১
অন্তরের আমল দ্বীনদারি
লেখকঃ মুহাম্মাদ সালেহ আল-মুনাজ্জেদ • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ১৫
সাহাবীদের দ্বীনদারি:
আবু ক্বাতাদা রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন,
«كنا مع النبي بالقاحة، ومنا المحرم ومنا غير المحرم، فرأيت أصحابي يتراءون شيئا، فنظرت فإذا حمار وحش، فوقع سوطي، فقالوا : لا نعينك عليه بشيء إنا محرمون فتناولته فأخذته، ثم أتيت الحمار من وراء أكمة، فعقرته فأتيت به أصحابي، فقال بعضهم : كلوا . وقال بعضهم : لا تأكلوا . فأتيت النبي صلى الله عليه وسلم وهو أمامنا- فسألته، فقال كُلوُه، حلَالٌ»
“আমরা রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সাথে কা-হা নামক স্থানে ছিলাম। তখন আমাদের মধ্যে কিছু লোক ছিল মুহরিম আবার কিছু ছিল হালাল। এ অবস্থায় আমরা দেখতে পেলাম আমরা সাহাবীরা একটি জিনিষ দেখাদেখি করছে। তারপর আমি তাদের দিকে তাকিয়ে দেখি একটি দড়ি ছুট গাধা। তারপর আমার লাঠি জমিনে পড়ে গেল, তখন তারা বলল, আমরা কোন ব্যাপারে তোমাকে সাহায্য করব না। কারণ, আমরা সবাই ইহরাম বাধা অবস্থায় আছি। তারপর আমি নিজেই তা উঠিয়ে নেই। তারপর আমি একটি পর্দার আড়াল দিয়ে গাধার নিকট আসি এবং গাধাটিকে শিকার করি। তারপর জবেহ করে গোশত নিয়ে আমার সাথীদের নিকট আসি। তখন তাদের কেউ কেউ বলল, তোমরা খাও। আবার কেউ কেউ বলল, তোমরা খেয়ো না। তারপর আমরা রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর দরবারে আসলাম-তিনি আমাদের সামনে ছিলেন- তাকে আমরা জিজ্ঞাসা করলাম, আমরা কি এ গাধা থেকে খাব নাকি খাব না? তখন তিনি বললেন, তোমরা তা হতে খাও। কারণ, তা তোমাদের জন্য হালাল” [বুখারি ১৮২৩.]।
অর্থাৎ, আবু কাতাদাহ রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু এর লাঠি মাটিতে পড়ে গেলে সে তার নিজের লাঠি নিজেই মাটি থেকে উঠাইলেন। কোন সাহাবী তার লাঠিটা তার হাতে তুলে দেয়নি। কারণ, তারা আশঙ্কা করছিল যদি আমরা তার লাঠিটি তার হাতে তুলে দিই, তাহলে মুহরিম অবস্থায় তাকে শিকার করার জন্য সহযোগিতা করা হল। কারণ, সাহাবীরা তখন মুহরিম ছিল আর আবু কাতাদাহ ছিল গাইরে মুহরিম বা হালাল। তারপর সাহাবীরা আবু কাতাদাহ কর্তৃক শিকার করা গাধার গোশত খেতেও পরহেজ করেন। কারণ, তারা চিন্তা করছিল আবু কাতাদাহ শিকার করার প্রতি মনোযোগী হত না যদি তারা তার প্রতি দেখাদেখি না করত। তারা যখন দেখাদেখি করলেন তখন আবু কাতাদাহ গাধাটিকে শিকার করতে উদ্বুদ্ধ হল। এ কারণে তারা গোশত খেতে চাইছিল না। তারা ধারণা করছিল মুহরিম অবস্থায় শিকারির গোশত খাওয়া যাবে না।
«كنا مع النبي بالقاحة، ومنا المحرم ومنا غير المحرم، فرأيت أصحابي يتراءون شيئا، فنظرت فإذا حمار وحش، فوقع سوطي، فقالوا : لا نعينك عليه بشيء إنا محرمون فتناولته فأخذته، ثم أتيت الحمار من وراء أكمة، فعقرته فأتيت به أصحابي، فقال بعضهم : كلوا . وقال بعضهم : لا تأكلوا . فأتيت النبي صلى الله عليه وسلم وهو أمامنا- فسألته، فقال كُلوُه، حلَالٌ»
“আমরা রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সাথে কা-হা নামক স্থানে ছিলাম। তখন আমাদের মধ্যে কিছু লোক ছিল মুহরিম আবার কিছু ছিল হালাল। এ অবস্থায় আমরা দেখতে পেলাম আমরা সাহাবীরা একটি জিনিষ দেখাদেখি করছে। তারপর আমি তাদের দিকে তাকিয়ে দেখি একটি দড়ি ছুট গাধা। তারপর আমার লাঠি জমিনে পড়ে গেল, তখন তারা বলল, আমরা কোন ব্যাপারে তোমাকে সাহায্য করব না। কারণ, আমরা সবাই ইহরাম বাধা অবস্থায় আছি। তারপর আমি নিজেই তা উঠিয়ে নেই। তারপর আমি একটি পর্দার আড়াল দিয়ে গাধার নিকট আসি এবং গাধাটিকে শিকার করি। তারপর জবেহ করে গোশত নিয়ে আমার সাথীদের নিকট আসি। তখন তাদের কেউ কেউ বলল, তোমরা খাও। আবার কেউ কেউ বলল, তোমরা খেয়ো না। তারপর আমরা রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর দরবারে আসলাম-তিনি আমাদের সামনে ছিলেন- তাকে আমরা জিজ্ঞাসা করলাম, আমরা কি এ গাধা থেকে খাব নাকি খাব না? তখন তিনি বললেন, তোমরা তা হতে খাও। কারণ, তা তোমাদের জন্য হালাল” [বুখারি ১৮২৩.]।
অর্থাৎ, আবু কাতাদাহ রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু এর লাঠি মাটিতে পড়ে গেলে সে তার নিজের লাঠি নিজেই মাটি থেকে উঠাইলেন। কোন সাহাবী তার লাঠিটা তার হাতে তুলে দেয়নি। কারণ, তারা আশঙ্কা করছিল যদি আমরা তার লাঠিটি তার হাতে তুলে দিই, তাহলে মুহরিম অবস্থায় তাকে শিকার করার জন্য সহযোগিতা করা হল। কারণ, সাহাবীরা তখন মুহরিম ছিল আর আবু কাতাদাহ ছিল গাইরে মুহরিম বা হালাল। তারপর সাহাবীরা আবু কাতাদাহ কর্তৃক শিকার করা গাধার গোশত খেতেও পরহেজ করেন। কারণ, তারা চিন্তা করছিল আবু কাতাদাহ শিকার করার প্রতি মনোযোগী হত না যদি তারা তার প্রতি দেখাদেখি না করত। তারা যখন দেখাদেখি করলেন তখন আবু কাতাদাহ গাধাটিকে শিকার করতে উদ্বুদ্ধ হল। এ কারণে তারা গোশত খেতে চাইছিল না। তারা ধারণা করছিল মুহরিম অবস্থায় শিকারির গোশত খাওয়া যাবে না।