ বংশ মর্যাদা স্বীকার করে বলেছিলেন, তিনি আমাদের মধ্যে উঁচু বংশের অধিকারী। উত্তরে হেরাকলিয়াস বলেছিলেন, রাসূলগণ এরকমই হন। তাঁরা তাদের জাতির উঁচু বংশ ধারায় জন্মগ্রহণ করেন।
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন,
إِنَّ اللهَ عَزَّ وَجلَّ اصْطَفَى مِنْ وَلَدِ إِبْراهِيمَ إِسْمَاعِيلَ، وَاصْطَفَى مِنْ بَنِي إِسْمَاعِيلَ كِنَانَةَ، وَاصْطَفَى مِنْ بَنِي كِنَانَةَ قُرَيْشًا وَاصْطَفَى مِنْ قُرَيْشٍ بَنِي هَاشِمٍ، وَاصْطَفَانِي مِنْ بَنِي هَاشِمٍ " [ رواه مسلم ].
আল্লাহ তাআলা ইবরাহীমের সন্তানদের মধ্যে ইসমাঈলকে মনোনীত করেছেন। আর বনী ইসমাঈলের মধ্যে কেনানাকে বেছে নিয়েছেন, বনী কেনানা থেকে কুরাইশদের বেছে নিয়েছেন। আর কোরেশদের থেকে বনী হাশেমকে। আর বনী হাশেমের মধ্যে হতে আমাকে নির্বাচিত করেছেন।
তিনি যে পবিত্র বংশের, তার একটি জ্বলন্ত দৃষ্টান্ত হচ্ছে, আল্লাহ তাআলা তাঁর মাতা-পিতাকে যিনা-ব্যভিচার কর্মে জড়িত হওয়া থেকে রক্ষা করেছেন। তিনি বৈধ ও শুদ্ধভাবে সম্পাদিত বিবাহের বন্ধনে আবদ্ধ দম্পতির ঔরশজাত সন্তান। তিনি বলেন : আমি বিবাহ থেকে বের হয়েছি, যিনা থেকে বের হইনি। আদম থেকে নিয়ে আমার পিতা-মাতা আমাকে জন্মদান পর্যন্ত কোন পর্যায়েই জাহেলী যুগের যিনা ও অশ্লীলতা আমাকে স্পর্শ করেনি । [ তাবরানী: আল আওসাত, আলবানী রহ. এই হাদীসটি হাসান বলে মন্তব্য করেছেন।]
অন্য এক বর্ণনায় এসেছে: আমি আদম থেকে (নিয়ে শেষ পর্যন্ত), যিনা নয়, বিবাহ থেকে বের হয়েছি।
ইবনে সাদ ও ইবনে আসাকের (র) কালবী রা. থেকে বর্ণনা করেন। তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর পাঁচ শত মাতার নাম লিপিবদ্ধ করেছি, এঁদের মধ্যে কাউকেই আমি যিনাকারিনী পাইনি। জাহেলী যুগের কোন জিনিসও তাদের কারো কাছে পাইনি। পাঁচ শত মা এর অর্থ মা ও বাবা উভয় পক্ষের দাদী, পরদাদী... ইত্যাদি।
কোন এক কবি বলেন :
مِنْ عَهْدِ آدَمَ لَمْ يَزَلْ تَحْمِي لَهُ فِي نَسْلِهَا الْأَصْلَابُ وَالْأَرْحَامُ .
حَتَّى تَنَقَّلَ فِـي نِكَاحٍ طَاهرٍ مَا ضَمَّ مُجْتَمِعَيْن فِيهِ حَرَامُ .
فَبَدا كَبَـدْرِ التمِّ لَيْلةَ وَضْعِهِ مَا شَانَ مَطْلَعَـهُ المنِيرَ قَتَامُ .
فَانْجَابَتِ الظَّلْمَاءُ مِنْ أَنْوَارِهِ وَالنُّورُ لَا يَبْقَى عَلَيْهِ ظَلَامُ .
شُكْرًا لمُهْدِيهِ إِلَيْنَا نِعْمَةً لَيْسَتْ تُحِيطُ بِكُنْهِها الْأَوْهَامُ .
