১
হিযবুল্লাহ সম্পর্কে কী জানেন
লেখকঃ আলী আস-সাদিক • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ২৫
হিযবুল্লাহ কার বন্ধু ?
এতে সন্দেহ নই যে, শিয়া রাফেযী হিযবুল্লাহর প্রথম বন্ধুত্ব ইরান, দ্বিতীয় বন্ধু সমাজতান্ত্রিক শাসক সিরিয়ার নুসাইরিগণ। «الراصد» ম্যাগাজিনে ولاء الشيعة لمن “শিয়াদের বন্ধুত্ব কার জন্য”? শিরোনামে একটি প্রবন্ধ ছাপা হয়েছে, তাতে লেখক [দেখুন: الراصد ম্যাগাজিন, সংখ্যা: (৩৪), রবিউস সানি: ১৪২৭হি. আমরা সেখান থেকে হিযবুল্লাহ সংক্রান্ত অংশটুকু উদ্ধৃত করেছি। আপনি পূর্ণ প্রবন্ধটি দেখার জন্য http://www.alrased.net ওয়েব সাইট ব্রাউজ করুন।] বলেন:
১. খোমেনি শাসনের ছায়াতলে সকল শিয়াকে একত্র করার জন্য ইরান হিযবুল্লাহ প্রতিষ্ঠা করে। হিযবুল্লাহর ভারপ্রাপ্ত সেক্রেটারি জেনারেল নায়িম কাসেম বলেন: “মুমিনদের একটি দলের অন্তরে বিলায়াতুল ফকিহ থিউরিকে বাস্তব রূপ দেওয়া এবং সকল মুসলিম উম্মাহকে তার অধীনে সমবেত করা জরুরি, যার থেকে কোনো দেশ ও সম্প্রদায় যেন বাদ না থাকে। এ থিউরি নিয়ে লেবানন থেকে নয় সদস্যের একটি জামাত খোমেনির নিকট ইরান গমন করেন এবং তারা হিযবুল্লাহ নামের সংগঠন প্রতিষ্ঠার যৌক্তিকতা পেশ করেন, খোমেনি তাদেরকে সমর্থন করেন ও তাদের জন্য বরকতের জিকির">দোয়া করেন”। [দেখুন: আমিন মুস্তফা রচিত, المقاومة في لبنان (পৃ.৪২৫), দারুল হাদি থেকে প্রকাশিত।]
২. ১৪/৮/১৯৯৫ই. তারিখে «الشراع» ম্যাগাজিন ড. গাসসান ইজ্জির রচিত حزب الله (পৃ.৩৪) গ্রন্থের সূত্রে উল্লেখ করে: হিযবুল্লাহর নেতৃত্বে দু’জন ইরানি সদস্য রয়েছে!
৩. হাসান নাসরুল্লাহ হিযবুল্লাহর প্রধান এবং লেবাননে শিয়া নেতৃবৃন্দের একজন হওয়া সত্যেও কিভাবে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আলী খামেনির প্রতিনিধি হন। একাধিক ছবিতে প্রকাশ যে, হাসান নাসরুল্লাহ লেবাননের অপর নেতা মুহাম্মদ হুসাইন ফাদলুল্লার উপস্থিতিতে খামেনির হাতে চুমু খাচ্ছেন।
যদি লেবানন ও ইরান যুদ্ধ বাঁধে, যার পূর্বাভাস বর্তমান আকাশে দেখা যাচ্ছে, তাহলে নাসরুল্লাহ এবং তার পশ্চাতে হিযবুল্লাহ ও শিয়ারা কার পক্ষাবলম্বন করবে, লেবানন না ইরান?
