১
হিযবুল্লাহ সম্পর্কে কী জানেন
লেখকঃ আলী আস-সাদিক • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ২৯
লেবানন ও অন্যান্য ইসলামি সরকার প্রসঙ্গে হিযবুল্লাহর অবস্থান
মুহাম্মদ নুমানি রচিত “আল-গায়বাহ”: (পৃ.৭২) কিতাবে এসেছে: মালিক জুহানি থেকে বর্ণিত, আবু জাফর বাকের ‘আলাইহিস সালাম বলেছেন: “কায়েম (মাহদি) এর পূর্বে যেসব ঝাণ্ডা উড্ডীন হবে, প্রত্যেক ঝাণ্ডাদার হবে তাগুত”।
মাজলিসি রচিত “বিহারুল আনওয়ার”: (খ.৫৩, পৃ.৮) গ্রন্থে এসেছে: সাদেক ‘আলাইহিস সালাম বলেছেন: “হে মুফাদদাল, কায়েম (মাহদি) এর প্রকাশ্যে আসার পূর্বে যত বায়আত হবে, প্রত্যেক বায়আত হবে কুফরি, নিফাক ও ধোঁকা, আল্লাহ তা‘আলা বায়আতকারী ও বায়আত গ্রহণকারী উভয়কে লানত করুন”। অতএব হিযবুল্লাহ গোষ্ঠী ‘দ্বাদশ ইমামিয়া শিয়া সরকার’ ব্যতীত কোনো সরকারের আনুগত্যকে জরুরি মনে করে না, তবে তাকিয়্যাহর আশ্রয়ে তারা অন্যান্য সরকারের কথা শোনে ও তাদের আনুগত্য করে”।
হুর আমেলি রচিত “অসায়েলুস শিয়াহ”: (১১/৪৬২) গ্রন্থে এসেছে, আবু আব্দুল্লাহ ‘আলাইহিস সালাম তার সাথীদের বলেন: “আহলে বাতেলের সাথে সুসম্পর্ক বজায় রাখ, তাদের কষ্ট বরদাশত কর, খবরদার তাদের গালমন্দ করবে না, তোমাদের ও তাদের মাঝে কোনো বিষয় যৌথ হলে এবং তোমরা তাদের সাথে একত্র উঠা-বসা ও কথাবার্তায় লিপ্ত হলে তোমরা তোমাদের দীনের উপর আমল কর, কারণ তাদের সাথে বসা, একত্র থাকা ও কথাবার্তায় তোমাদের তাকিয়্যাহর আশ্রয় নেওয়া জরুরি, যার নির্দেশ আল্লাহ তোমাদের দিয়েছেন”।
হুর আমেলি বলেন, “অধ্যায়: জনসাধারণের সাথে তাকিয়্যাহর আশ্রয় নেওয়া ওয়াজিব”: আবু বাসির থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: আবু জাফর বলেছেন: “যখন বাচ্চাদের ন্যায় রাষ্ট্র কায়েম হয়, তখন পাবলিকের সাথে বাহ্যিকভাবে মিল রাখ ও অভ্যন্তরীণভাবে তাদের বিরোধিতা কর”। [“অসায়েলুস শিয়াহ”: (১১/৪৭০-৪৭১)]
হুর আমেলি রচিত “অসায়েলুস শিয়াহ”: (১১/৪৭১) গ্রন্থে আরো এসেছে: “অধ্যায়: তাকিয়্যাহর ভিত্তিতে সরকারের আনুগত্য করা ওয়াজিব”। এ প্রসঙ্গে তিনি একাধিক হাদিস! [হাদীস বলে এখানে রাসূলের হাদীস বোঝানো হয়নি। কারণ, শিয়ারা রাসূলের হাদীসের ব্যাপারে কোনো গুরুত্ব দেয় না। তাদের ইমামদের উপর মিথ্যাচার করে যা লেখা হয়েছে সেটাকেই তারা হাদীস বলে থাকে। [সম্পাদক]] বর্ণনা করেন, সরকারের সাথে তাকিয়্যাহর আশ্রয় নেওয়া এবং তাদের সাথে বাহ্যিকভাবে সম্পর্ক রাখা ওয়াজিব।
শিয়াদের কেন্দ্রীয় আলেম (রিসোর্স পার্সন) মুহাম্মদ হুসাইন ফাদলুল্লাহ এক প্রশ্নের উত্তরে বলেন: “অতীতে যারা ইসলামের নামে শাসন করেছে, আমরা বিশ্বাস করি না তারা ইসলাম অনুযায়ী শাসন করেছে। উদাহরণত আমরা বিশ্বাস করি না উসমানি খিলাফত ইনসাফপূর্ণ, স্বাধীন ও ইসলামি ছিল”। [দেখুন: الإسلام والكونجرس الأمريكي আহমদ খিদির এর প্রবন্ধ, مجلة المجتمع ম্যাগাজিন, সংখ্যা: (৯৫৩), (পৃ.৪৫)]