আদম থেকে মায়ের গর্ভ ও বাপের পৃষ্ঠ বংশপরম্পরা তাকে হিফাযত করে এসেছে।
অবশেষে পবিত্র বিবাহের মাধ্যমে আবর্তিত হলেন। তাঁর ক্ষেত্রে স্বামী-স্ত্রীর সাথে হারাম কিছু যুক্ত হয়নি।
প্রসবের রাত তিনি পূর্ণিমার চাঁদের মত প্রকাশ পেলেন। তাঁর আলোকময় উদয়কে অন্ধকার আচ্ছন্ন করতে পারেনি ।
ফলে তাঁর আলোকে অপসারিত হল অন্ধকার। কারণ, আলোর উপর অন্ধকার বিদ্যমান থাকে না।
আমরা শুকরিয়া আদায় করছি সে দাতার, যিনি আমাদেরকে উপহার দিয়েছেন এমন এক নিয়ামত, যার মর্ম মানুষের কল্পনা নাগাল পায় না।
আবুল কাসেম মুহাম্মাদ ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে আব্দুল মুত্তালিব ইবনে হাশেম ইবনে আব্দে মানাফ ইবনে কুসাই ইবনে কিলাব ইবনে মুররা ইবনে কাআব ইবনে লুআই ইবনে গালিব ইবনে ফিহির ইবনে মালেক ইবনে নাযার ইবনে কেনানাহ ইবনে খুযাইমা ইবনে মুদরিকা ইবনে ইলয়াস ইবনে মুযার ইবনে নিযার ইবনে মাআদ্দ ইবনে আদনান।
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর এই বংশ পরিক্রমা সর্বসম্মতিক্রমে স্বীকৃত। আদনান ইসমাইল আ. এর সন্তান এ প্রসঙেও কোন দ্বিমত নেই।
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নামসমূহ
যুবাইর ইবনে মুতইম থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন,
إِنَّ لِي أَسْمَاءَ : أَنَا مُحَمَّدٌ , وَأَنَا أَحْمَدُ , وَأَنَا الماحِي الَّذِي يَمْحُو اللهُ بِيَ الْكُفْرَ، وَأَنَا الـحَاشِرُ الَّذِي يُحْشَرُ النَّاسُ عَلَى قَدَمَيَّ , وَأَنَا الْعَاقِبُ الَّذِي لَيْسَ بَعْدَهُ أَحَدٌ ] . متفق عليه [
আমার অনেকগুলো নাম রয়েছে : আমি মুহাম্মাদ, আমি আহমদ, আমি মাহী আমার দ্বারা আল্লাহ তাআলা কুফরকে মুছে দেবেন। আমি হাশের (একত্রিত কারী) আমার পায়ের নিকট মানুষদেরকে একত্রিত করা হবে। আমিই (আকিব) সর্বশেষ আগমন কারী যার পর আর কেউ আসবে না।
وَعَنْ أَبِي مُوسَى الْأَشْعَرِيِّ قَالَ : كَانَ رَسُولُ اللهِ يُسَمِّي لَنَا نَفْسَه أَسْمَاءً فَقَال : " أَنَا مُحَمَّدٌ، وَأَحْمَدُ , وَالـمُقَفِّي وَالْـحِاشِرُ وَنَبِيُّ التَّوْبَةِ، وَنَبِيّ الرَّحْمَةِ " ] رواه مسلم [
আবু মূসা আশআরী রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের কাছে তার অনেকগুলো নাম উল্লেখ করে বলতেন: আমি মুহাম্মদ, আহমদ, আল-মুকাফফা, আল হাশের, আমি তাওবার নবী, আমি রহমতের নবী। {মুসলিম}
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর জন্মধারার পবিত্রতা
এই বিষয়টি কোন দলীল প্রমাণের অপেক্ষা রাখে না যে, তিনি গোত্রীয়ভাবে বনী হাশেম এর অন্তর্ভুক্ত ও কোরাইশ বংশ-ধারার। তিনি আরবদের মধ্যে সর্বোত্তম বংশ পরিক্রমার অধিকারী। মক্কায় জন্ম গ্রহণ করেছেন যা আল্লাহর কাছে সর্বোত্তম জায়গা।
আল্লাহ তাআলা বলেন: আল্লাহই অধিক জানেন, কোথায় তিনি তার রেসালত রাখবেন।
আবু সুফিয়ান ইসলাম গ্রহণ করার পূর্বে হিরাকলিয়াসের প্রশ্নের উত্তরে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর উচ্চ বংশ মর্যাদা স্বীকার করে বলেছিলেন, তিনি আমাদের মধ্যে উঁচু বংশের অধিকারী। উত্তরে হেরাকলিয়াস বলেছিলেন, রাসূলগণ এরকমই হন। তাঁরা তাদের জাতির উঁচু বংশ ধারায় জন্মগ্রহণ করেন।
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন,
إِنَّ اللهَ عَزَّ وَجلَّ اصْطَفَى مِنْ وَلَدِ إِبْراهِيمَ إِسْمَاعِيلَ، وَاصْطَفَى مِنْ بَنِي إِسْمَاعِيلَ كِنَانَةَ، وَاصْطَفَى مِنْ بَنِي كِنَانَةَ قُرَيْشًا وَاصْطَفَى مِنْ قُرَيْشٍ بَنِي هَاشِمٍ، وَاصْطَفَانِي مِنْ بَنِي هَاشِمٍ " [ رواه مسلم ].
