১
অন্তরের আমল দ্বীনদারি
লেখকঃ মুহাম্মাদ সালেহ আল-মুনাজ্জেদ • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৫০
লজ্জা করা:
লজ্জা ঈমানের একটি গুরুত্বপূর্ণ শাখা। যখন কোন মানুষের মধ্যে লজ্জা থাকে তা তাকে অনেক অনৈতিক ও অপকর্ম হতে বিরত রাখে। লজ্জাবোধ থাকার কারণে একজন মানুষ অসামাজিক ও অনৈতিক কোন কাজ করতে পারে না। যাদের লজ্জা থাকে সমাজে তারা সম্মানের অধিকারী হয়। পক্ষান্তরে যাদের লজ্জা থাকে না তারা যে কোন ধরনের অপকর্ম করতে কুণ্ঠাবোধ করে না। তারা যা ইচ্ছা তা করতে পারে। মানুষের অধিকাংশ অপকর্ম সংঘটিত হয়, তার মধ্যে লজ্জাবোধ না থাকার কারণে। সুতরাং, মনে রাখতে হবে, লজ্জা দ্বীনদারি অর্জন করার গুরুত্বপূর্ণ সোপান। লজ্জা ছাড়া দ্বীনদারি কোন ক্রমেই সম্ভব নয়। তবে লজ্জা দ্বারা উদ্দেশ্য ইসলামী শরিয়ত যেসব বিষয়ে লজ্জা করতে আদেশ দিয়েছে সেসব বিষয়ে লজ্জা করা। যেমন- ব্যভিচার করা, চুরি করা, ডাকাতি করা, উলঙ্গ হওয়া, বেহায়াপনা ও মদ্য পান ইত্যাদি অসামাজিক ও অনৈতিক কাজ থেকে লজ্জা করা। অনেক লোক আছে তারা ভালো কাজ করতে লজ্জা করে এ ধরনের লজ্জাকে লজ্জা বলা হয় না। যেমন, অনেকে আছে সালাম দিতে লজ্জা করে, সালাম আদায় করতে লজ্জা করে এবং বৈধ কোন কাজ করতে লজ্জা করে এ ধরনের লজ্জাকে লজ্জা বলা যাবে।
ওমর ইবনুল খাত্তাব রহ. বলেন, যার লজ্জা কম হয়, তার তাকওয়াও কম হয় আর যার তাকওয়া কম হয়, তার অন্তর মারা যায় [তিবরানির আল-মুজামুল আওসাত: ৩৭০/২.]।
যখন কোন মানুষের অন্তর মারা যায়, তখন আশঙ্কা থাকে সে দুনিয়া থেকে ঈমান হারা হয়ে কবরে যাবে। আর যারা ঈমান হারা হয়ে কবরে যায় তাদের পরিণতি যে কি হবে তা বলার অপেক্ষা রাখে না।
ওমর ইবনুল খাত্তাব রহ. বলেন, যার লজ্জা কম হয়, তার তাকওয়াও কম হয় আর যার তাকওয়া কম হয়, তার অন্তর মারা যায় [তিবরানির আল-মুজামুল আওসাত: ৩৭০/২.]।
যখন কোন মানুষের অন্তর মারা যায়, তখন আশঙ্কা থাকে সে দুনিয়া থেকে ঈমান হারা হয়ে কবরে যাবে। আর যারা ঈমান হারা হয়ে কবরে যায় তাদের পরিণতি যে কি হবে তা বলার অপেক্ষা রাখে না।