১
অন্তরের আমল দ্বীনদারি
লেখকঃ মুহাম্মাদ সালেহ আল-মুনাজ্জেদ • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৪২
দুনিয়া বিমুখ হওয়া:
মানুষকে দুনিয়াতেই বেঁচে থাকতে হয় এবং দুনিয়ার জীবন তাদের আবশ্যকীয়। দুনিয়াতে বেঁচে থেকেই আখিরাত কামাই করতে হবে। তবে দুনিয়া মানুষের জন্য একে বারেই নগণ্য বস্তু। এখানে তাকে সামান্য সময় বেঁচে থাকতে হবে। তারপর তাকে অবশ্যই তার আসল গন্তব্য আখিরাতের পথে পাড়ি দিতে হবে। দুনিয়া কারো জন্য চিরস্থায়ী নয় এবং দুনিয়াকে কেউ তাদের লক্ষ্য বানাতে পারবে না। কিন্তু দু:খের বিষয় হল, মানুষ দুনিয়ার মোহে পড়ে আখিরাত ভুলে যায়। দুনিয়া অর্জন করার জন্য রাত-দিন পরিশ্রম করে। কিন্তু আখিরাত অর্জন করার জন্য শতভাগের এক ভাগ পরিশ্রমও তারা করে না।
আল্লামা আবু জাফর আস-সাফফার রহ. বলেন, বসরার এক নারী বলল, যার অন্তরে দুনিয়ার মহব্বত প্রবেশ করছে, তার অন্তরে তাকওয়া প্রবেশ করা হারাম [ইবনে আবিদ-দুনিয়া, আল-ওয়ারয়ু ২৯.]। যারা দুনিয়া বিমুখ হয়, তারাই সত্যিকার অর্থে পরহেজগার হয়ে থাকে। একটি কথা অবশ্যই মনে রাখতে হবে, দুনিয়া ও আখিরাত একসাথে একত্র হতে পারে না। যার অন্তরে দুনিয়ার মহব্বত থাকে তার অন্তর থেকে আখিরাত দূর হয়ে যায়, আবার যার অন্তরে আখিরাতের মহব্বত থাকে তার অন্তরে দুনিয়া থাকতে পারে না।
আবু জাফর আল-মিখওয়ালী রহ. বলেন, যে অন্তর দুনিয়াকে তার সাথী বানিয়েছে সে অন্তরে তাকওয়া বা দ্বীনদারি বসবাস করা হারাম [তারিখে বাগদাদ: ৪১০/৪০.]।
অধিকাংশ মুত্তাকী বা পরহেজগার লোকদের দেখা যায়, তারা অভাবী, ফকীর, মিসকিন। এর কারণ হল,-আল্লাহ রাব্বুল আলামীন আমাদের হেফাজত করুন-যারা তাকওয়া অর্জন বা দ্বীনদারি অবলম্বন করে না তারা সুদখোর, তারা অন্যায়ভাবে মানুষের সম্পদ হরণ করে এবং হারাম হালাল বেছে চলে না। এ ধরনের লোকদের মধ্যে কাউকে আল্লাহ রাব্বুল আলামীনের তাকওয়া অর্জন করতে দেখা যায় না। তারা সাধারণত তাদের ধন-সম্পদ ও দুনিয়াদারি নিয়েই ব্যস্ত থাকে। সুফিয়ান সাওরী রহ. বলেন, আমি যত পরহেজগার লোককে দেখেছি, তাদের সবাইকে অভাবী দেখেছি [তাহজিবুল কালাম: ৩৪০/২৭.]। যে ব্যক্তি দুনিয়ার থেকে মুখ ফিরিয়ে না নেয়, সে দ্বীনদারি অবলম্বন করতে পারবে না।
আল্লামা আবু জাফর আস-সাফফার রহ. বলেন, বসরার এক নারী বলল, যার অন্তরে দুনিয়ার মহব্বত প্রবেশ করছে, তার অন্তরে তাকওয়া প্রবেশ করা হারাম [ইবনে আবিদ-দুনিয়া, আল-ওয়ারয়ু ২৯.]। যারা দুনিয়া বিমুখ হয়, তারাই সত্যিকার অর্থে পরহেজগার হয়ে থাকে। একটি কথা অবশ্যই মনে রাখতে হবে, দুনিয়া ও আখিরাত একসাথে একত্র হতে পারে না। যার অন্তরে দুনিয়ার মহব্বত থাকে তার অন্তর থেকে আখিরাত দূর হয়ে যায়, আবার যার অন্তরে আখিরাতের মহব্বত থাকে তার অন্তরে দুনিয়া থাকতে পারে না।
আবু জাফর আল-মিখওয়ালী রহ. বলেন, যে অন্তর দুনিয়াকে তার সাথী বানিয়েছে সে অন্তরে তাকওয়া বা দ্বীনদারি বসবাস করা হারাম [তারিখে বাগদাদ: ৪১০/৪০.]।
অধিকাংশ মুত্তাকী বা পরহেজগার লোকদের দেখা যায়, তারা অভাবী, ফকীর, মিসকিন। এর কারণ হল,-আল্লাহ রাব্বুল আলামীন আমাদের হেফাজত করুন-যারা তাকওয়া অর্জন বা দ্বীনদারি অবলম্বন করে না তারা সুদখোর, তারা অন্যায়ভাবে মানুষের সম্পদ হরণ করে এবং হারাম হালাল বেছে চলে না। এ ধরনের লোকদের মধ্যে কাউকে আল্লাহ রাব্বুল আলামীনের তাকওয়া অর্জন করতে দেখা যায় না। তারা সাধারণত তাদের ধন-সম্পদ ও দুনিয়াদারি নিয়েই ব্যস্ত থাকে। সুফিয়ান সাওরী রহ. বলেন, আমি যত পরহেজগার লোককে দেখেছি, তাদের সবাইকে অভাবী দেখেছি [তাহজিবুল কালাম: ৩৪০/২৭.]। যে ব্যক্তি দুনিয়ার থেকে মুখ ফিরিয়ে না নেয়, সে দ্বীনদারি অবলম্বন করতে পারবে না।