আল্লাহ তাআলা ইবরাহীমের সন্তানদের মধ্যে ইসমাঈলকে মনোনীত করেছেন। আর বনী ইসমাঈলের মধ্যে কেনানাকে বেছে নিয়েছেন, বনী কেনানা থেকে কুরাইশদের বেছে নিয়েছেন। আর কোরেশদের থেকে বনী হাশেমকে। আর বনী হাশেমের মধ্যে হতে আমাকে নির্বাচিত করেছেন।
তিনি যে পবিত্র বংশের, তার একটি জ্বলন্ত দৃষ্টান্ত হচ্ছে, আল্লাহ তাআলা তাঁর মাতা-পিতাকে যিনা-ব্যভিচার কর্মে জড়িত হওয়া থেকে রক্ষা করেছেন। তিনি বৈধ ও শুদ্ধভাবে সম্পাদিত বিবাহের বন্ধনে আবদ্ধ দম্পতির ঔরশজাত সন্তান। তিনি বলেন : আমি বিবাহ থেকে বের হয়েছি, যিনা থেকে বের হইনি। আদম থেকে নিয়ে আমার পিতা-মাতা আমাকে জন্মদান পর্যন্ত কোন পর্যায়েই জাহেলী যুগের যিনা ও অশ্লীলতা আমাকে স্পর্শ করেনি । [ তাবরানী: আল আওসাত, আলবানী রহ. এই হাদীসটি হাসান বলে মন্তব্য করেছেন।]
অন্য এক বর্ণনায় এসেছে: আমি আদম থেকে (নিয়ে শেষ পর্যন্ত), যিনা নয়, বিবাহ থেকে বের হয়েছি।
ইবনে সাদ ও ইবনে আসাকের (র) কালবী রা. থেকে বর্ণনা করেন। তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর পাঁচ শত মাতার নাম লিপিবদ্ধ করেছি, এঁদের মধ্যে কাউকেই আমি যিনাকারিনী পাইনি। জাহেলী যুগের কোন জিনিসও তাদের কারো কাছে পাইনি। পাঁচ শত মা এর অর্থ মা ও বাবা উভয় পক্ষের দাদী, পরদাদী... ইত্যাদি।
কোন এক কবি বলেন :
مِنْ عَهْدِ آدَمَ لَمْ يَزَلْ تَحْمِي لَهُ فِي نَسْلِهَا الْأَصْلَابُ وَالْأَرْحَامُ .
حَتَّى تَنَقَّلَ فِـي نِكَاحٍ طَاهرٍ مَا ضَمَّ مُجْتَمِعَيْن فِيهِ حَرَامُ .
فَبَدا كَبَـدْرِ التمِّ لَيْلةَ وَضْعِهِ مَا شَانَ مَطْلَعَـهُ المنِيرَ قَتَامُ .
فَانْجَابَتِ الظَّلْمَاءُ مِنْ أَنْوَارِهِ وَالنُّورُ لَا يَبْقَى عَلَيْهِ ظَلَامُ .
شُكْرًا لمُهْدِيهِ إِلَيْنَا نِعْمَةً لَيْسَتْ تُحِيطُ بِكُنْهِها الْأَوْهَامُ .
আদম থেকে মায়ের গর্ভ ও বাপের পৃষ্ঠ বংশপরম্পরা তাকে হিফাযত করে এসেছে।
অবশেষে পবিত্র বিবাহের মাধ্যমে আবর্তিত হলেন। তাঁর ক্ষেত্রে স্বামী-স্ত্রীর সাথে হারাম কিছু যুক্ত হয়নি।
প্রসবের রাত তিনি পূর্ণিমার চাঁদের মত প্রকাশ পেলেন। তাঁর আলোকময় উদয়কে অন্ধকার আচ্ছন্ন করতে পারেনি ।
ফলে তাঁর আলোকে অপসারিত হল অন্ধকার। কারণ, আলোর উপর অন্ধকার বিদ্যমান থাকে না।
আমরা শুকরিয়া আদায় করছি সে দাতার, যিনি আমাদেরকে উপহার দিয়েছেন এমন এক নিয়ামত, যার মর্ম মানুষের কল্পনা নাগাল পায় না।