১
হিযবুল্লাহ সম্পর্কে কী জানেন
লেখকঃ আলী আস-সাদিক • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৩৪
হিযবুল্লাহর লক্ষ্য মুসলিমদের মাঝে রাফেযী আকিদা প্রচার করা
হিযবুল্লাহ তাদের নিজস্ব চ্যানেল “আল-মানার” এর বদৌলতে ইসলামি বিশ্বে সুন্নিদের মাঝে শিয়া আকিদা প্রচারের ক্ষেত্রে বিশেষ সফলতা লাভ করেছে। এ চ্যানেলকে শিয়াদের মিম্বার বলা হয়, তাকিয়্যাহর লেবাস পরিধান করে তার সামনে তারা উপস্থিত হয়। এতে তারা এমন কথা বলে না, যার দ্বারা মুসলিমদের অন্তর আঘাত প্রাপ্ত হয়, বরং তারা সর্বদা মুসলিম ঐক্য ও ইয়াহূদীদের সাথে যুদ্ধের কথা বলে। হিযবুল্লাহর লিডার হাসান নাসরুল্লাহ সুন্নী ও শিয়াদের মাঝে ইখতিলাফি বিষয়গুলো আলোচনাতে আনে না, কারণ ইয়াহূদীদের থেকে লেবানন ও মসজিদে আকসা মুক্ত করার জন্য সে নিজেকে প্রতীক হিসেবে দাঁড় করিয়েছে। তাই অনেক মুসলিম তার কথায় ধোঁকা খেয়েছে, তারা তাকিয়ে আছে যে, হিযবুল্লাহ তাদেরকে ইসরাইল মুক্ত করবে!
হিযবুল্লাহ স্বীয় কর্মকাণ্ড ও নিজেদের স্বার্থে ইসরাইলের দিকে নিক্ষিপ্ত মিসাইলকে শিয়া আকিদা প্রচারের উত্তম মাধ্যম হিসেবে নিয়েছে। হিযবুল্লাহর লিডার হাসান নাসরুল্লাহ তার গুরু খোমেনির উপর রহম প্রেরণ করে, অথচ সে ইরানে ব্যাপকহারে আহলে সুন্নাহকে হত্যা করেছে। নাসরুল্লাহ খোমেনির পদাঙ্ক অনুসরণ ও তার নীতির উপর চলতে আহ্বান করে, খোমেনির মৃত্যুর পর ইরানি বিপ্লবের অভিভাবক খামেনির কাছে নাসরুল্লাহ নতুন করে বায়‘আত করে। ফলে কোনো কোনো আহলে সুন্নাহ মনে করে বসেছে যে খোমেনী ও খামেনী বুঝি দ্বীনে ইসলাম ও তার অনুসারীদের সাহায্যকারী, তাই খোমেনি ও খামেনি উভয়ের ছবি হিযবুল্লাহর প্রত্যেক জায়গায় দেখা যায়, বরং হিযবুল্লাহ উন্নত কাগজে তাদের কিতাব ছাপানো, বিতরণ করা ও বিশ্বের সকল মুসলিমের নিকট পৌঁছে দেওয়ার কাজে নিয়োজিত।
আরব দেশ থেকে হিজরত করে পশ্চিমা দেশে প্রস্থানকারী অনেকের ব্যাপারে শুনেছি, তারা হিযবুল্লাহ দ্বারা প্রভাবিত, তাদের বিশ্বাস হিযবুল্লাহ ইসলামের ঝাণ্ডা উত্তোলনকারী এবং দখলদার ইয়াহূদীদের তাড়াতে বদ্ধ পরিকর। বরং শুনেছি অনেকে তাদের রাফেযী হওয়ার ঘোষণা দিয়েছে, কারণ তারা রাফেযীদের বাতেনি (গোপন) আকিদা সম্পর্কে জানে না।
হিযবুল্লাহ স্বীয় কর্মকাণ্ড ও নিজেদের স্বার্থে ইসরাইলের দিকে নিক্ষিপ্ত মিসাইলকে শিয়া আকিদা প্রচারের উত্তম মাধ্যম হিসেবে নিয়েছে। হিযবুল্লাহর লিডার হাসান নাসরুল্লাহ তার গুরু খোমেনির উপর রহম প্রেরণ করে, অথচ সে ইরানে ব্যাপকহারে আহলে সুন্নাহকে হত্যা করেছে। নাসরুল্লাহ খোমেনির পদাঙ্ক অনুসরণ ও তার নীতির উপর চলতে আহ্বান করে, খোমেনির মৃত্যুর পর ইরানি বিপ্লবের অভিভাবক খামেনির কাছে নাসরুল্লাহ নতুন করে বায়‘আত করে। ফলে কোনো কোনো আহলে সুন্নাহ মনে করে বসেছে যে খোমেনী ও খামেনী বুঝি দ্বীনে ইসলাম ও তার অনুসারীদের সাহায্যকারী, তাই খোমেনি ও খামেনি উভয়ের ছবি হিযবুল্লাহর প্রত্যেক জায়গায় দেখা যায়, বরং হিযবুল্লাহ উন্নত কাগজে তাদের কিতাব ছাপানো, বিতরণ করা ও বিশ্বের সকল মুসলিমের নিকট পৌঁছে দেওয়ার কাজে নিয়োজিত।
আরব দেশ থেকে হিজরত করে পশ্চিমা দেশে প্রস্থানকারী অনেকের ব্যাপারে শুনেছি, তারা হিযবুল্লাহ দ্বারা প্রভাবিত, তাদের বিশ্বাস হিযবুল্লাহ ইসলামের ঝাণ্ডা উত্তোলনকারী এবং দখলদার ইয়াহূদীদের তাড়াতে বদ্ধ পরিকর। বরং শুনেছি অনেকে তাদের রাফেযী হওয়ার ঘোষণা দিয়েছে, কারণ তারা রাফেযীদের বাতেনি (গোপন) আকিদা সম্পর্কে জানে না।