১
অন্তরের আমল দ্বীনদারি
লেখকঃ মুহাম্মাদ সালেহ আল-মুনাজ্জেদ • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ১০
প্রকাশ্যে ও গোপনে পরহেজগারি ও দ্বীনদারি অবলম্বন করা:
একটি কথা মনে রাখতে হবে, সত্যিকার দ্বীনদার বা পরহেজগার তারা, যারা প্রকাশ্যে ও গোপনে উভয় অবস্থায় দ্বীনদারি অবলম্বন করে: তারা লোক দেখানোর জন্য শুধু প্রকাশ্যে দ্বীনদারি আর গোপনে নাফরমানি অবলম্বন করে না। অনেক মানুষ আছে তাদের চেহারা মানুষের সামনে এক রকম আর মানুষের অগোচরে অন্য রকম। এরা লোক দেখানোর জন্য দীনদারি অবলম্বন করে বাস্তবে তারা দ্বীনদার নয়। এরা মূলত: মুদ্রার এপিঠ ওপিঠ। আল্লাহ রাব্বুল আলামীন আমাদের তাদের মত হওয়া থেকে হেফাজত করুন। আমীন।
মানব সমাজে এ ধরনের লোকের অভাব নাই। এদেরকে কেউ বিশ্বাস করে না এবং সমাজে তাদের কোন অবস্থান থাকে না। তারা যখন যা করার সুযোগ পায় তা করে।
আব্দুল্লাহ ইবনে ওমর রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু তার সাথী সঙ্গীদের নিয়ে একদিন মদিনার অদূরে কোন এক প্রান্তে মানুষের অবস্থা পর্যবেক্ষণে বের হন। স্থানীয় লোকেরা তাদের জন্য খাওয়া দাওয়ার আয়োজন করে এবং তাদের জন্য খাওয়ার দস্তরখান বিছিয়ে দেয়। তারা সবাই খাওয়ার দস্তরখানে বসল এমতাবস্থায় একজন ছাগলের রাখাল তাদের সালাম দিল। তখন আব্দুল্লাহ ইবন ওমর রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু রাখালকে বলল, হে রাখাল! তুমি আস, আমাদের সাথে খাওয়াতে শরিক হও। সে বলল, না আমি খাব না আমি রোজাদার। তখন আব্দুল্লাহ ইবন ওমর রাখালকে বলল, তুমি এ প্রচণ্ড গরমের দিনে রোজা রাখছ এবং রোজা রেখে এ পাহাড়ের পাদদেশে ছাগল চরাচ্ছ! আব্দুল্লাহ ইবন ওমরের কথার উত্তরে সে বলল, আল্লাহ রাব্বুল আলামীন এর কসম করে বলছি, আমি সে দিনের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছি যেদিন আমাদের খালি হাতে একত্র হতে হবে। একমাত্র আমল ছাড়া আমার আর কিছুই থাকবে না। তারপর আব্দুল্লাহ ইবন ওমর রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু তাকে পরীক্ষা করার উদ্দেশ্যে বললেন, তুমি আমাদের নিকট তোমার এ ছাগলগুলো হতে একটি ছাগল বিক্রি করবে? যদি বিক্রি কর আমরা তোমাকে ছাগলের মূল্য দেব এবং জবেহ করে তোমার জন্য গোস্ত দেব, যাতে তুমি গোস্ত দিয়ে ইফতার করতে পার। তখন সে বলল, এখানে যে ছাগলগুলো দেখছেন, তার একটিও আমার ছাগল না, এগুলো সব আমার মুনিবের। যখন তুমি একটি ছাগল হারাই ফেল, তখন তোমার মুনিবের আর কিছুই করার থাকবে না। তুমি বলবে একটি ছাগল বাঘে খেয়ে ফেলছে। এ কথা শোনে রাখালটি আকাশের দিকে হাত উঁচা করে এ কথা বলতে বলতে দৌড় দিল, আল্লাহ কোথায়? আল্লাহ কোথায়? [শুয়াবুল ঈমান:৫২৫১.]। তারপর ইবন ওমর রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু রাখালের কথাটি বলত এবং তাকে স্মরণ করত। তিনি যখন মদিনায় ফিরে আসে তখন তার মুনিবকে ডেকে পাঠালেন এবং তার থেকে তার ছাগলগুলো এবং রাখালকে কিনে নীল, তারপর রাখালকে মুক্ত করে দিল এবং তাকে ছাগলগুলো দিয়ে দিল।
