১
হিযবুল্লাহ সম্পর্কে কী জানেন
লেখকঃ আলী আস-সাদিক • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ২১
হিযবুল্লাহর বয়ান ও রাজনীতিতে তাকিইয়া (আসল কথার বিপরীতে প্রকাশ্যে অন্য কথা বলে ধোকা দেওয়া) -এর ব্যবহার
আহলে-সুন্নার সাথে সবচেয়ে বেশী তাকিয়্যাহ নীতি ব্যবহার করে হিযবুল্লাহ। «الإمام المهدي ومفهوم الانتظار» গ্রন্থের ২৪০-নং পৃষ্ঠায় কাজেম মিসবাহ বলেন: “তাকিয়্যাহ নীতির আশ্রয় গ্রহণকারী বড় মুজাহিদ, সে সচেতন ও সতর্ক অবস্থায় জিহাদ করে, সে সম্ভাব্য সকল পন্থায় জিহাদ করে, সে হাত-পা বেঁধে বসে নেই, সে দীনি বিষয় ও দায়িত্ব থেকে গাফিল নয়, যেমন সরলমনা মানুষেরা মনে করে। তাকিয়্যাহ শুধু গোপন আমল নয় যে, শিয়াদের নির্দিষ্ট একটি গ্রুপ তার উপর আমল করবে, অথবা রাজনৈতিক কোনো দল তাকে লক্ষ্য হিসেবে নিবে, বরং এটা আমলের এক পদ্ধতি, যা যথাযথভাবে হিযবুল্লাহ বাস্তবায়ন করছে। তাকিয়্যাহ রাজনীতির দুর্দিন ও সুদিন সর্বাবস্থায় প্রযোজ্য...” পরবর্তী পৃষ্ঠায় তিনি বলেন: “তবে কতক সময় খতিব ও মুবাল্লিগ বাধ্য হয়ে কথা গোপন করেন, স্পষ্টতা ত্যাগ করেন ও শব্দের নোকতা পরিহার করেন, কারণ এরূপ না করলে ক্ষতির সমূহ সম্ভাবনা থাকে”।
কাজেম মিসবাহের কথায় যে চিন্তা করবে, তার বুঝতে দেরি হবে না যে, হিযবুল্লাহ স্বীয় ভাষণে তাকিয়্যাহর ব্যবহার করে। হিযবুল্লাহর ঘরের লোক হাঁটে হাড়ি ভেঙ্গে দিল। এ জন্য আমরা বারবার বলি: হিযবুল্লাহকে বিশ্বাস কর না, হাসান নাসরুল্লাহর কথা সত্য জেনো না, সে মিথ্যাবাদী। তাদের ধর্ম বাতেনি। তারা মুখে এক কথা বলে, কিন্তু অন্তরে তাদের আরেক উদ্দেশ্য থাকে। যেমন তাদের গুরু কাজেম মিসবাহ প্রকাশ করে দিয়েছেন। কখনো তারা ইনিয়ে-বিনিয়ে কথা বলেন, হাসান নাসরুল্লাহ এ পদ্ধতি বেশী ব্যবহার করে। কখনো তারা কোনো বিষয় একেবারে এড়িয়ে যায়, যেন নিজের উপর কিংবা দলের উপর কোনো অপবাদ আরোপ না হয়।
পাঠকবর্গ, এতে অবাক হবেন না, কারণ দ্বাদশ ইমামিয়াদের ধর্ম তাকিয়্যাহর আড়ালে মিথ্যা বলার অনুমতি দেয়, বরং তাকিয়্যাহর পদ্ধতিতে আল্লাহর নামেও মিথ্যা বলার অনুমতি প্রদান করে। «وسائل الشيعة» গ্রন্থের লেখক আবু আব্দুল্লাহ থেকে শ্রবণ করে বলেন: “কেউ যদি তাকিয়্যাহর আশ্রয় গ্রহণ করে মিথ্যা কসম করে, তাহলে কোনো সমস্যা নেই, যদি সে বাধ্য ও অপারগ হয়”। ইমাম শাফে‘ঈ রাহিমাহুল্লাহ তাদের ব্যাপারে বলেন: “আমি রাফেযীদের চেয়ে কাউকে অধিক মিথ্যা কসমকারী পাইনি”।
কাজেম মিসবাহের কথায় যে চিন্তা করবে, তার বুঝতে দেরি হবে না যে, হিযবুল্লাহ স্বীয় ভাষণে তাকিয়্যাহর ব্যবহার করে। হিযবুল্লাহর ঘরের লোক হাঁটে হাড়ি ভেঙ্গে দিল। এ জন্য আমরা বারবার বলি: হিযবুল্লাহকে বিশ্বাস কর না, হাসান নাসরুল্লাহর কথা সত্য জেনো না, সে মিথ্যাবাদী। তাদের ধর্ম বাতেনি। তারা মুখে এক কথা বলে, কিন্তু অন্তরে তাদের আরেক উদ্দেশ্য থাকে। যেমন তাদের গুরু কাজেম মিসবাহ প্রকাশ করে দিয়েছেন। কখনো তারা ইনিয়ে-বিনিয়ে কথা বলেন, হাসান নাসরুল্লাহ এ পদ্ধতি বেশী ব্যবহার করে। কখনো তারা কোনো বিষয় একেবারে এড়িয়ে যায়, যেন নিজের উপর কিংবা দলের উপর কোনো অপবাদ আরোপ না হয়।
পাঠকবর্গ, এতে অবাক হবেন না, কারণ দ্বাদশ ইমামিয়াদের ধর্ম তাকিয়্যাহর আড়ালে মিথ্যা বলার অনুমতি দেয়, বরং তাকিয়্যাহর পদ্ধতিতে আল্লাহর নামেও মিথ্যা বলার অনুমতি প্রদান করে। «وسائل الشيعة» গ্রন্থের লেখক আবু আব্দুল্লাহ থেকে শ্রবণ করে বলেন: “কেউ যদি তাকিয়্যাহর আশ্রয় গ্রহণ করে মিথ্যা কসম করে, তাহলে কোনো সমস্যা নেই, যদি সে বাধ্য ও অপারগ হয়”। ইমাম শাফে‘ঈ রাহিমাহুল্লাহ তাদের ব্যাপারে বলেন: “আমি রাফেযীদের চেয়ে কাউকে অধিক মিথ্যা কসমকারী পাইনি”।