১
অন্তরের আমল দ্বীনদারি
লেখকঃ মুহাম্মাদ সালেহ আল-মুনাজ্জেদ • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৩৯
আল্লাহ রাব্বুল আলামীনের সাথে সাক্ষাতে ইয়াকীন করা এবং মৃত্যু সংঘটিত হওয়ার বিষয়ে চিন্তা করা:
ইয়াহইয়া ইবন মায়ায রহ. বলেন, তিনটি অভ্যাসের চর্চা দ্বারা দ্বীনদারি অর্জন হয়: আত্ম-মর্যাদা, বিশুদ্ধ বিশ্বাস এবং মৃত্যু সংঘটিত হওয়ার অনুভূতি [হুলিয়াতুল আওলিয়া ৬৮/১০.]।
আত্ম-মর্যাদাবোধ মানুষকে অনেক অপরাধমুলক কাজ হতে বিরত রাখে। যাদের মধ্যে আত্ম-মর্যাদাবোধ আছে, তারা তাদের সম্মানহানি হয়, এমন কোন কাজ করে না। সমাজ বিরোধী কার্যকলাপ হতে তারা তাদের নিজেদের বিরত রাখে। তারা কোন কাজ করার পূর্বে অবশ্যই চিন্তা-ভাবনা করে থাকে।
বিশ্বাসের সাথে দ্বীনদারি নিবিঢ় সম্পর্ক রয়েছে। বিশ্বাস অনুযায়ী মানুষের আমলের পরিবর্তন হয়ে থাকে। একজন মানুষ সে কাজটি করে যা সে বিশ্বাস করে। সুতরাং, মানুষের বিশ্বাসের শুদ্ধতা খুবই জরুরি। যখন বিশ্বাস শুদ্ধ হবে তখন তার আমলও শুদ্ধ হবে। আর বিশ্বাস যদি ফাসেদ হয় তখন তার আমলও ফাসেদ হবে।
মৃত্যু মানুষের জন্য অবধারিত এ কথা কারোরই অজানা নয়। তবে মানুষ যখন মৃত্যুর কথা চিন্তা করে তখন তার অন্তর নরম হয় এবং দুনিয়ার প্রতি তার মহব্বত দুর্বল হয়। যে ব্যক্তি বেশি বেশি মৃত্যুকে স্মরণ করবে, সে দুনিয়া বিমুখ হবে এবং আখিরাতমুখি হবে। তখন তার মধ্যে দ্বীনদারি অর্জন হবে।
আত্ম-মর্যাদাবোধ মানুষকে অনেক অপরাধমুলক কাজ হতে বিরত রাখে। যাদের মধ্যে আত্ম-মর্যাদাবোধ আছে, তারা তাদের সম্মানহানি হয়, এমন কোন কাজ করে না। সমাজ বিরোধী কার্যকলাপ হতে তারা তাদের নিজেদের বিরত রাখে। তারা কোন কাজ করার পূর্বে অবশ্যই চিন্তা-ভাবনা করে থাকে।
বিশ্বাসের সাথে দ্বীনদারি নিবিঢ় সম্পর্ক রয়েছে। বিশ্বাস অনুযায়ী মানুষের আমলের পরিবর্তন হয়ে থাকে। একজন মানুষ সে কাজটি করে যা সে বিশ্বাস করে। সুতরাং, মানুষের বিশ্বাসের শুদ্ধতা খুবই জরুরি। যখন বিশ্বাস শুদ্ধ হবে তখন তার আমলও শুদ্ধ হবে। আর বিশ্বাস যদি ফাসেদ হয় তখন তার আমলও ফাসেদ হবে।
মৃত্যু মানুষের জন্য অবধারিত এ কথা কারোরই অজানা নয়। তবে মানুষ যখন মৃত্যুর কথা চিন্তা করে তখন তার অন্তর নরম হয় এবং দুনিয়ার প্রতি তার মহব্বত দুর্বল হয়। যে ব্যক্তি বেশি বেশি মৃত্যুকে স্মরণ করবে, সে দুনিয়া বিমুখ হবে এবং আখিরাতমুখি হবে। তখন তার মধ্যে দ্বীনদারি অর্জন হবে।