৪. পূর্বে দেখেছি, যখন ‘হরকতে আমাল’ ও হিযবুল্লাহর নেতৃত্ব নিয়ে সংঘাত বেঁধেছে, তারা ইরান থেকে ফয়সালা নিয়েছে। [দেখুন: রচিত دولة حزب الله (পৃ.১১৯)]
৫. ‘হরকতে আমাল’ ১৯৮২ই. সালের মার্চে অনুষ্ঠিত ৪র্থ সম্মেলনে ঘোষণা করে: ‘আমাল’ ইরানি ইসলামি বিপ্লবের একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ। [দেখুন: রচিত دولة حزب الله (পৃ.১১৯)]
৬. হিযবুল্লাহ খোমেনির ‘বিলায়াতুল ফকিহ’ থিউরির অন্তর্ভুক্ত হওয়ার ফলে ইরানি গবেষক ড. মাসউদ আসাদ আল্লাহি স্বীয় রচনা «الإسلاميون في مجتمع تعددي» গ্রন্থে (পৃ.৩২১) বলেন: “বিলাওয়াতুল ফকিহ হিসেবে খোমেনির নেতৃত্ব নির্দিষ্ট ভূখণ্ড অথবা নির্দিষ্ট সীমানায় সীমাবদ্ধ নয়, সুতরাং এ নেতৃত্ব বাস্তবায়নের পথে যে কোনো বাধা বা সীমানা নির্ধারণ অবৈধ বলে বিবেচিত হবে। তাই লেবাননের হিযবুল্লাহ বিশ্বব্যাপী সম্প্রসারিত হিযবুল্লাহর অংশ হয়ে কাজ করছে... এসব মন্তব্য থেকে প্রকাশ পায় যে, হিযবুল্লাহ ওলীয়ে ফকীহ (খোমেনী/খামেনী) বা ইরানের যে কোনো সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করতে প্রস্তুত”।
১. খোমেনি শাসনের ছায়াতলে সকল শিয়াকে একত্র করার জন্য ইরান হিযবুল্লাহ প্রতিষ্ঠা করে। হিযবুল্লাহর ভারপ্রাপ্ত সেক্রেটারি জেনারেল নায়িম কাসেম বলেন: “মুমিনদের একটি দলের অন্তরে বিলায়াতুল ফকিহ থিউরিকে বাস্তব রূপ দেওয়া এবং সকল মুসলিম উম্মাহকে তার অধীনে সমবেত করা জরুরি, যার থেকে কোনো দেশ ও সম্প্রদায় যেন বাদ না থাকে। এ থিউরি নিয়ে লেবানন থেকে নয় সদস্যের একটি জামাত খোমেনির নিকট ইরান গমন করেন এবং তারা হিযবুল্লাহ নামের সংগঠন প্রতিষ্ঠার যৌক্তিকতা পেশ করেন, খোমেনি তাদেরকে সমর্থন করেন ও তাদের জন্য বরকতের জিকির">দোয়া করেন”। [দেখুন: আমিন মুস্তফা রচিত, المقاومة في لبنان (পৃ.৪২৫), দারুল হাদি থেকে প্রকাশিত।]
২. ১৪/৮/১৯৯৫ই. তারিখে «الشراع» ম্যাগাজিন ড. গাসসান ইজ্জির রচিত حزب الله (পৃ.৩৪) গ্রন্থের সূত্রে উল্লেখ করে: হিযবুল্লাহর নেতৃত্বে দু’জন ইরানি সদস্য রয়েছে!
৩. হাসান নাসরুল্লাহ হিযবুল্লাহর প্রধান এবং লেবাননে শিয়া নেতৃবৃন্দের একজন হওয়া সত্যেও কিভাবে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আলী খামেনির প্রতিনিধি হন। একাধিক ছবিতে প্রকাশ যে, হাসান নাসরুল্লাহ লেবাননের অপর নেতা মুহাম্মদ হুসাইন ফাদলুল্লার উপস্থিতিতে খামেনির হাতে চুমু খাচ্ছেন।
যদি লেবানন ও ইরান যুদ্ধ বাঁধে, যার পূর্বাভাস বর্তমান আকাশে দেখা যাচ্ছে, তাহলে নাসরুল্লাহ এবং তার পশ্চাতে হিযবুল্লাহ ও শিয়ারা কার পক্ষাবলম্বন করবে, লেবানন না ইরান?
৪. পূর্বে দেখেছি, যখন ‘হরকতে আমাল’ ও হিযবুল্লাহর নেতৃত্ব নিয়ে সংঘাত বেঁধেছে, তারা ইরান থেকে ফয়সালা নিয়েছে। [দেখুন: রচিত دولة حزب الله (পৃ.১১৯)]
৫. ‘হরকতে আমাল’ ১৯৮২ই. সালের মার্চে অনুষ্ঠিত ৪র্থ সম্মেলনে ঘোষণা করে: ‘আমাল’ ইরানি ইসলামি বিপ্লবের একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ। [দেখুন: রচিত دولة حزب الله (পৃ.১১৯)]
৬. হিযবুল্লাহ খোমেনির ‘বিলায়াতুল ফকিহ’ থিউরির অন্তর্ভুক্ত হওয়ার ফলে ইরানি গবেষক ড. মাসউদ আসাদ আল্লাহি স্বীয় রচনা «الإسلاميون في مجتمع تعددي» গ্রন্থে (পৃ.৩২১) বলেন: “বিলাওয়াতুল ফকিহ হিসেবে খোমেনির নেতৃত্ব নির্দিষ্ট ভূখণ্ড অথবা নির্দিষ্ট সীমানায় সীমাবদ্ধ নয়, সুতরাং এ নেতৃত্ব বাস্তবায়নের পথে যে কোনো বাধা বা সীমানা নির্ধারণ অবৈধ বলে বিবেচিত হবে। তাই লেবাননের হিযবুল্লাহ বিশ্বব্যাপী সম্প্রসারিত হিযবুল্লাহর অংশ হয়ে কাজ করছে... এসব মন্তব্য থেকে প্রকাশ পায় যে, হিযবুল্লাহ ওলীয়ে ফকীহ (খোমেনী/খামেনী) বা ইরানের যে কোনো সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করতে প্রস্তুত”।