১
হিযবুল্লাহ সম্পর্কে কী জানেন
লেখকঃ আলী আস-সাদিক • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৫
লেবাননে হিযবুল্লাহর প্রতিষ্ঠাতা ও নেতৃবৃন্দের পরিচয়
লেবাননের খোমেনি খ্যাত মুহাম্মদ হুসাইন ফাদলুল্লাহ, সুবহি তুফাইলি, হাসান নাসরুল্লাহ, ইবরাহিম আমিন, আব্বাস মুসাভি, নায়িম কাসেম, জুহাইর কাঞ্জ, মুহাম্মদ উজবেক ও রাগেব হারব প্রমুখদের দ্বারা ইরান নতুন এ সংগঠনটি তৈরি করে, যার নাম হিযবুল্লাহ। [দেখুন: حزب الله من الحلم الأيديولوجي إلى الواقعية السياسية لغسان العزي (পৃ.৩২) এবং وأمل والمخيمات الفلسطينية ص 179. (পৃ.১৭৯)] তারা সবাই ‘হরকতে আমালে’র সদস্য ছিল।
‘আমাল’ ও ‘হিযবুল্লাহ’ একত্র কাজ করার কথা থাকলেও কর্তৃত্ব নিয়ে উভয়ের মাঝে অতি দ্রুত মতভেদ দেখা দেয়, উভয়ে শিয়া অধ্যুষিত এলাকাসমূহে নিজ নিজ নেতৃত্ব প্রতিষ্ঠার লড়াইয়ে মরিয়া হয়ে উঠে। বহু ঘটনা ও হতাহতের পর হিযবুল্লাহ দক্ষিণ লেবাননের অধিকাংশ এলাকায় স্বীয় কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠায় সফল হয়, ধীরে ধীরে তার সমর্থন বাড়তে থাকে, কারণ ইরানের অর্থায়নে সে শিয়াদের মাঝে ব্যাপক উন্নয়নমূলক কাজ করার সুযোগ পায়।
হিযবুল্লাহ আজ মুসলিম উম্মার জন্য বড় হুমকি ও কঠিন বাঁধা। তার বাহ্যিক রূপ আল্লাহর দুশমন ইয়াহূদী ও খ্রিস্টানদের সাথে যুদ্ধ করা, কিন্তু প্রকৃত রূপ হচ্ছে শিয়া মতবাদের প্রসার ও মুসলিম দেশসমূহে খোমেনির বিপ্লব রপ্তানি করা।
‘আমাল’ ও ‘হিযবুল্লাহ’ একত্র কাজ করার কথা থাকলেও কর্তৃত্ব নিয়ে উভয়ের মাঝে অতি দ্রুত মতভেদ দেখা দেয়, উভয়ে শিয়া অধ্যুষিত এলাকাসমূহে নিজ নিজ নেতৃত্ব প্রতিষ্ঠার লড়াইয়ে মরিয়া হয়ে উঠে। বহু ঘটনা ও হতাহতের পর হিযবুল্লাহ দক্ষিণ লেবাননের অধিকাংশ এলাকায় স্বীয় কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠায় সফল হয়, ধীরে ধীরে তার সমর্থন বাড়তে থাকে, কারণ ইরানের অর্থায়নে সে শিয়াদের মাঝে ব্যাপক উন্নয়নমূলক কাজ করার সুযোগ পায়।
হিযবুল্লাহ আজ মুসলিম উম্মার জন্য বড় হুমকি ও কঠিন বাঁধা। তার বাহ্যিক রূপ আল্লাহর দুশমন ইয়াহূদী ও খ্রিস্টানদের সাথে যুদ্ধ করা, কিন্তু প্রকৃত রূপ হচ্ছে শিয়া মতবাদের প্রসার ও মুসলিম দেশসমূহে খোমেনির বিপ্লব রপ্তানি করা।