আরব উপসাগরীয় দেশে হিযবুল্লাহর শাখার বর্ণনায় আমরা পূর্বে উল্লেখ করছি, হিযবুল্লাহ ও তার শাখাসমূহ তাদের সরকারের সাথে দ্বিমুখী আচরণ করে, তাদের দৃষ্টিতে সরকারগুলো তাগুত, তাদেরকে পদচ্যুত করে ইরানি সরকারের আদলে শিয়া রাষ্ট্র কায়েম করা ওয়াজিব।
মাজলিসি রচিত “বিহারুল আনওয়ার”: (খ.৫৩, পৃ.৮) গ্রন্থে এসেছে: সাদেক ‘আলাইহিস সালাম বলেছেন: “হে মুফাদদাল, কায়েম (মাহদি) এর প্রকাশ্যে আসার পূর্বে যত বায়আত হবে, প্রত্যেক বায়আত হবে কুফরি, নিফাক ও ধোঁকা, আল্লাহ তা‘আলা বায়আতকারী ও বায়আত গ্রহণকারী উভয়কে লানত করুন”। অতএব হিযবুল্লাহ গোষ্ঠী ‘দ্বাদশ ইমামিয়া শিয়া সরকার’ ব্যতীত কোনো সরকারের আনুগত্যকে জরুরি মনে করে না, তবে তাকিয়্যাহর আশ্রয়ে তারা অন্যান্য সরকারের কথা শোনে ও তাদের আনুগত্য করে”।
হুর আমেলি রচিত “অসায়েলুস শিয়াহ”: (১১/৪৬২) গ্রন্থে এসেছে, আবু আব্দুল্লাহ ‘আলাইহিস সালাম তার সাথীদের বলেন: “আহলে বাতেলের সাথে সুসম্পর্ক বজায় রাখ, তাদের কষ্ট বরদাশত কর, খবরদার তাদের গালমন্দ করবে না, তোমাদের ও তাদের মাঝে কোনো বিষয় যৌথ হলে এবং তোমরা তাদের সাথে একত্র উঠা-বসা ও কথাবার্তায় লিপ্ত হলে তোমরা তোমাদের দীনের উপর আমল কর, কারণ তাদের সাথে বসা, একত্র থাকা ও কথাবার্তায় তোমাদের তাকিয়্যাহর আশ্রয় নেওয়া জরুরি, যার নির্দেশ আল্লাহ তোমাদের দিয়েছেন”।
হুর আমেলি বলেন, “অধ্যায়: জনসাধারণের সাথে তাকিয়্যাহর আশ্রয় নেওয়া ওয়াজিব”: আবু বাসির থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: আবু জাফর বলেছেন: “যখন বাচ্চাদের ন্যায় রাষ্ট্র কায়েম হয়, তখন পাবলিকের সাথে বাহ্যিকভাবে মিল রাখ ও অভ্যন্তরীণভাবে তাদের বিরোধিতা কর”। [“অসায়েলুস শিয়াহ”: (১১/৪৭০-৪৭১)]
হুর আমেলি রচিত “অসায়েলুস শিয়াহ”: (১১/৪৭১) গ্রন্থে আরো এসেছে: “অধ্যায়: তাকিয়্যাহর ভিত্তিতে সরকারের আনুগত্য করা ওয়াজিব”। এ প্রসঙ্গে তিনি একাধিক হাদিস! [হাদীস বলে এখানে রাসূলের হাদীস বোঝানো হয়নি। কারণ, শিয়ারা রাসূলের হাদীসের ব্যাপারে কোনো গুরুত্ব দেয় না। তাদের ইমামদের উপর মিথ্যাচার করে যা লেখা হয়েছে সেটাকেই তারা হাদীস বলে থাকে। [সম্পাদক]] বর্ণনা করেন, সরকারের সাথে তাকিয়্যাহর আশ্রয় নেওয়া এবং তাদের সাথে বাহ্যিকভাবে সম্পর্ক রাখা ওয়াজিব।
শিয়াদের কেন্দ্রীয় আলেম (রিসোর্স পার্সন) মুহাম্মদ হুসাইন ফাদলুল্লাহ এক প্রশ্নের উত্তরে বলেন: “অতীতে যারা ইসলামের নামে শাসন করেছে, আমরা বিশ্বাস করি না তারা ইসলাম অনুযায়ী শাসন করেছে। উদাহরণত আমরা বিশ্বাস করি না উসমানি খিলাফত ইনসাফপূর্ণ, স্বাধীন ও ইসলামি ছিল”। [দেখুন: الإسلام والكونجرس الأمريكي আহমদ খিদির এর প্রবন্ধ, مجلة المجتمع ম্যাগাজিন, সংখ্যা: (৯৫৩), (পৃ.৪৫)]
আরব উপসাগরীয় দেশে হিযবুল্লাহর শাখার বর্ণনায় আমরা পূর্বে উল্লেখ করছি, হিযবুল্লাহ ও তার শাখাসমূহ তাদের সরকারের সাথে দ্বিমুখী আচরণ করে, তাদের দৃষ্টিতে সরকারগুলো তাগুত, তাদেরকে পদচ্যুত করে ইরানি সরকারের আদলে শিয়া রাষ্ট্র কায়েম করা ওয়াজিব।