একেই বলে দ্বীনদারি!। যে প্রকাশ্যে এবং গোপনে আল্লাহ রাব্বুল আলামীনকে ভয় করে এবং মুনিবের পিছনের মুনিবের খিয়ানত করে না।
মানব সমাজে এ ধরনের লোকের অভাব নাই। এদেরকে কেউ বিশ্বাস করে না এবং সমাজে তাদের কোন অবস্থান থাকে না। তারা যখন যা করার সুযোগ পায় তা করে।
আব্দুল্লাহ ইবনে ওমর রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু তার সাথী সঙ্গীদের নিয়ে একদিন মদিনার অদূরে কোন এক প্রান্তে মানুষের অবস্থা পর্যবেক্ষণে বের হন। স্থানীয় লোকেরা তাদের জন্য খাওয়া দাওয়ার আয়োজন করে এবং তাদের জন্য খাওয়ার দস্তরখান বিছিয়ে দেয়। তারা সবাই খাওয়ার দস্তরখানে বসল এমতাবস্থায় একজন ছাগলের রাখাল তাদের সালাম দিল। তখন আব্দুল্লাহ ইবন ওমর রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু রাখালকে বলল, হে রাখাল! তুমি আস, আমাদের সাথে খাওয়াতে শরিক হও। সে বলল, না আমি খাব না আমি রোজাদার। তখন আব্দুল্লাহ ইবন ওমর রাখালকে বলল, তুমি এ প্রচণ্ড গরমের দিনে রোজা রাখছ এবং রোজা রেখে এ পাহাড়ের পাদদেশে ছাগল চরাচ্ছ! আব্দুল্লাহ ইবন ওমরের কথার উত্তরে সে বলল, আল্লাহ রাব্বুল আলামীন এর কসম করে বলছি, আমি সে দিনের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছি যেদিন আমাদের খালি হাতে একত্র হতে হবে। একমাত্র আমল ছাড়া আমার আর কিছুই থাকবে না। তারপর আব্দুল্লাহ ইবন ওমর রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু তাকে পরীক্ষা করার উদ্দেশ্যে বললেন, তুমি আমাদের নিকট তোমার এ ছাগলগুলো হতে একটি ছাগল বিক্রি করবে? যদি বিক্রি কর আমরা তোমাকে ছাগলের মূল্য দেব এবং জবেহ করে তোমার জন্য গোস্ত দেব, যাতে তুমি গোস্ত দিয়ে ইফতার করতে পার। তখন সে বলল, এখানে যে ছাগলগুলো দেখছেন, তার একটিও আমার ছাগল না, এগুলো সব আমার মুনিবের। যখন তুমি একটি ছাগল হারাই ফেল, তখন তোমার মুনিবের আর কিছুই করার থাকবে না। তুমি বলবে একটি ছাগল বাঘে খেয়ে ফেলছে। এ কথা শোনে রাখালটি আকাশের দিকে হাত উঁচা করে এ কথা বলতে বলতে দৌড় দিল, আল্লাহ কোথায়? আল্লাহ কোথায়? [শুয়াবুল ঈমান:৫২৫১.]। তারপর ইবন ওমর রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু রাখালের কথাটি বলত এবং তাকে স্মরণ করত। তিনি যখন মদিনায় ফিরে আসে তখন তার মুনিবকে ডেকে পাঠালেন এবং তার থেকে তার ছাগলগুলো এবং রাখালকে কিনে নীল, তারপর রাখালকে মুক্ত করে দিল এবং তাকে ছাগলগুলো দিয়ে দিল।
একেই বলে দ্বীনদারি!। যে প্রকাশ্যে এবং গোপনে আল্লাহ রাব্বুল আলামীনকে ভয় করে এবং মুনিবের পিছনের মুনিবের খিয়ানত করে না।